একটি ওয়াশিং মেশিন একবার কাপড় ধুতে গড়ে ০.৩ থেকে ১.৫ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ করতে পারে। এটি মেশিনের মডেল, ক্ষমতা এবং ব্যবহারের ধরনের উপর নির্ভর করে।
Washing Machine Using Tips : একবার ওয়াশিং মেশিনে কাপড় ধুতে কত বিদ্যুৎ খরচ ? জেনে নিন হিসেব
Washing Machine Electricity Bill : জেনে নিন, একবার জামা-কাপড় কাচলে ঠিক কত ইউনিট বিদ্যুৎ পোড়ে।

- ওয়াশিং মেশিনের বিদ্যুৎ খরচ নির্ভর করে মডেল ও ব্যবহারের উপর।
- সাধারণত একবার ধুতে ০.৩ থেকে ১.৫ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হয়।
- ফ্রন্ট লোড মেশিন টপ লোডের চেয়ে বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী।
- পুরো লোড, কুইক ওয়াশ ব্যবহার করে বিল কমানো যায়।
Washing Machine Electricity Bill : গরমে এসির পাশাপাশি কাজ বেড়ে যায় ওয়াশিং মেশিনের (Washing Machine Using Tips)। তীব্র গরমে ঘেমো জামা-কাপড়ের স্তূপ বাড়ে বাড়িতে। সেই কারণে ওয়াশিং মেশিন চালাতে হয় শীতের থেকে অনেক বেশি। যা স্বাভাবিকভাবেই বাড়িয়ে দেয় আপনার বিদ্যুতের বিল (Electricity Bill)। জেনে নিন, একবার জামা-কাপড় কাচলে ঠিক কত ইউনিট বিদ্যুৎ পোড়ে।
সত্যিই ওয়াশিং মেশিনে বেশি বিদ্যুৎ খরচ হয়
গরমে অনেকেরই এই বিষয়ে চিন্তা থাকে। ওয়াশিং মেশিন কতটা বিদ্যুৎ খরচ করে তা নিয়ে চিন্তায় থাকেন গৃহস্থেরা। একটা বিষয় মনে রাখা দরকার, ওয়াশিং মেশিন খুব বেশি বিদ্যুৎ টানে না ঠিকই, তবে ঠিক মতো সেটিংস না জানলে আপনার খরচ বাড়বে। একটি ওয়াশিং মেশিন ১ বার কাপড় ধুতে কতটুকু বিদ্যুৎ খরচ করবে, তা মূলত মেশিনের মডেল, ক্ষমতা ও ব্যবহারের ধরনের ওপর নির্ভর করে।
কীভাবে বুঝবেন বিদ্যুতের ইউনিটের হিসেব
সাধারণত একটি ওয়াশিং মেশিন ক্ষমতা ৩০০ ওয়াট থেকে ২০০০ ওয়াট পর্যন্ত হতে পারে। সহজ ভাষায়, ১০০০ ওয়াট মানে ১ কিলোওয়াট। যদি আপনার মেশিনটি ১০০০ ওয়াটের হয় এবং সেটি টানা ১ ঘণ্টা চলে, তবে ১ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হবে। যদি মেশিনটি ৫০০ ওয়াটের হয় ও ১ ঘণ্টা চলে, তবে খরচ হবে মাত্র ০.৫ ইউনিট।
আপনার একবার কাপড় ধুতে কত খরচ হবে ?
একটা বিষয় আপনার বোঝা উচিত, সাধারণত একটি ওয়াশিং মেশিন ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা পর্যন্ত চলে। এক বার কাপড় ধোয়ার ক্ষেত্রে এই সময় লাগে আমাদের। এই ক্ষেত্রে গড়ে ০.৩ থেকে ১.৫ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হতে পারে। এবার বুঝতে হবে বিদ্যুতের খরচের বিষয়টি। আপনার এলাকায় প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম যদি ৮ টাকা হয়, তবে এক বার কাপড় ধুতে খরচ হবে প্রায় ২.৪ টাকা থেকে ১২ টাকা পর্যন্ত।
ফ্রন্ট লোড নাকি টপ লোড: কোনটি সাশ্রয়ী ?
বিদ্যুৎ ও জল সাশ্রয়ের দৌড়ে ফ্রন্ট লোড (Front Load) মেশিন সবসময় এগিয়ে। এই মেশিনগুলি স্মার্ট প্রযুক্তি ব্যবহার করে কম জলে ও কম বিদ্যুতে কাপড় পরিষ্কার করে। অন্যদিকে, টপ লোড (Top Load) মেশিন কেনা সস্তা হলেও দীর্ঘমেয়াদে এটি বিদ্যুৎ ও জল কিছুটা বেশি খরচ করে।
বিদ্যুৎ বিল কমানোর কিছু সহজ উপায়
মনে রাখুন, আপনার সামান্য সচেতনতা মাসের বিল অনেকটা কমিয়ে দিতে পারে:
১ ফুল লোড ব্যবহার করুন : বার বার অল্প কাপড় না ধুয়ে, মেশিনের ধারণক্ষমতা অনুযায়ী একবারে বেশি কাপড় ধোয়ার চেষ্টা করুন।
২ কুইক ওয়াশ মোড : হালকা নোংরা কাপড়ের জন্য কুইক ওয়াশ মোড ব্যবহার করুন, এতে সময় ও বিদ্যুৎ দুই-ই বাঁচে।
৩ হিটার এড়িয়ে চলুন: খুব প্রয়োজন না হলে গরম জলের অপশন বন্ধ রাখুন।
৪ এনার্জি স্টার রেটিং: নতুন মেশিন কেনার সময় সব সময় ৫-স্টার রেটিং যুক্ত মেশিন কিনুন।
আরও পড়ুন : সার্ভিসিংয়ের পরেও ঠান্ডা হচ্ছে না এসি ? এই ট্রিক নিলেই সমস্যার সমাধান
Frequently Asked Questions
ওয়াশিং মেশিন একবার কাপড় ধুলে কত ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হয়?
ফ্রন্ট লোড নাকি টপ লোড, কোনটি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী?
ফ্রন্ট লোড মেশিনগুলি স্মার্ট প্রযুক্তি ব্যবহার করে কম জল ও বিদ্যুতে কাপড় পরিষ্কার করে, তাই এটি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী। টপ লোড মেশিন তুলনামূলকভাবে বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে।
ওয়াশিং মেশিনের বিদ্যুৎ বিল কমাতে কী কী উপায় আছে?
ফুল লোড ব্যবহার করুন, হালকা নোংরা কাপড়ের জন্য কুইক ওয়াশ মোড ব্যবহার করুন এবং গরম জলের অপশন এড়িয়ে চলুন। নতুন মেশিন কেনার সময় ৫-স্টার রেটিং যুক্ত মেশিন কিনুন।
আমি কীভাবে বুঝব আমার ওয়াশিং মেশিন কতটা বিদ্যুৎ ব্যবহার করছে?
সাধারণত ওয়াশিং মেশিনের ক্ষমতা ৩০০ ওয়াট থেকে ২০০০ ওয়াট পর্যন্ত হয়। যদি আপনার ১০০০ ওয়াটের মেশিন ১ ঘণ্টা চলে, তবে ১ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ হবে।






















