Siliguri Money Recovery: ভোটের মধ্যেই গাড়ি থেকে উদ্ধার কাড়ি কাড়ি টাকা! কোথায় যাচ্ছিল অর্থ? জানা গেল...
জানা গিয়েছে, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে চলা নিয়মিত নাকা চেকিংয়ের সময় সন্দেহজনক একটি গাড়িকে থামানো হয়।

শিলিগুড়ি: ভোটের মুখে শিলিগুড়িতে (Siliguri) বড়সড় নগদ টাকা উদ্ধার, গাড়ি থেকে মিলল ১০ লক্ষ টাকা। নির্বাচনের মুখে কড়া নজরদারির মধ্যেই শিলিগুড়িতে বড়সড় নগদ টাকা (Money Found) উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য। শহরের ব্যস্ততম সেবক রোড (Sevak Road) এলাকায় নাকা তল্লাশির (Naka Checking) সময় একটি চার চাকা গাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয় নগদ ১০ লক্ষ টাকা।
জানা গিয়েছে,নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) নির্দেশে চলা নিয়মিত নাকা চেকিংয়ের সময় সন্দেহজনক একটি গাড়িকে থামানো হয়। এরপর গাড়ির ভিতরে তল্লাশি চালিয়ে একটি নীল রঙের ব্যাগ থেকে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ উদ্ধার হয়। ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় ভক্তিনগর থানার পুলিশ ও নির্বাচন আধিকারিকেরা।
গাড়িতে থাকা ব্যক্তিদের কাছে টাকার উৎস সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তারা কোনও বৈধ নথি দেখাতে পারেননি ও সন্তোষজনক উত্তরও দিতে ব্যর্থ হন।
এরপর নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনে উদ্ধার হওয়া সম্পূর্ণ অর্থ বাজেয়াপ্ত করা হয়। নির্বাচনের মুখে এত বড় অঙ্কের নগদ অর্থ কোথা থেকে ও কী উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ ও নির্বাচন কমিশন। উল্লেখ্য, ভোটের সময় অবৈধ অর্থ লেনদেন রুখতে নির্বাচন কমিশনের তরফে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় নাকা তল্লাশি জোরদার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে খবর, গাড়িতে থাকা ব্যক্তিদের কাছে টাকার উৎস সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে, তাঁরা কোনও বৈধ নথি দেখাতে পারেননি। সন্তোষজনক উত্তরও দিতে পারেননি।
আর কোথায় কোথায় টাকা উদ্ধার?
অন্যদিকে, রাতের কলকাতায় SST নাকা চেকিং চলাকালীন উদ্ধার হল প্রায় ৩৮ লক্ষ টাকা। পুলিশ সূত্রে দাবি, টালিগঞ্জ বিধানসভার অন্তর্গত নেতাজিনগরে নাকা চেকিংয়ের সময়ে একটি গাড়ি আটকে তল্লাশি চালানো হয়। তাতেই আলিপুরের বাসিন্দার কাছে থেকে উদ্ধার হয় প্রায় ৩৮ লক্ষ টাকা। কোনও সদুত্তর দিতে না পারায় সেই টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।
শীতলকুচিতে নাকা চেকিংয়ের সময় উদ্ধার বিপুল পরিমাণ নগদ। কোচবিহারের সিতাই-শীতলকুচি সীমান্তে নাকা চেকিং করছিল শীতলকুচি থানার পুলিশ, সেই সময়ে একটি গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১৭ লক্ষ টাকা নগদ করা হয়। পুলিশ সূত্রে দাবি, যথার্থ কারণ না দেখাতে পারায় বাজেয়াপ্ত করা হয় টাকা।




















