Dipsita Dhar : বালির দীপ্সিতা উত্তর দমদমে কেন ? উত্তরে যা বললেন বামপ্রার্থী...
North Dumdum Candidate Dipsita Dhar : জয়ের ব্যাপারে কতটা আত্মবিশ্বাসী তিনি ? আসন কি ছিনিয়ে নিতে পারবেন ?

উজ্জ্বল মুখোপাধ্যায়, কলকাতা : উত্তর দমদম থেকে এবার বামপ্রার্থী দীপ্সিতা ধর। সাংবাদিক বৈঠকে বিমান বসু প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পরপরই প্রচারে নেমে পড়েন সিপিএমের নতুন প্রজন্মের অন্যতম মুখ দীপ্সিতা। জয়ের ব্যাপারে কতটা আত্মবিশ্বাসী তিনি ? আসন কি ছিনিয়ে নিতে পারবেন ? এবিপি আনন্দর প্রতিনিধি উজ্জ্বল মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথোপকথনে একাধিক প্রশ্নের উত্তর দিলেন দীপ্সিতা।
এবিপি আনন্দ : কেন উত্তর দমদমের মানুষ আপনাকে ভোটে নির্বাচিত করবে ?
দীপ্সিতা ধর : উত্তর দমদমের মানুষ এর আগে যাদের ভোটে নির্বাচিত করেছেন, তাঁরা যে বেসিক নাগরিক পরিষেবা সেটা দিতে পারেননি। আমরা কথা বলছিলাম, বিগত ৬-৭ দিন ধরে এখানে জল পাওয়া যায় না। রাস্তাঘাট-মশার যা অবস্থা, নর্দমার যা অবস্থা, চিকিৎসা কেন্দ্রগুলির যা অবস্থা...তাহলে আমি যদি এমন মানুষকে ভোট দিই যিনি আমার ভোটে জেতার পরে আমার কথাই ভুলে যান, তাঁকে আমি আর একবার ভোট দেব কেন ? আমি বিশ্বাস করি এবারে এই অঞ্চলের মানুষ পরিবর্তন চান। তাঁরা এমন মানুষদের ভোট দিতে চান যারা তাঁদের হয়ে কাজ করবেন।
এবিপি আনন্দ : কিন্তু প্রথম প্রশ্ন আপনাকে মানুষ যেটা করবেন সেটা হচ্ছে, বালির দীপ্সিতা উত্তর দমদমে কেন ?
দীপ্সিতা ধর : কারণ আমরা তো বড়দের দেখেই শিখি। আমরা দেখলাম, ভবানীপুরের মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় নন্দীগ্রামে গেলেন। আবার নন্দীগ্রামের শুভেন্দু অধিকারী ভবানীপুরে গেলেন। তাহলে বড়রা যদি একটু রাজ্য ঘুরতে পারেন, নিজের মন বড় করতে পারেন, তাহলে আমরা ছোটরাও ওঁদের পথে...
এবিপি আনন্দ : মানে বালি থেকে আপনি এখানে এসেছেন মন বড় করার জন্য ?
দীপ্সিতা ধর : মন বড় করার জন্য, ময়দান বড় করার জন্য। যে ছেলে-মেয়েরা আমার পরিবারের চাকরি পাচ্ছেন না, যাদের স্বপ্নগুলো কেড়ে নেওয়া হয়েছে, তাঁরা যাতে ময়দানে আসতে পারেন, খেলতে পারেন, জিততে পারেন তাঁদের জন্য।
এবিপি আনন্দ : কিন্তু, উত্তর দমদমের ইতিহাস যেটা বলছে, একটা সময় এটা বামেদের ঘাঁটি ছিল। আমরা দেখেছি ২০১৬-তে এখানে জয়যুক্ত হয়েছিল সিপিএম। ২০১১-তে হেরে গিয়েছিল। কিন্তু, বারবার এখানে পালাবাদল হয়েছে। পরবর্তীকালে এটা তৃণমূলের শক্তিশালী ঘাঁটি, এই মুহূর্তে। সেখানে দাঁড়িয়ে আপনি কেন মনে করছেন এখানে পালাবদল সম্ভব ?
দীপ্সিতা ধর : শক্তিশালী ঘাঁটি ঠিক বলা যায় না। কারণ, আমি যতদূর জানি এখানে যখন শেষবার পৌরসভা নির্বাচন হয়েছিল, যদি তৃণমূল এতটাই আত্মবিশ্বাসী হত, তাহলে আমাদের কমরেডদের মারধর করতে হত না। তারা যদি এতটাই আত্মবিশ্বাসী হত, তাহলে ভোটের সময় ছাপ্পা ভোটে দিতে হত না। এই অঞ্চলের মানুষ যদি নিজের ভোট নিজে দিতে পারেন, আমি বিশ্বাস করি, যে লালদুর্গের কথা আমরা বলি, বামেদের যে ঘাঁটির কথা আমরা বলি, উত্তর দমদম সেই কথাই বলবে, সেই উত্তরই দেবে।





















