Digital War in West Bengal Election: ভোটে 'ডিজিটাল যুদ্ধে' প্রচারে 'অপপ্রচারের' চেষ্টা সব দলের? কোনটা সত্যি, কোনটা মিথ্যে, কীভাবে বুঝবেন?
West Bengal Assembly Election: এবার কি 'ডিজিটাল যুদ্ধ' দিয়ে ভোট জয়ের ভাবনা? অন গ্রাউন্ড প্রচার কি তবে শিফট করছে ডিজিটালে? এমনই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে সাধারণ মনে।

কলকাতা: ভোটের আগে ডিজিটাল ময়দানেও লড়াই। বিরোধীদের টেক্কা দিতে গত বছর অক্টোবরে 'আমি বাংলার ডিজিটাল যোদ্ধা' নামে ওয়েবসাইট লঞ্চ করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সোমবার, বিধানসভা ভোটের মুখে ডিজিটাল যোদ্ধাদের নিয়ে কনক্লেভ করলেন তিনি। টাইমলাইন বেঁধে, ঠিক করে দিলেন ভোটের টাস্ক। পাশাপাশি সোশাল মিডিয়ায় প্রচার যুদ্ধে সমানে সমানে টক্কর দিতে তৈরি বিজেপি-সিপিএমও। তবে এবার কি 'ডিজিটাল যুদ্ধ' দিয়ে ভোট জয়ের ভাবনা? অন গ্রাউন্ড প্রচার কি তবে শিফট করছে ডিজিটালে? এমনই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে সাধারণ মনে।
এ প্রসঙ্গে এদিন সাইবার বিশেষজ্ঞ সন্দীপ সেনগুপ্ত বলেন, এর আগে এটা আমেরিকাতে দেখা গিয়েছিল কেম্বব্রিজ অ্যানালিটিকাল। আমাদের ভয়, ভাল লাগা, খারাপ লাগা সোশাল মিডিয়ায় প্রকাশ করে ফেলি। এই সেন্টিমেন্ট অ্যানালিসিস করা হলে দেখা যাবে যে কোন জায়গার মানুষ কী চাইছে। এই বিষয়কে হাতিয়ার করেই বিশৃঙ্খলা তৈরি করার চেষ্টা হয়। এর মাধ্যমে ম্যানিফেস্টো তৈরির চেষ্টাও হয়। এটা এর আগে বিভিন্ন দেশে হয়েছে। সোশাল মিডিয়ায় অপপ্রচার করেই ভোটে নানা তথ্য ছড়ানোর চেষ্টা হয়। সাধারণভাবে কোন খবর ঠিক, কোন খবর ভুল তা জনগণের কাছে সঠিক ভাবে পৌঁছয় না।
কীভাবে বুঝবেন কোন তথ্য ঠিক, কোন তথ্য ভুল?
সাইবার বিশেষজ্ঞ সন্দীপ সেনগুপের কথায়, 'নির্বাচনের আগে এই প্রচারের সঠিক বেঠিক বোঝা খুব শক্ত একটা কাজ হয়ে যায়। কারণ ডিপ-ফেল এমন এমন জিনিস তৈরি করে দিচ্ছে যে বোঝার উপায় নেই, কোনটা এআই দিয়ে করছে, কোনটা সত্যি বা মিথ্যে! সকলকে এটা ভাবতে হবে যেটা দেখছেন সেটা আদৌ সত্যি কি না সেটা বুঝতে হবে ফ্যাক্ট চেকার দিয়ে।
কীভাবে এই ফ্যাক্ট চেকার ব্যবহার করবেন?
হোয়াটসঅ্যাপ বা সোশাল মিডিয়ায় যে ভিডিও আপনি দেখতে পাচ্ছেন সেটা ডাউনলোড করুন।
এরপর গুগলে গিয়ে ফ্যাক্ট চেকার টাইপ করুন। একাধিক সাইট আসবে। সেখানের কোনও একটিতে গিয়ে ভিডিওটি আপলোড করে দিন।
এরপর গুগল বা ফ্যাক্ট চেকিং ওয়েবসাইট তখন বলে দেবে এই ছবি আসলে কোথা থেকে তোলা হয়েছে। বা এই ছবির সঙ্গে অন্য কোনও ছবির বা ভিডিওর কিছু অংশেরও মিল আছে কি না।
এটাকে বলে রিভার্স ইমেজ সার্চ। এর মাধ্যমে এই ভিডিও ঠিক না ভুল সেটা বোঝা সম্ভব।
তবে ডিপ ফেক হলে সেটা এর মাধ্যমে বোঝা সম্ভব হবে না। সেক্ষেত্রে ভিডিওতে জার্ক আছে কি না সেটা দেখা। এআই ছবি অনেক ক্ষেত্রেই বোঝা যায়। ন্যাচরাল ভিডিওর সঙ্গে এর তফাত থাকে।
তবে এক্ষেত্রে একটি সাবধানবাণীও শুনিয়েছেন সাইবার বিশেষজ্ঞ। সন্দীপ সেনগুপের কথায়, 'একটা বিষয় মাথায় রাখতে হবে। কেউ যদি ভাবে সোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে ভোট জিততে পারবে সেক্ষেত্রে এটাও ভাবতে হবে যে জনপ্রিয় সোশাল মিডিয়াগুলি কিন্তু চালায় বিদেশি শক্তি। তাহলে এই জেতা হারা কিন্তু অনেকটাই তুলে দেব বিদেশি শক্তির হাতে। কারণ সোশাল মিডিয়ারা যদি তাঁদের অ্যালগরিদম সামান্য বদল করে তাহলে অনেকে কম চেষ্টা করে অনেকটা এগিয়ে যাওয়া যাবে আবার কেউ শত চেষ্টা করলেও পিছিয়ে যেতে থাকবে।
হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, এক্স, ইনস্টাগ্রামে এখন সব দলের নানা পোস্টে লাইক-শেয়ারের বন্যা বইলেও, ভোটযন্ত্রে কি প্রভাব পড়বে? এই উত্তর অবশ্য দেবে আগামীদিন।
Before You Go
Amit Shah Bengal Visit: ৩ দিনের সফরে রাজ্যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ | BJP | ABP Ananda






















