West Bengal Assembly Election 2026: গুড়-বাতাসা খেয়ে 'ভোট পাহারা' ! পাচন তৈরি ৪ তারিখের জন্য
West Bengal Election 2026: গুড় বাতাসা খেয়ে স্ট্রংরুমে র বাইরে পাহারা তৃণমূলের কর্মী সমর্থকদের, চার তারিখের পর পাচন দেওয়ার নিদানও দিলেন তাঁরা।

দুর্গাপুর : ভোট শেষের পর এবার দুর্গাপুরে স্ট্রংরুমের বাইরে পাহারা তৃণমূল কংগ্রেসের। গুড় বাতাসা খেয়ে পাহারা তৃণমূলের, ৪ মে পাচনের দাওয়াই। দুর্গাপুরে সরকারি মহাবিদ্যালয় থেকে ২০০ মিটার দূরে পাহারা তৃণমূলের। গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে অনুব্রতর গুড়-বাতাসা খাচ্ছি ও খাওয়াচ্ছি, ৪ তারিখের পর পাচন, হুঙ্কার তৃণমূলের।
গুড় বাতাসা খেয়ে স্ট্রংরুমে র বাইরে পাহারা তৃণমূলের কর্মী সমর্থকদের, চার তারিখের পর পাচন দেওয়ার নিদানও দিলেন তাঁরা। গুড় বাতাসা খেয়ে স্ট্রংরুমে পাহারা দিচ্ছে তৃণমূল। পাচন তৈরি আছে, ৪ তারিখের পর পাচন দেওয়া হবে, এমনই বার্তা দিল তৃণমূল নেতৃত্ব। দুর্গাপুরের সরকারি মহাবিদ্যালয় থেকে মাত্র ২০০ মিটার দূরে তৈরি হয়েছে তৃণমূলের পাহারা কেন্দ্র। সেখানে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা সারাদিন রাত কার্যত পাহারায় বসে রয়েছেন পালা করে। তাঁদের দাবি, প্রচণ্ড গরম, তাই গুড় বাতাসা খাচ্ছি, খাওয়াচ্ছি। পাচনও তৈরি রয়েছে তবে সেটা ৪ তারিখের পর। দুর্গাপুরে ভোট-পরবর্তী রাজনৈতিক আবহে এই দৃশ্য এখন বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। গরমে ক্লান্তি ভুলে কর্মী-সমর্থকদের হাতে গুড়-বাতাসা। আর মুখে আত্মবিশ্বাসের সুর।
ফল ঘোষণার আগেই শাসকদলের শিবিরে জয়ের প্রত্যাশা। পাহারা কেন্দ্র ঘিরে দিনরাত কর্মীদের উপস্থিতি স্পষ্ট করে দিচ্ছে, ভোটের ফলাফল নিয়ে কোনওরকম ঢিলেমি দিতে নারাজ ঘাসফুল শিবির। শুধু নজরদারি নয়, বিরোধীদের উদ্দেশেও যেন কড়া বার্তা ছুড়ে দিচ্ছে তৃণমূল নেতৃত্ব। ২নং ব্লকের যুব সভাপতি অজয় দেবনাথ বলেন, 'গরমে শরীর ঠান্ডা রাখার জন্য অনুব্রত মণ্ডলের গুড় বাতাসা খাচ্ছি আর কর্মী সমর্থকদের খাওয়াচ্ছি। ৪ তারিখের পর পাচন দেব।' দুর্গাপুর সরকারি মহাবিদ্যালয়ে দুর্গাপুর পূর্ব, দুর্গাপুর পশ্চিম ও পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার গণনা হবে। এই তিন কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থীরাও সারাদিনে মাঝেমধ্যে একবার অন্তত আসছেন দলের পাহারা দেওয়া হয় তাঁবুতে।
প্রথম দফার পর দ্বিতীয় দফা। নজিরবিহীন এক বিধানসভা ভোটের সাক্ষী থাকল পশ্চিমবঙ্গ। কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নিরাপত্ত। সঙ্গে কঠোর ভূমিকায় পুলিশ। কোনও ঝামেলা-ঝঞ্ঝাট নেই। সন্ত্রাসের সেই ভয়ঙ্কর ছবি নেই। তাই, তুমুল উৎসাহ দেখা গেল ভোটারদের মধ্যে। লম্বা লাইন পড়ল ভোটকেন্দ্রগুলির বাইরে। আর EVM-এ পড়ল রেকর্ড ভোট। প্রথম দফায় ৯৩ দশমিক ১৯ শতাংশ এবং দ্বিতীয় দফায় ভোট পড়েছে ৯২ দশমিক ৫৬ শতাংশ। দুই দফার গড় ভোটের হার ৯২ দশমিক ৮৭ শতাংশ। সেই ভোট এখন EVM বন্দি। সুরক্ষিত রয়েছে স্ট্রংরুমে। কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে। এখানেই গণনা হবে সোমবার। সোমবার সকালে স্ট্রংরুম থেকে EVM বের করা হবে, ভোটের গণনা শুরু হবে।




















