Kalighat TMC:কমিশনের সঙ্গে “ কী করে সাক্ষাতের সময় পেল ”ঋতব্রত-তৃণমূল” ? সাংবাদিক বৈঠকে 'কালীঘাট তৃণমূল'র সদস্য সৌগত রায়
Kalighat TMC Sougata Roy on EC: জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে 'ঋতব্রত-তৃণমূল'-এর বৈঠক শেষ হতেই এবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি 'কালীঘাট তৃণমূল' এর সদস্য সৌগত রায়।

কলকাতা: “ কী করে সাক্ষাতের সময় পেল ”ঋতব্রত-তৃণমূল” ? জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে 'ঋতব্রত-তৃণমূল'-এর বৈঠক শেষ হতেই এবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রশ্ন তুললেন 'কালীঘাট তৃণমূল' এর সদস্য সৌগত রায়।
এদিন তিনি বলেন,' আজকে আমরা দেখেছি একটা গোষ্ঠী, যারা তৃণমূল থেকে বেরিয়ে যাওয়া গোষ্ঠী। যাদের বেরিয়ে যাওয়া তৃণমূল, এবং যাদের নেতাকে তৃণমূল বহিষ্কার করেছিল, তাঁরা নির্বাচন কমিশনের ফুলবেঞ্চের সঙ্গে, মিটিং করেছে। এর আগে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছিল, কেবলমাত্র স্বীকৃত প্রতিনিধিরাই কমিশনের সঙ্গে দেখা করতে পারে। আমরা তো ..মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে তৃণমূলের চেয়ারম্যান, তাঁরা তো কোনও মিটিং চায়নি। তাহলে এই ভেঙে যাওয়া বিক্ষুব্ধ এমএলএ-রা কী করে সাক্ষাৎ এর সময় পেল ? আমরাই তো ঠিক করব, কে আমাদের দলের প্রতিনিধি। এতে জ্ঞানেশ কুমারের কোনও ভূমিকা নেই। যে কোনও লোককেই কমিশন অ্যাপয়নমেন্ট দিতে পারে ? যে কোনও ইন্ডিপেনডেন্ট এমএলএ গিয়ে, তিন জন নির্বাচন আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করতে পারে ? আমরা জানতে চাইযে আগে কি এরকম লোকেরা দেখা করেছে ?’ প্রশ্ন তোলেন তিনি।
ভোটে ভরাডুবির পর দলের রাশ কার্যত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতছাড়া হয়েছে। বিধানসভায় পাল্লা ভারী 'ঋতব্রত-তৃণমূলের'। এবার কি তৃণমূলের নাম আর প্রতীকও হাত থেকে চলে যেতে পারে? এই প্রশ্ন ঘিরে রাজ্য রাজনীতি তোলপাড়। এই আবহে দিল্লিতে গিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে দেখা করলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা।তৃণমূল বিধায়ক অরূপ রায় বলেন, আমরা নির্বাচন কমিশনকে বলেছি যে আমাদের মিটিং হয়েছে, অমুক জায়গায়, মিটিং হয়ে আমরা আলোচনা করেছি, আমরা কমিটি করেছি। সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস তৈরি হয়েছে। পার্টির নীতি অনুযায়ী আমরা সব করেছি। লিখিত দেওয়া হয়েছে সব।
গত ২২ জুন নতুন জাতীয় কর্মসমিতি তৈরি করে ঋতব্রত শিবির। সেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কারও নামই রাখা হয়নি। দলের চেয়ারম্যান করা হয় অরূপ রায়কে। সহ-সভাপতির দায়িত্ব পান, একদা মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের ছায়াসঙ্গী ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস। পরের দিনই রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে গিয়ে এই তালিকা জমা দেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা। এবার অরূপ রায়ের নেতৃত্বে দিল্লি গেলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, আখরুজ্জামান, জাভেদ খান, সন্দীপন সাহা-সহ ১০ বিধায়ক।জাতীয় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং তাঁর ফুল বেঞ্চের সঙ্গে প্রায় ৪৫ মিনিট বৈঠক করেন তাঁরা।
Before You Go
Samik Bhattacharya: "কোনও রাজনৈতিক নেতার আশীর্বাদে...", বারুইপুরকাণ্ডে এনকাউন্টার প্রসঙ্গে শমীক ভট্টাচার্য






















