Newtown Rape Case: নিউটাউনে নাবালিকাকে ধর্ষণ-খুন, সাজা ঘোষণা বারাসাতের বিশেষ পকসো আদালতের
Kolkata News: পকসো আইন ছাড়াও ধর্ষণ ও খুনের ধারায় দোষী সাব্যস্ত করা হয় অভিযুক্ত সৌমিত্র রায়কে।

কলকাতা: নিউটাউনে নাবালিকাকে ধর্ষণ-খুনকাণ্ডে আমৃত্যু-কারাবাসের নির্দেশ দিল বারাসাতের বিশেষ পকসো আদালত। নিউ টাউনে ১৩ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় সোমবারই টোটো চালক সৌমিত্র রায়কে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। গত ৬ ফেব্রুয়ারি ১৩ বছরের কিশোরীকে নিউটাউনের জগৎপুর থেকে টোটোয় তুলে নিউটাউন লোহা ব্রিজের নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে খুন করে টোটো চালক। পকসো আইন ছাড়াও ধর্ষণ ও খুনের ধারায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে অভিযুক্ত সৌমিত্র রায়কে।
নিউটাউনে ১৩ বছরের নাবালিকাকে খুন-ধর্ষণের নৃশংস ঘটনার ৭ মাসের মাথায়, অভিযুক্ত টোটোচালক সৌমিত্র রায়কে আমৃত্যু কারাদন্ডের নির্দেশ দিল বারাসাতের বিশেষ পকসো আদালত। ৭ ফেব্রুয়ারি সকালে, নিউটাউনের লোহাপুলের কাছে পরিত্যক্ত সরকারি জমি থেকে উদ্ধার হয় নাবালিকার মৃতদেহ। দুই বোনে খুনসুটি করছিল। তাই বড় মেয়েকে বকা দিয়েছিলেন মা, এরপরই রাগ করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেছিল ক্লাস এইটের ছাত্রী। ৬ ফেব্রুয়ারি রাত ১০টা নাগাদ, বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল নাবালিকা। তারপর একটি টোটোয় উঠেছিল সে। খালপারের পরিত্যক্ত সরকারি জমি থেকে উদ্ধার করা হয় তাঁর মৃতদেহ। পুলিশ সূত্রে খবর নিউটাউন থেকে হেঁটে কেষ্টপুর আসার পর ফের নিউটাউনে বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেয় কিশোরী। জগৎপুর এলাকা থেকে ধৃত সৌমিত্র রায়ের টোটোয় ওঠে সে। পুলিশ সূত্রে খবর, সেসময় টোটোয় আরও কয়েকজন যাত্রী ছিলেন। বেশ কিছু রাস্তায় ঘোরানোর পর মৃধা মার্কেট ব্রিজ পেরিয়ে তারুলিয়া ঝিলপাড় ও নিউটাউন বাস স্ট্যান্ড হয়ে সিটি স্কোয়ার ব্রিজের নিচ থেকে NBCC হয়ে লোহাপুলের কাছে পৌঁছয়। তারপরই ভয়ঙ্কর ঘটনা। টোটোর স্প্রিং দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে নাবালিকাকে খুন করে যৌন অত্য়াচার চালায় টোটো চালক সৌমিত্র রায়। বাড়ি ফিরে সেই হাড়হিম করা ঘটনার বিবরণও দেয় নিজের স্ত্রীকে।
ঘটনার দুদিনের মাথায় অভিযুক্ত টোটো চালককে গ্রেফতার করে পুলিশ। ১৯ দিনের মাথায় পয়লা মার্চ চার্জশিট দেওয়া হয়। ৭ মাসের মধ্যে অভিযুক্তকে সিক্স পকসো অ্যাক্টে আমৃত্যু কারাবাসের সাজা দিল বারাসাতের বিশেষ পকসো আদালত। নিহত নাবালিকার আত্মীয় বলেন, "আমরা তো চাইছিলাম যে ওর ফাঁসি হোক। সেটা তো হল না কী করব। যেটা জজ সাহেব মনে করেছেন সেটাই...সেটা মেনে নেওয়া ছাড়া তো কিছু করার নেই এখন। এর থেকে নিন্দনীয় অপরাধ হয় না। এর একমাত্র শাস্তি ফাঁসি হওয়া উচিত।''






















