South 24 Parganas News: শাসক দলের কর্মসূচিতে না যাওয়ায় টোটো চালককে 'মার', অভিযোগ তুলে ফেসবুক লাইভে 'আত্মহত্যার চেষ্টা' !
Mandir Bazar Toto Driver Beaten : শাসক দলের কর্মসূচিতে না যাওয়ায় টোটো চালককে 'মার'! মন্দিরবাজারে টোটো চালানো বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি, মারধরের অভিযোগ

দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ফের তৃণমূলের 'দাদাগিরি'! শাসক দলের কর্মসূচিতে না যাওয়ায় টোটো চালককে 'মার'! মন্দিরবাজারে টোটো চালানো বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি, মারধরের অভিযোগ। অভিযোগ তুলে ২৬ নভেম্বর ফেসবুক লাইভে আত্মহত্যার চেষ্টা টোটোচালকের।
হাসপাতালে নিয়ে গেলে প্রাণে বেঁচে যান টোটোচালক, এখনও অসুস্থ টোটোচালক। মারধর, হুমকির অভিযোগ ঘাটেশ্বর পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য টোটোর স্টার্টারের বিরুদ্ধে। সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করে দোষীদের শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। টোটোচালককে হুমকি, মারধরের অভিযোগ অস্বীকার দুই তৃণমূল নেতার।
প্রেক্ষাপট আলাদা হলেও তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্ধ প্রকাশ্যে এসেছিল। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ে কিছুদিন আগেই তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে আসে। তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি ও পঞ্চায়েতের উপপ্রধানকে মারধর এবং গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছিল দলেরই অপর গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে। পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন আক্রান্ত তৃণমূল নেতা। বছর ঘুরলেই বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে, ভাঙড়ে বারবার মাথা চাড়া দিচ্ছে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল।
তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি ও পঞ্চায়েতের উপপ্রধানকে মারধর এবং গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছিল দলেরই অপর গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে।ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ের ভোজেরহাট বাজারে। ক্যানিং পূর্ব বিধানসভার তাড়দহের অঞ্চল সভাপতি এবং তাড়দহ পঞ্চায়েতের উপ প্রধান ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার রাতে তাঁর ওপর হামলা চালিয়েছি দলেরই কর্মী রাকিবুল মোল্লা।বেধড়ক মারধর করার পাশাপাশি ভাঙচুর করা হয়েছিল বাইক। আক্রান্তের দাবি, অভিযুক্ত রাকিবুল, তৃণমূলের যুবনেতা আক্রম মোল্লার ঘনিষ্ঠ।
শুধু মারধর, ভাঙচুর নয়, টাকা ও সোনার চেন ছিনতাই করা হয়েছে বলে পোলেরহাট থানায় পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছিলেন আক্রান্ত তৃণমূল নেতা।গত মাসেই ভাঙড়ের ঘটকপুকুরে তৃণমূল পার্টি অফিসে তাণ্ডব চালানোর অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূল বিধায়ক ও ভাঙড়ের তৃণমূলের পর্যবেক্ষক সওকত মোল্লার ঘনিষ্ঠ তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে।সেই ঘটনার কয়েকদিন পরেই তৃণমূল নেতা কাইজার আহমেদের বাড়ি লক্ষ্য করে বোমাবাজির অভিযোগ উঠেছিল সওকত মোল্লার অনুগামীদের বিরুদ্ধে। যদিও সব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছিলেন সওকত মোল্লা।শুধু তাই নয়, এক সময় যাঁদের মধ্য়ে তুমুল বিরোধ ছিল, সেই আরাবুল ইসলাম ও কাইজার আহমেদ যৌথ সাংবাদিক বৈঠক করে এলাকা থেকে সওকত মোল্লাকে হটানোর ডাকও দিয়েছিলেন।যদিও বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে নারাজ ক্য়ানিং পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক। তিনি জানিয়েছিলেন, এব্য়াপারে যা বলার, দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে বলবেন।






















