Election News Update: রাস্তা আটকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ! খানাকুলে তৃণমূল-বিজেপির সংঘর্ষে উত্তপ্ত এলাকা
Election News: তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তেজনা ছড়াল খানাকুলে। ঘটনায় দু'পক্ষের ৫ জন জখম হয়েছে

- খানাকুলে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তেজনা, পাঁচজন আহত।
- দুই তৃণমূল কর্মী মারধরের শিকার, হাসপাতাল ভর্তি।
- বিজেপি প্রার্থী বিক্ষোভ দেখান, তৃণমূলের অভিযোগের তীর।
- অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাষণকে দায়ী করল বিজেপি।
বাপন সাঁতরা, খানাকুল: নির্বাচন যতই এগিয়ে আসছে, ততই চড়ছে রাজনীতির পারদ। একদিকে যেমন জোরকদমে চলছে প্রচার, তেমনই বিভিন্ন জায়গা থেকে সামনে আসছে হিংসার খবরও! আর এবার, তৃণমূল আর বিজেপির সংঘর্ষের খবর এল, খানাকুল থেকে। তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তেজনা ছড়াল খানাকুলে। ঘটনায় দু'পক্ষের ৫ জন জখম হয়েছে। খানাকুলের চিংড়া এলাকায় বুধবার রাতে এই ঘটনা ঘটে। যদিও এই ঘটনা, উভয়পক্ষই একে-অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলছে।
তৃণমূল-বিজেপির সংঘর্ষ
এই ঘটনা ঘটার পরেই বিজেপি প্রার্থী সুশান্ত ঘোষের নেতৃত্বে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা খানাকুল থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখায়। অন্যদিকে, দোষীদের গ্রেফতার না করলে, তৃণমূল ও রাস্তায় নামার হুমকি দিয়েছে। বিজেপি যেমন অভিযোগ আঙুল তুলেছেন তৃণমূলের দিকে, তেমনই তৃণমূল ও এই ঘটনার জন্য অভিযোগের আঙ্গুল তুলেছে তৃণমূলের দিকেই। তৃণমূলের অভিযোগ, কুমারচক এলাকার বাসিন্দা, যাঁরা কি না আবার তৃণমূল কর্মীও, সেই দুই তৃণমূল কর্মী রাতে পার্টির কাজ সেরে বাড়ি ফিরছিলেন। রাস্তায় বিজেপি কর্মীরা তাঁদের পথ আটকে বেধড়ক মারধর করে। লাঠি বাঁশ নিয়ে চড়াও হয়।তাঁদের উদ্ধার করে প্রথমে খানাকুল গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। খবর পেয়ে খানাকুলের তৃণমূল প্রার্থী পলাশ রায় হাসপাতালে যান। সেখান থেকে জখম দুই কর্মীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের আরামবাগ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠান।
অভিযোগের তীর একে অপরের দিকে
তৃণমূল প্রার্থীর অভিযোগ, খানাকুলের বিজেপি প্রার্থী সুশান্ত ঘোষ এই গুণ্ডামির নেতৃত্ব দিয়েছেন। প্রশাসন দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা না নিলে প্রতিবাদে রাস্তায় নামা হবে, এমনই অভিযোগ তৃণমূলের। যদিও পাল্টা বিজেপির অভিযোগ, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসভা থেকে উস্কানিমূলক বক্তব্যের জেড়ে বিজেপির কর্মীদের উপর এই হামলা চালায় তৃণমূল। বিজেপির তিনজন কর্মী রাতে বাড়ি ফিরছিল। তখন তৃণমূলের দুষ্কৃতীরাই এই মারধরের ঘটনা ঘটিয়েছে। জখম কর্মীদের খানাকুল গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর রাতেই হাসপাতালে আসেন বিজেপি প্রার্থী। সেখান থেকে কর্মীদের নিয়ে থানার সামনে গিয়ে বিক্ষোভ দেখান।
নির্বাচনের আগে বিদ্যুৎহীন বুথ!
ঙ্গ ভোট প্রায় দোরগোড়ায়। আর এর মাঝে কলকাতার শতাধিক বুথ বিদ্যুৎহীন। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়ে যায় রাজ্যে। ভোটের আগে এমন তথ্য জানতে পেরে অবাক হন নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকেরাও। নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের (DEO) বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে। বিদ্যুৎহীন কলকাতার প্রায় ১০০-রও বেশি বুথ। শুধুমাত্র কলকাতা বন্দর এলাকাতেই ৫০টিরও বেশি বুথে বিদ্যুৎ নেই। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। পূর্বের নির্দেশ অনুযায়ী, প্রতিটি বুথে ভোট চলাকালীন অত্যাধুনিক ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে। কিন্তু বিদ্যুৎ সংযোগ ছাড়া এই পরিষেবা সম্ভব নয়। তাই, অবিলম্বে এই সমস্যা সমাধান করতে ও বিদ্যুতের ব্যবস্থা করতে বলেছে কমিশন।




















