Mamata Banerjee: 'সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট', 'মধ্যরাতে বিজেপির তাণ্ডব', জনসভা থেকে 'NRC' ও 'ডিটেনশন ক্যাম্প' নিয়েও হুঁশিয়ারি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের
West Bengal Assembly Election 2026: সভামঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "কালকে সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট বেরিয়েছে শুনলাম। পরশুদিন মধ্য রাতে। মধ্য রাতে যত বিজেপির তাণ্ডব।"

উত্তরবঙ্গের নির্বাচনী প্রচারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ময়নগুড়ির প্রথম জনসভা থেকে বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকে একযোগে আক্রমণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। মধ্যরাতে বিজেপি তাণ্ডব চালাচ্ছে, কটাক্ষয়ের সুরে বলেন তিনি। এ ছাড়াও "মধ্য রাতে সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ" নিয়েও বিঁধতে ছাড়েননি নির্বাচন কমিশনকে। এমনকি সংবিধান ও গণতন্ত্র না মানার অভিযোগও করেন তিনি।
সভামঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "কালকে সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট বেরিয়েছে শুনলাম। পরশুদিন মধ্য রাতে। মধ্য রাতে যত বিজেপির তাণ্ডব।" এরপর তিনি বলেন, মধ্যরাতে স্বাধীনতার কথা। একই সঙ্গে সংবিধান ও স্বাধীনতার প্রসঙ্গেও তিনি কটাক্ষ করেন বিজেপিকে। "একদিকে আমরা গর্ব করি, মধ্যরাতে স্বাধীনতা এসেছিল। আর আজ, ভুলে যান স্বাধীনতার কথা। সংবিধান মানছে না, গণতন্ত্র মানছে না।"
এরপরই তৃণমূল সুপ্রিমোর মুখে শোনা যায়, মানুষের ভোটাধিকারের কথা। তিনি বলেন, "মানুষের অধিকার মানছে না। মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নিচ্ছে। নিয়ে কাল বলবে এনআরসি করে ডিটেনশন ক্যাম্প করা হবে। আমি বেঁচে থাকতে এনআরসি করে ডিটেনশন ক্যাম্প করতে দেব না। আমার পরে আমার জেনারেশন কোনও দিন এই সব অ্যালাও করবে না।"
উল্লেখ্য, গত সোমবার, অর্থাৎ ২৩ মার্চ মধ্যরাতের ঠিক কয়েক মুহূর্ত আগেই প্রকাশিত হয়েছে প্রথম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা। আর সেই বিষয়কেই নিশানা করে একযোগে বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকে তীব্র আক্রমণ শানালেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
এদিনের সব থেকে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়েও কথা বলেন তিনি। তিনি মনে করিয়ে দেন, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার এখন মেয়ের সারাজীবন পাবেন। "শুধু আজ নয়। চলবে চলবে। যতদিন বাঁচবেন, পাবেন। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ৬০ বছরের পরও চলবে।" সভা মঞ্চ থেকে ফের ঘোষণা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির ঘোষণা করা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার নিয়েও কটাক্ষ করেন তৃণমূল সুপ্রিমো। তিনি বলেন, "এরা বলে নাকি অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার। বিহারের মহিলারা ভবেছিলেন আরিব্বাস, ৮ হাজার টাকা করে পাচ্ছি। বিহারে নির্বাচনের আগে ৮ হাজার, তারপরই বুলডোজার।"
তবে শুধু লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নয়, স্বাস্থ্য সাথী নিয়েও ময়নগুড়ির সভা মঞ্চ থেকে ঘোষণা করেন তিনি। রাজ্যের প্রায় ৯ কোটি মানুষকে এই স্বাস্থ্য সাথীর মাধ্যমে পরিষেবা দেয় সরকার, বলেন তিনি। "সবাই পাবে", এদিন ঘোষণও করেন তিনি। তিনি এটাও স্পষ্ট করে দেন, পশ্চিমবঙ্গের যে কোনও বাসিন্দার জন্যই কিন্তু রয়েছে স্বাস্থ্য সাথী।




















