Land Fraud Case : জমি দুর্নীতি কাণ্ডে সুজয় হাজরার বাড়ি থেকে কী কী উদ্ধার হয়েছে ? হতবাক সিআইডিও
Salboni Land Fraud Case : চাষ করার জন্য সরকারি জমি অ্যালট করা হয়েছিল। নকল এগ্রিমেন্ট কপি নিয়ে পরবর্তীকালে সুজয় হাজরা, অমিতেশ পয়রা উদ্বাস্তুদের থেকে কেড়ে নেওয়ার কাজ করে। জোর করে উচ্ছেদ করা হয়।

কলকাতা: প্রথমে সরকারি জমির ভুয়ো মালিকানা তৈরি। তারপর সেই জমি জবরদখল। অভিযোগ, শালবনিতে দিনের পর দিন এভাবেই জমি নিয়ে দুর্নীতি হয়েছে। আর এই গোটা অপারেশনের নেপথ্যে সুজয় হাজরা এবং সুমিত রায়ের 'নেক্সাস' কাজ করেছে বলে অভিযোগ। সরকারি জমিরই ভুয়ো মালিকানা তৈরি করে জবরদখল করা হত নিমেষে। এভাবেই দিনের পর দিন চলেছে সুজয় হাজরা-সুমিত রায়ের 'নেক্সাস'। শালবনি জমি দুর্নীতি মামলায়, মেদিনীপুর আদালতে পেশ করা চার্জশিটে এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করেছে CID. ধৃত সুজয় হাজরার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে একাধিক রাবার স্ট্যাম্প। যা আসলে ভুয়ো বলে দাবি করছেন তদন্তকারীরা।
পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনিতে কয়েকশো একর সরকারি জমির চরিত্র বদলে, জাল নথি বানিয়ে তা বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তদন্তে নেমে প্রথমে মেদিনীপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরা ও ১০ সেপ্টেম্বর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়কে গ্রেফতার করা হয়।
আরও পড়ুন - শালবনি জমি জালিয়াতির মামলায় নয়া মোড়, গ্রেফতার আরও ২, কারা তাঁরা ?
২ সেপ্টেম্বর, এই মামলায় মেদিনীপুর আদালতে চার্জশিট জমা দেয় CID. সেখানে CID-র তরফে দাবি করা হয়, জমির চুক্রিপত্রে যাদের নাম রয়েছে, তাদের ঠিকানায় গিয়ে দেখা গেছে, সেখানে এই নামে কোনও ব্যক্তিরই অস্তিত্ব নেই। চার্জশিটে CID আরও দাবি করেছে, প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে প্রচুর স্ট্যাম্প পেপার উদ্ধার করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে ভূমি রাজস্ব ও ভূমি সংস্কার দফতরের অফিসারের রাবার স্ট্যাম্পও। পরবর্তীকালে সেগুলি পরীক্ষা করে দেখা গেছে, গোটাটাই জাল। এছাড়া প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরার বাড়ি থেকে প্রচুর পাসবুক, চেকবুকও উদ্ধার করা হয়।
উল্লেখ্য, শালবনি জমি-দুর্নীতি মামলার কিনারা করতে সুমিত রায়ের পর এবার CID-র 'হাতিয়ার' অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ২ প্রাক্তন পার্সোনাল সিকিওরিটি অফিসার বা PSO-র বয়ান। কারণ, শালবনি জমি দুর্নীতি মামলায়, মেদিনীপুর আদালতে যে চার্জশিট পেশ করা হয়েছে, সেখানে সাক্ষীর তালিকায় রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ২জন প্রাক্তন পার্সোনাল সিকিউরিটি অফিসার বা PSO-সহ মোট ২০ জন। তালিকায় রয়েছেন স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান থেকে শুরু করে তৃণমূল নেতারাও। এমনকী সাক্ষ্য নেওয়া হয়েছে প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরার গাড়ির চালকেরও।
আরও পড়ুন - কীভাবে জমি দুর্নীতি চলত ? কীভাবে কাজ করত সুজয় হাজরা-সুমিত রায়ের চক্র ? উল্লেখ CID-র চার্জশিটে
Before You Go
Behala News : বেহালার সরশুনায় চরম অমানবিকতা! প্রেমিকের পরিবারকে বেধড়ক মারধর ও হেনস্থা, গ্রেফতার ৩























