Debraj Chakraborty: দেবরাজকে টানা জিজ্ঞাসাবাদ STF-এর, "অভিষেকেরও ঘনিষ্ঠ হওয়ার সুবাদে.."
STF On Debraj Chakraborty: বিধাননগর কমিশনারেটের এসটিএফ-র হেফাজতে থাকা দেবরাজকে এবার জিজ্ঞাসাবাদ STF-এর।

কলকাতা: বিধাননগর কমিশনারেটের এসটিএফ-র হেফাজতে থাকা দেবরাজকে এবার জিজ্ঞাসাবাদ STF-এর। অভিষেকের PA সুমিত রায়ের খোঁজ পেতে দেবরাজকে টানা জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়েছে। সুমিত রায়ের খোঁজ পেতে ২ ঘণ্টা টানা জেরা দেবরাজ চক্রবর্তীকে। এসটিএফ দাবি জানিয়ে বলেছে, 'দেবরাজ চক্রবর্তী সঙ্গে সুমিত রায়ের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। দেবরাজ অভিষেকেরও ঘনিষ্ঠ হওয়ার সুবাদে সুমিত রায়ের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল।ডিলিট করা চ্যাটে সুমিত রায়ের সঙ্গে কথোপকথন। দেবরাজের থেকে উদ্ধার হওয়া মোবাইলে বেশ কিছু নম্বরও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।'
আরও পড়ুন, 'ঋতব্রত তৃণমূল'-এ চন্দ্রিমা, নিশানা সৌগতর, " লোকে যদি মনে না রাখে.."
এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের PA সুমিত রায়ের খোঁজ পেতে দেবরাজকে টানা জিজ্ঞাসাবাদ করল রাজ্য পুলিশের STF. এর আগে, শালবনির একটি জমি জালিয়াতি ও প্রতারণা মামলার তদন্তে উঠে আসে ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদের আপ্ত সহায়কের নাম। গত ১২ জুন, স্পেশাল টাস্ক ফোর্স বা STF। আর এই তদন্তের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে আসছে একটাই নাম— অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়! সাংসদের পিএ সুমিত রায়ের হদিশ পেতেই এবার SIT হেফাজতে থাকা দেবরাজ চক্রবর্তীকে ম্যারাথন জেরা করল STF। অভিষেক-ঘনিষ্ঠতার সুবাদেই কি চলত সুমিতের সঙ্গে যোগাযোগ? তা নিয়েই বাড়ছে রহস্য।
দেবরাজ চক্রবর্তীকে ঘিরে তদন্তে এবার সরাসরি এন্ট্রি নিল রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স। বিধাননগর কমিশনারেটের SIT-র হেফাজতে থাকা দেবরাজকে লক-আপেই শুরু হলো একের পর এক বাণ। লক্ষ্য একটাই— অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিএ সুমিত রায়ের হদিশ পাওয়া। আর সেই সূত্র খুঁজতেই ঘড়ির কাঁটা ধরে টানা ২ ঘণ্টা চলল ম্যারাথন জেরা। কিন্তু কেন দেবরাজকে জেরা করে সুমিতের খোঁজ চাইছে STF? তদন্তকারীদের দাবি, এর নেপথ্যে রয়েছে হাই-প্রোফাইল কানেকশন। দেবরাজ চক্রবর্তী নিজে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। আর এই অভিষেক-ঘনিষ্ঠতার সুবাদেই সুমিত রায়ের সঙ্গেও তাঁর তৈরি হয়েছিল নিবিড় ও অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ।
শুধু মুখের কথাই নয়, তদন্তে নেমে অকাট্য ডিজিটাল প্রমাণও পেয়েছেন তদন্তকারীরা। STF-এর দাবি, দেবরাজের মোবাইল ঘেঁটে মিলেছে ডিলিট করে দেওয়া বেশ কিছু চ্যাট। আর সেই ডিলিট করা চ্যাটেই লুকিয়ে ছিল সুমিত রায়ের সঙ্গে কথোপকথনের অকাট্য সূত্র। এখানেই শেষ নয়। দেবরাজের থেকে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোনটি এখন তদন্তের প্রধান হাতিয়ার। সেই ফোনের একাধিক রহস্যময় ও সন্দেহজনক নম্বর এখন STF-এর স্ক্যানারে। একের পর এক ডিলিট হওয়া চ্যাট আর কললিস্টের ডিজিটাল ক্লু জোড়া লাগিয়ে আসল সত্যটা উগরে দিতে চাইছে সাইবার বিশেষজ্ঞরা।অভিষেক-ঘনিষ্ঠতার এই জাল ছিঁড়ে শেষ পর্যন্ত কি সুমিত রায়ের হদিস পাবে STF? দেবরাজের মোবাইল থেকে উদ্ধার হওয়া তথ্য কি খুলে দেবে নতুন কোনো রহস্যের দরজা? এখন সেই উত্তরই খুঁজছেন তদন্তকারীরা।






















