কলকাতা: গত বছর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় যুগ্মভাবে প্রথম হয়েছিলেন বীরভূম জেলা স্কুলের ছাত্র শোভন মণ্ডল। এবারের পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশে তাঁর পরামর্শ, ‘টেক্সট বইটা ভাল করে পড়তে হবে। টেক্সট বই খুঁটিয়ে পড়া জরুরি। এছাড়া লেখার অভ্যাসও থাকতে হবে। পড়ার সঙ্গে সঙ্গে লিখে ফেলতে হবে। তাহলে পরীক্ষার সময় লেখার অভ্যাস যেমন তৈরি হয়ে যাবে, তেমনই পাঠ্য বিষয়টা মনেও থাকবে।’

মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিকের মতো বড় পরীক্ষায় যাঁরা প্রথম, দ্বিতীয় বা তৃতীয় স্থানে থাকেন, তাঁদের নম্বরের ফারাক সাধারণ খুব অল্পই হয়। সেক্ষেত্রে প্রথম হওয়ার জন্য ঠিক কী করতে হয়? কী ধরনের প্রস্তুতি পার্থক্য গড়ে দেয়? নিজের প্রস্তুতির বিষয়ে শোভন বলছেন, ‘আমি উচ্চমাধ্যমিকের টেস্টের পর থেকে পরীক্ষার আগে পর্যন্ত রোজ ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা করে পড়তাম। ঘড়ি ধরে মক টেস্টের মতো লিখতাম। আমার পাঁচজন প্রাইভেট টিউটর ছিলেন। বাংলা ছাড়া সব বিষয়েই তাঁদের পরামর্শ নিতাম। লেখা ছাড়াও টেক্সট বই খুঁটিয়ে পড়েছি।’

মাধ্যমিকে অষ্টম স্থানে ছিলেন শোভন। সেখান থেকে উচ্চমাধ্যমিকে একেবারে প্রথম। এই কৃতী ছাত্র বাংলা, অঙ্ক ও রসায়নে একশোয় একশো পান। ইংরাজি ও জীবন বিজ্ঞানে তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ছিল ৯৯। ভৌতবিজ্ঞানে তিনি পান ৯৫। তিনি মোট ৯৯.৬ শতাংশ নম্বর পান।

Education Loan Information:

Calculate Education Loan EMI