TMC Leader Arrested: গ্রেফতার এবার নন্দীগ্রামের দাপুটে তৃণমূল নেতা, কী অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে ?
Nandigram TMC Leader Arrested: ভোটের আগে বাড়িতে বোমা মজুতের অভিযোগ, গ্রেফতার নন্দীগ্রামের দাপুটে তৃণমূল নেতা

কলকাতা: ভোটের আগে বাড়িতে বোমা মজুতের অভিযোগ। গ্রেফতার নন্দীগ্রামের দাপুটে তৃণমূল নেতা সামশুল ইসলাম। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ পদেও ছিলেন তিনি। 'গত ১৯ এপ্রিল নিজের বাড়িতে বোমা মজুত করেন তিনি'। পরে সেই বোমা ফেটে জখম হন তাঁর নাবালিকা মেয়ে, খবর পুলিশসূত্রে। সেই ঘটনায় সামশুলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আজ সকালে, তাঁকে লক্ষ্য করে 'চোর চোর' স্লোগান দেন বিক্ষোভকারীরা। ছোড়া হয় ডিমও।
দিকে দিকে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা। কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ, ভোট পরবর্তী অশান্তিতে উস্কানি দেওয়ার।কেউ আবার দুর্নীতির দায়ে হাতে পড়েছেন হাতকড়া।কৃষক সেলের সভাপতি পদের অপব্যবহার করে কেউ আবার কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস গড়ে তুলেছেন মৌরসিপাট্টা।রাজ্যে সরকার বদল হতেই এবার একে একে জালে অভিযুক্ত এই তৃণমূল নেতারা।দক্ষিণ ২৪ পরগনার নোদাখালিতে ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে জাহাঙ্গির খান ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা শেখ বাপিকে।
দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের সদস্য শেখ বাপির বিরুদ্ধে ২০২১ সালে এলাকার বহু বাসিন্দাকে ঘর ছাড়া করার অভিযোগ রয়েছে।দক্ষিণ ২৪ পরগনা নোদাখালি বাসিন্দা সঞ্জয় মণ্ডল বলেন, '২১ সালে আমার ঘর ভাঙা হয়েছে ৩ বার । আমাকে মারতে মারতে উঠিয়ে নিয়ে চলে গেছিল। বাপি শেখ। পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামেও এলাকার তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে প্রায় একই অভিযোগ।ইনি পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ সামশুল ইসলাম।অভিযোগ, বিধানসভা ভোটের মুখে নিজের বাড়িতে বোমা মজুত করে রেখেছিলেন ওই তৃণমূল নেতা।ধৃতের বিরুদ্ধে লক্ষ লক্ষ টাকার দুর্নীতিরও অভিযোগ রয়েছে। শুক্রবার ভোররাতে অভিযুক্ত সামশুল ইসলামকে তাঁর বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়।তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার হতে এভাবেই তাঁর ওপর আছড়ে পড়ে ক্ষোভ।
প্রশ্ন: কেন অ্যারেস্ট করা হল আপনাকে ?
সামশুল ইসলাম: বলতে পারব না।
নন্দীগ্রামে ধৃত তৃণমূল নেতাকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয় ডিম। তমলুক সাংগঠনিক জেলা বিজেপি সংখ্যালঘু সেল সাধারণ সম্পাদক আব্বাস বেগ বলেন, ২০২২ সালে গাছ চুরি করেছে ৯৩ লক্ষ টাকার দুর্নীতি করে ৬৩ দিন জেল খাটিয়েছি আমি হাইকোর্টে মামলা করে। একাধিক মানুষের ওপর অত্যাচার করেছে, কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি করেছে। এই শেখ সামশুল ইসলামের ভয়ে দাউদপুরের মানুষ বেরোতে পারত না।
বাঁকুড়ার ছাতনায় গ্রেফতার করা হয়েছে তৃণমূলের কৃষক সেলের জেলা সভাপতি শঙ্কর চক্রবর্তীকে। তাঁর বিরুদ্ধে বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিত্য়ক্ত ক্যাম্পাস জবরদখল ও সরকারি সম্পত্তি তছরুপের অভিযোগ রয়েছে।একসময় ছাতনা পঞ্চায়েত সমিতির কৃষি কর্মাধ্যক্ষ পদেও ছিলেন এই তৃণমূল নেতা। অভিযুক্ত তৃণমূল কংগ্রেস নেতা শংকর চক্রবর্তী বলেন, প্রতিহিংসায় ফাঁসানো হচ্ছে। কলেজের জিনিসগুলো কলেজেই আমি পাঠাচ্ছিলাম। রাজনৈতিক চক্রান্ত। মিথ্যা অভিযোগ। কলেজের কোনও জিনিসপত্র ওখানে ছিল না। অভিযুক্ত পক্ষের আইনজীবী অজয় চট্টোপাধ্যায় বলেন,একটা FIR করেছে শংকর চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে। পলিটিক্যাল (যোগ) তো জড়িয়ে আছে অবশ্যই। ধৃত তৃণমূল নেতাকে ২দিনের পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে বাঁকুড়া জেলা আদালত।





















