Koel Mullick: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ হলেন কোয়েল মল্লিক, আজ নিলেন সার্টিফিকেট
BJP Rajya Sabha MP: বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে সার্টিফিকেট নিলেন কোয়েল মল্লিক। আজই ছিল রাজ্যসভার সাংসদ পদে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন। আর কোনও প্রার্থী না থাকায় বিজয়ীর সার্টিফিকেট পেলেন কোয়েল।

কলকাতা: ফুল বদলে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ হলেন কোয়েল মল্লিক। শুক্রবার বিধানসভায় এসে সচিবের হাত থেকে রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে জয়ের শংসাপত্র গ্রহণ করেন তিনি। মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনেও অন্য কোনও প্রার্থী না থাকায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন কোয়েল।
আরও পড়ুন: জ্ঞানেশ কুমারের বিষয়ে বিরোধীদের সঙ্গে দেখা করার সময় দিলেন রাষ্ট্রপতি, ১০ নেতা যাবেন সাক্ষাতে
রাজনৈতিক পালাবদলের পর তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন কোয়েল মল্লিক। গত ১৬ জুলাই তিনি সাংসদ পদে ইস্তফা দেন। এবার বিজেপির প্রার্থী হিসেবে রাজ্যসভায় যাওয়ার পথ প্রশস্ত হল তাঁর। তৃণমূলের হয়ে রাজ্যসভার সাংসদ হওয়ার পর একদিনও অধিবেশনে যোগ দেননি তিনি। ফলে আড়াই মাসের মধ্যেই দল বদলে নতুন রাজনৈতিক পরিচয় পেলেন কোয়েল।
এর আগে সুখেন্দুশেখর রায়, প্রকাশচিক বরাইক ও সুস্মিতা দেবের মতো সাংসদদের ক্ষেত্রেও দলবদলের পর রাজ্যসভায় যাওয়ার নজির রয়েছে। সেই তালিকাতেই এবার যুক্ত হল কোয়েল মল্লিকের নাম। শংসাপত্র গ্রহণের পর কোয়েল বলেন, দেশের জন্য কাজ করতে চান তিনি। তবে নতুন দায়িত্বে তাঁর ভূমিকা কী হবে, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।
আরও পড়ুন: বীরভূমে বেআইনি বালি কারবারে বাধা দিতে গিয়ে বিজেপি কর্মীর মৃত্যু, উপর দিয়ে চালিয়ে দেওয়া হয় ট্রাক্টর
তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ছিলেন কোয়েল মল্লিক। আর তারপর তাঁর ইস্তফার পর তিনি যখন বিজেপির টিকিট পান, তখন তাঁকে তীব্র কটাক্ষ করে মমতা তৃণমূলের বিধায়ক কুণাল ঘোষ। রাজ্যসভা উপনির্বাচনে কোয়েল মল্লিককে তাঁরই ছেড়ে যাওয়া আসনে প্রার্থী করে ছিল বিজেপি। আর সেই আসনেই এবার বিজয়ী হলেন কোয়েল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ তাঁকে কার্যতই 'বিশ্বাসঘাতক' বলে অভিহিত করেন। পাশাপাশি, দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সিদ্ধান্তেরও সমালোচনা করেন কুণাল।
কুণাল ঘোষ সেদিন বলেন, "এই কারণেই তো প্রশ্ন ওঠে! দিদিমণি এই সমস্ত জিনিসপত্রকে নিয়েছিলেন কেন? মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের যে উদারতা, অর্থাৎ সমাজের বিশিষ্টদের রাজনীতি, জনপ্রতিনিত্বের জায়গা বিধানসভা, রাজ্যসভা বা লোকসভায় পাঠনো...সদিচ্ছা থেকেই করেছিলেন। প্রণববাবু একসময় বলতেন, 'মমতা তৃণমূলকে অন্তর্নিহিত জোট বানিয়ে দিয়েছে'। কারণ সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের এক অদ্ভুত প্রতিনিধিত্ব করেছে তৃণমূল। সক্রিয় রাজনীতিক থেকে ডাক্তার, খেলোয়াড়, গায়ক, সিনেমার শিল্পী...সকলেই আছেন, যাঁরা বিধায়ক বা সাংসদ হয়ে জনপ্রতিনিধিত্ব করতে গিয়েছেন। শুধু রাজনীতিক কেন, সকলকে আনার পক্ষে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সেই সৌজন্যকে কয়েক জন বিশ্বাসঘাতকতা করে বুঝিয়ে দিয়েছেন, আর যেন কেউ এই পথে না হাঁটেন। এই সৌজন্য সকলের জন্য নয়।"
Before You Go
Durga Puja 2026: রামায়নের ছোট ছোট চরিত্র দিয়ে সেজে উঠেছে গোটা মণ্ডপ, ৮১ তম বর্ষে আলিপুরের সর্বজনীন























