Hooghly Accident: ট্রাকের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা, হুগলিতে দুর্ঘটনার কবলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গাড়ি ! জখম ৬
Hooghly Central Force Car Accident: ভোররাতে পথ দুর্ঘটনার কবলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গাড়ি

কলকাতা: ভোররাতে পথ দুর্ঘটনার কবলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গাড়ি। জখম কেন্দ্রীয় বাহিনীর এক অ্যাসিস্ট্যান্ট কমান্ড্যান্ট এক চিকিৎসক সহ ছয় জন। দুর্ঘটনাটি ঘটেছে ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের হুগলির গুরাপে।
আরও পড়ুন, ভোট প্রস্তুতি দেখতে ৩ দিনের সফরে আজই রাজ্যে আসছেন জ্ঞানেশ ভারতী
ভোররাতে পথ দুর্ঘটনার কবলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গাড়ি, ঠিক কী হয়েছিল ?
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,কেন্দ্রীয় বাহিনীর চারচাকা গাড়িটি বর্ধমানের দিকে যাবার সময় একটি চলন্ত ট্রাকে ধাক্কা মারে এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর গাড়ির পিছনে থাকা একটি চারচাকা গাড়ি কেন্দ্রীয় বাহিনীর গাড়িটিকে ধাক্কা মারলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গাড়িতে থাকা এক অ্যাসিস্ট্যান্ট কমাণ্ডার,এক চিকিৎসক,এক কনস্টেবল সহ গাড়ির চালক জখম হন।পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর গাড়ির পিছনে ধাক্কা মারা গাড়ির চালক ও এক আরোহীও জখম হন।গুরাপ থানার পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে বর্ধমানের ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে বামচাঁদাইপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে। বর্তমানে সেখানেই তাঁদের চিকিৎসা চলছে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, আহতদের অবস্থা স্থিতিশীল। এর মধ্যে চার জনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
রাজ্যে ভোট ঘোষণার আগেই পশ্চিমবঙ্গে এসেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।
প্রসঙ্গত, নজিরবিহীনভাবে এবার রাজ্যে ভোট ঘোষণার আগেই পশ্চিমবঙ্গে এসেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ভোট গণনার পরও রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। কমিশন সূত্রে খবর, ভোট পরবর্তী অশান্তি রুখতে ৫০০ কোম্পানি সশস্ত্র কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। গণনার আগে ইভিএম, স্ট্রংরুম ও কাউন্টিং সেন্টারের নিরাপত্তায় আরও ২০০ কোম্পানি বাহিনী রাজ্যে রাখা হবে। এই বাহিনী গণনা সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে। ২০২১ সালে বিধানসভা ভোটের পর বেলাগাম হিংসার সাক্ষী ছিল পশ্চিমবঙ্গ। ভোট পরবর্তী হিংসায় খুন, ধর্ষণের মতো অপরাধে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। ৫ বছর পর, এবার বিধানসভা ভোটের পরও রাজ্য়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
বেপরোয়া গতি
গত কয়েক মাসে একাধিক দুর্ঘটনার কথা সামনে এসেছে। কখনও মুখোমুখি সংঘর্ষ, কখনও বেপরোয়া গতির বলি হয়েছে বহু মানুষ। পুলিশের সচেতনাতা বার্তা সত্বেও কারও এখনও হুঁশ ফেরেনি। বরং দুর্ঘটনার মাশুল দিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষদের।তবে কীভাবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ওই গাড়িটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ল ? দায়ী কে? তা এখনও প্রকাশ্যে আসেনি।




















