Bhownipore CPM Candidate : 'মূল সমেত উপড়ে ফেলতে ভবানীপুর দিয়েই শুরু করতে হবে', কোনও 'খামতি' রাখতে চান না সিপিএম প্রার্থী
CPM News : হাই-ভোল্টেজ এই কেন্দ্রে এবার সিপিএম প্রার্থী করেছে শ্রীজীব বিশ্বাসকে। লড়াইটা কতটা কঠিন ? কী মনে করছেন সিপিএম প্রার্থী ?

সৌমিত্র কুমার রায়, কলকাতা : নন্দীগ্রামের পর, এবার ভবানীপুরে মুখোমুখি হচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-শুভেন্দু অধিকারী। এককথায়, হাই-ভোল্টেজ লড়াই। কেউ কাউকে এক ইঞ্চি জমি ছাড়বে না। ইতিমধ্যেই, ভবানীপুর কেন্দ্র নিয়ে গতকাল সুব্রত বক্সির অফিসে বিশেষ বৈঠক হয়েছে তৃণমূলের। অন্যদিকে, গতকালই প্রচারে নেমে ভবানীপুর থেকে অন্তত ২৫ হাজার ভোটে জেতার হুঙ্কার ছেড়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। হাই-ভোল্টেজ এই কেন্দ্রে এবার সিপিএম প্রার্থী করেছে শ্রীজীব বিশ্বাসকে। লড়াইটা কতটা কঠিন ? কী মনে করছেন সিপিএম প্রার্থী ?
এবিপি আনন্দ : এই ভবানীপুর কেন্দ্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রয়েছেন, উল্টোদিকে রয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। কতটা কঠিন লড়াই ? চ্যালেঞ্জটা আপনি কীভাবে গ্রহণ করছেন ?
শ্রীজীব বিশ্বাস : সারা রাজ্যের যা লড়াই, তা ভবানীপুরেরও লড়াই। ভবানীপুরের মানুষের দায়িত্ব বেশি। কারণ, মূল সমেত যদি উপড়ে ফেলতে হয়, তাহলে ভবানীপুর দিয়েই শুরু করতে হবে। আগেরবার ভবানীপুরে উপনির্বাচনে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী হতে হয়েছে। কোভিডের মধ্যে নির্বাচন হয়েছে। এবারে মানুষের বাড়তি দায়িত্ব এই তৃণমূল-বিজেপি সেটিং সারা রাজ্যে কর্মহীনতা, বেকারদের সমস্যা, ডিএ না দেওয়া, অভয়ার বিচার না পাওয়া...কার্যত ভবানীপুরের দায়িত্ব অত্যন্ত বেশি। এই লডাইয়ের সাহস সেই দায়িত্ব-বোধের প্রতি ভরসা। আমাদের চাপ সবসময় বেশি। কোনও নির্বাচনে কোনও প্রচারে আমরা কোনওদিন খামতি দিই না। এবারও দেব না।
গতকাল শুভেন্দু অধিকারীর প্রচারের প্রথম দিনেই তৃণমূল-বিজেপি স্লোগানযুদ্ধে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ভবানীপুর। একদিকে ঢাক-ঢোল নিয়ে প্রচার চলে শুভেন্দু অধিকারীর, পাল্টা চোর-স্লোগানে আক্রমণ শানায় তৃণমূল। অন্যদিকে, ভবানীপুরে সুব্রত বক্সির পার্টি অফিসে বৈঠকে বসে তৃণমূল নেতৃত্বও।
২০২১-এর পর ২০২৬। নন্দীগ্রামের পর, এবার ভবানীপুরে মুখোমুখি হচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-শুভেন্দু অধিকারী। আর তাঁর প্রচারের প্রথম দিনেই তৃণমূল-বিজেপি স্লোগানযুদ্ধে উত্তপ্ত হয়ে উঠল ভবানীপুর। ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, "মিনিমাম ২৫ হাজার ভোটে আমি জিতব, মিনিমাম।" পাল্টা তৃণমূল নেতা ফিরহাদ হাকিম বলেন, "পাগলে কী না বলে, ছাগলে কী না খায়। তাই মানুষের কি ছাগল হওয়া শোভা পায়?"
তৃণমূলের 'জয় বাংলা' বনাম... বিজেপির 'জয় শ্রীরাম', তৃণমূলের চোর স্লোগান... পাল্টা বিজেপির ঢাক-ঢোল। শুভেন্দু বলেন, "ওঁকে মেটিয়াবুরুজ পালাতে হবে, খালাকে। গুন্ডা জমা করেছিল ১০টা। পালিয়ে গেছে। ওঁর ক্ষমতা কত, আমি দেখাব। এখানকার লোক মুক্তি চায়। আমাকে এখনই বাজার, হকার, দোকানদার সব বলছে, দাদা ওঁর এবং ওঁর পরিবারের অত্যাচারে আমরা অতিষ্ঠ, আমাদের বাঁচান। সেই জন্য মোদিজি আমাকে পাঠিয়েছে।"




















