Hamim Mondal Case: জঙ্গি-যোগে তৃতীয় গ্রেফতারি, STF-এর হাতে গ্রেফতার হামিমের সহযোগী
Hamim Mondal Case Update: জঙ্গি-যোগে তৃতীয় গ্রেফতারি। হামিম, অর্পিতার পর এসটিএফ-এর হাতে গ্রেফতার হামিমের সহযোগী।

কলকাতা: জঙ্গি-যোগে তৃতীয় গ্রেফতারি। হামিম, অর্পিতার পর এসটিএফ-এর হাতে গ্রেফতার হামিমের সহযোগী।এবার হাওড়ার বেলিলিয়াস রোড থেকে বেঙ্গল STF-এর হাতে গ্রেফতার আদিত্য সিং ওরফে রাজু। জঙ্গিদের টার্গেট ছিলেন পুর প্রতিমন্ত্রী উমেশ রাই। হামিম-অর্পিতাকে উমেশ রাইয়ের ছবি দিয়েছিল আদিত্য, দাবি তদন্তকারীদের। হামিম, অর্পিতাকে জেরা করে গ্রেফতার আদিত্য সিং।
পিলখানায় হামিম মণ্ডলের বাড়ির দূরত্ব প্রায় ২ কিলোমিটার। আর পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের প্রতিমন্ত্রী উমেশ রাইয়ের বাড়ি আড়াই কিলোমিটার। STF সূত্রে দাবি, আদিত্যকে জঙ্গি কার্যকলাপে নিযুক্ত করেছিল হামিম। মন্ত্রী উমেশ রাইয়ের পরিবারের যাবতীয় তথ্য ও ছবি তুলে এনক্রিপটেড অ্যাপের মাধ্যমে হামিম ও অর্পিতাকে পাঠিয়ে দেওয়ার কাজটা করেছিল আদিত্য সিং। ধৃতদের মোবাইল ফোন ও বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ডিভাইস পরীক্ষা করার পর ষড়যন্ত্রটা ফাঁস হয়ে যায়। এরপরই আদিত্যের বাড়িতে পৌঁছে যায় STF-এর টিম। নিয়ে যাওয়া হয় তাঁর ল্যাপটপ। জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করা হয় কলেজ পড়ুয়াকে।
জঙ্গি হামিম মণ্ডলের সঙ্গে সরাসরি যোগ ছিল আদিত্য সিং-এর তেমনটাই বেঙ্গল STF সূত্রে খবর, এই আদিত্য সিংকে গত শনিবার বেঙ্গল STF-এর তদন্তকারী আধিকারিকরা প্রথমে আটক করে, তার থেকে একটি ল্যাপটপ পাওয়া যায়, বেশকিছু নথিপত্র পাওয়া যায়। তাকে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করার পর, তাঁকে বেঙ্গল STF-এর তদন্তকারীরা নিশ্চিত হন যে এই হামিমের সঙ্গে আদিত্যর সরাসরি যোগ ছিল।
STF-এর জালে ধরা পড়েছেন জঙ্গি হামিম মণ্ডল। এবার এই হামিমেরই একটি দোকানের হদিশ মিলল হাওড়ার পিলখানায়। তবে প্রিন্টিং-এর আড়ালে ঠিক কী চলত এই দোকানে? এখান থেকেই কি যাবতীয় জঙ্গি কার্যকলাপ চালাত হামিম? প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন STF-এর তদন্তকারীরা।হাওড়া পিলখানার এঁদো গলি থেকে বর্ধমানের অভিজাত আবাসনে ঘাঁটি। শেষমেশ সেখান থেকেই STF-এর জালে। জঙ্গি হামিম মণ্ডল আপাতত হাজতে। তাকে জেরা করে জানার চেষ্টা চলছে, কবে থেকে জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে তার যোগাযোগ? কতদিন ধরে সে মুখ্য়মন্ত্রীর গতিবিধি ট্র্য়াক করছিল? এরপরের প্ল্য়ান কী ছিল?
বর্ধমানের আগে হামিম মণ্ডল থাকত হাওড়ার পিলখানায়। সেখান থেকেই কি জঙ্গি কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিল সে?সন্দেহ উস্কে দিয়েছে এঁদো গলির মধ্য়ে হামিমের এই কারখানা।পিলখানার এঁদো গলির মধ্যে এই বিল্ডিংয়ের এক তলায় খোঁজ মিলল এই ঘরের। বাইরে থেকে তালা বন্ধ। অথচ ভিতরে জ্বলছে লাইট-ফ্যান। STF সূত্রে দাবি, এই ঘরটিকে কারখানা হিসেবে ব্যবহার করত জঙ্গি হামিম। ভিতরে চলত পোশাকের বারকোড প্রিন্টিং, স্ক্যানার, লেবেল সলিউশন, ট্যাগ বানানোর কাজ। সেই সঙ্গে স্মার্ট আইডি কার্ড-ও বানানো হত এখানে। মহিলা, পুরুষ মিলিয়ে বেশ কয়েকজন কাজ করতেন।প্রশ্ন উঠছে, এই কারখানায় কি শুধু এসব কাজই হত? নাকি কাজের আড়ালে এখান থেকেই জঙ্গি নেটওয়ার্ক অপারেট করত হামিম?
Before You Go
Delhi Protest: "লড়াই সংগ্রাম না করলে গণতন্ত্র বিপন্ন হবে",কোন প্রসঙ্গে বললেন Biman Bose? | SFI | CJP





















