Vijay Mallya: ঋণের চেয়ে বেশি টাকা আদায়? মামলা করলেন বিজয় মাল্য, ১০ ব্যাঙ্ককে নোটিস আদালতের
Vijay Mallya Case: ব্যাঙ্কগুলি প্রদত্ত টাকার কয়েক গুণ বেশি উশুল করেছে বলে কর্নাটক হাইকোর্টে মামলা করেন বিজয়।

নয়াদিল্লি: ঋণখেলাপের দায়ে দেশছাড়া। এবার ভারতের আদালতে মামলা করলেন পলাতক শিল্পপতি বিজয় মাল্য। যত টাকার ঋণখেলাপের অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে, তার চেয়ে অনেক বেশি টাকা আদায় করা হয়েছে বলে অভিযোগ করলেন তিনি। ঋণের টাকা শোধ হয়ে যাওয়ার পরও, ব্যাঙ্কগুলি টাকা তুলে গিয়েছে,ঋণের দ্বিগুণেরও বেশি টাকা আদায় করেছে বলে দাবি করেছেন। সেই নিয়ে State Bank of India, Punjab National Bank of India-সহ মোট ১০টি ব্য়াঙ্ককে নোটিস ধরাল আদালত। (Vijay Mallya)
ব্যাঙ্কগুলি প্রদত্ত টাকার কয়েক গুণ বেশি উশুল করেছে বলে কর্নাটক হাইকোর্টে মামলা করেন বিজয়। তিনি জানান, Kingfisher Airlines-এর বিরুদ্ধে যে ঋণখেলাপি মামলা ছিল, তাতে ঋণের মূল টাকা উঠে আসার পরও, বার বার করে টাকা উশুল করেছে ব্যাঙ্কগুলি। অর্থাৎ যত টাকা বাকি ছিল, তার কয়েক গুণ বেশি টাকা আদায় করা হয়েছে। কত টাকা টাকা তোলা হয়েছে, ব্য়াঙ্কগুলিকে তার স্টেটমেন্ট জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হোক বলে আদালতে আবেদন জানান বিজয়। (Vijay Mallya Case)
সেই মামলার শুনানিতেই ১০টি ব্যাঙ্ককে নোটিস ধরালেন কর্নাটক হাইকোর্টের বিচারপতি আর দেবদাস। নোটিস ধরানো হয়েছে একজন ঋণের টাকা আদায়কারী আধিকারিক এবং একটি সম্পত্তি পুনরুদ্ধার সংস্থাকেও। বিজয়ের আইনজীবী সজন পুবাইয়া আদালতে জানান, Kingfisher Airlines-এর মাথায় ৬২০০ কোটি টাকা ঋণ ছিল। সেই টাকা আদায় করতে গিয়ে ইতিমধ্যেই ১৪০০০ কোটি টাকা তুলে নিয়েছে ব্যাঙ্কগুলি।
আদালতে বিজয়ের আইনজীবী অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনকে উদ্ধৃত করেন। তিনি বলেন, “লোকসভায় অর্থমন্ত্রী এ নিয়ে কথা বলেছেন। ঋণের টাকা আদায়কারী আধিকারিক জানিয়েছেন ১০২০০ কোটি উদ্ধার হয়েছে। অর্থাৎ ঋণ পুরো শোধ হয়ে যাওয়ার পরও, এখনও টাকায় আদায় করা হচ্ছে।”
টাকা আদায়ের উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ চেয়েও আদালতে আবেদন জানান বিজয়। তাঁর নামে কত টাকার ঋণ ছিল, Kingfisher Airlines-এর হোল্ডিং সংস্থা United Breweriws-এর নামেই বা কত ঋণ ছিল, তার মধ্যে কত টাকা তোলা হয়েছে, পূর্ণাঙ্গ স্টেটমেন্ট চেয়েছেন তিনি।
২০১৬ সালে সপরিবারে ব্রিটেনে পালিয়ে যান বিজয়। গত বছরই ঋণের চেয়ে বেশি টাকা আদায় করা হয়েছে বলে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হয়েছিলেন তিনি। বিজয় জানান, Debt Recovery Tribunal ৬ হাজার ২০০ কোটি টাকা তোলার নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু তার দ্বিগুণেরও বেশি টাকা আদায় করা হয়েছে। সংসদে নির্মলার ভাষণের কথাও উল্লেখ করেন বিজয়, যেখানে বিজয় মালিয়ার সম্পত্তি বিক্রি করে ১৪ হাজার ১৩১.৬ কোটি টাকা আদায় করা গিয়েছে। ঋণের টাকার চেয়ে বেশি টাকা কেন আদায় করা হল, প্রশ্ন তুলেছেন বিজয়।
ট্রেন্ডিং
সেরা শিরোনাম
