ED-র তলবে সকাল ১১টার আগেই CGO কমপ্লেক্সে ইন্দ্রনীল সেন
মঙ্গলবার ইন্দ্রনীল সেনের বাড়ি ও আত্মীয়দের ঠিকানা সহ ১৬ জায়গায় তল্লাশি করে ED। তারপরই ইন্দ্রনীলকে ডেকে পাঠান ইডি আধিকারিকরা।

ED-র তলবে সকাল ১১টার আগেই CGO কমপ্লেক্সে ইন্দ্রনীল সেন । জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ED দফতরে তলব করা হয়েছিল প্রাক্তন মন্ত্রীকে। তিনি হাজির হলেন নির্ধারিত সময়ের আগেই। মঙ্গলবার ইন্দ্রনীল সেনের বাড়ি ও আত্মীয়দের ঠিকানা সহ ১৬ জায়গায় তল্লাশি করে ED। তারপরই ইন্দ্রনীলকে ডেকে পাঠান ইডি আধিকারিকরা।
ED সূত্রে দাবি, মোট ২টি FIR হয়েছিল। তার মধ্য়ে একটিতে নাম ছিল প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন ও তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেনের। সেই প্রেক্ষিতে ECIR দায়ের করে ED। অভিযোগকারীর দাবি, কলকাতার দুর্গাপুজো ইউনেস্কোর স্বীকৃতি পাওয়ার পর, ইউনেস্কোর নাম ভাঙিয়ে বড়সড় আর্থিক দুর্নীতি করে 'মাস আর্ট' নামে একটি সংস্থা। অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়, সংস্থার মাথায় রয়েছেন প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের স্ত্রী।
রাজ্যে পালাবদলের পর ৮ জুন বউবাজার থানায় অভিযোগ দায়ের করেন জয়দীপ মুখোপাধ্যায়। অভিযোগপত্রে লেখা হয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা 'মহানির্বাণ রোড মাস আর্ট সোসাইটি' নামে সংস্থাটির মাধ্যমে জনসাধারণের কাছে ৪ হাজার টাকার টিকিট বিক্রি করেছিল। এই টিকিটগুলো ছিল কলকাতার ২৪টি নির্বাচিত দুর্গা মণ্ডপের 'প্রিভিউ শো'-এর জন্য। 'মাস-আর্ট' এই মণ্ডপগুলোকে নির্বাচন করলেও, তারা মিথ্যা দাবি করেছিল যে এগুলো ইউনেস্কো কর্তৃক নির্বাচিত। ২০২৫ সালে সংস্থাটি একটি 'ডোনার পাস' প্রকাশ করে। যেখানে সুস্পষ্টভাবে টিকিটের দাম উল্লেখ করা ছিল। এবং শুরু থেকেই ইউনেস্কোর সাথে পার্টনারশিপের মিথ্যা দাবি করা হয়েছিল। অভিযোগপত্রে আরও দাবি করা হয়েছে, 'প্রিভিউ শো'-এর মাধ্য়মে দুর্গাপুজোর প্যান্ডেলগুলি শুধুমাত্র টিকিট কেনা দর্শকদের জন্যই সংরক্ষিত করা হয়েছিল এবং সাধারণ মানুষের প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল। দুর্গাপুজো চলাকালীন, যারা ওই নির্দিষ্ট দাম দিয়ে টিকিট কিনতে পারেনি, অভিযুক্তরা তাদের প্যান্ডেলে ঢুকতে বাধা দেন এবং এই কারে প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে বিবাদ ও বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়।
তৃণমূল ক্ষমতায় থাকাকালীন মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাঁর পাশে দেখা যেত ইন্দ্রনীল সেন-কে। সোমবারের তল্লাশি নিয়ে ইন্দ্রনীল সেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা হলেও, যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে এই অভিযোগ দায়েরের পর, তা ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছিলেন ইন্দ্রনীল সেন।
এ বিষয়ে মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক কুণাল ঘোষের বক্তব্য, অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে যা গল্প বলা হচ্ছে, পরে গিয়ে তার অর্ধেকের সারবত্তা থাকছে না।
Before You Go
Suvendu Adhikari: "মোদিজির কথায় ডবল ইঞ্জিন মুখ্যমন্ত্রীর কথায় ট্রিপল ইঞ্জিন", কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?






















