কলকাতা: রাজ্যবাসী ২০১১ সালে পালাবদল দেখেছিল। ১৫ বছর ধরে বাংলার মসনদে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। ২০২৬ সালে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে কি ফের এক পালাবদলের অপেক্ষা? গেরুয়া ঝড় উঠবে বাংলায়? নাকি মানুষের মন জিতে মসনদ নিজেদের দখলে রাখবে তৃণমূল কংগ্রেস?

Continues below advertisement

বুধবার রাজ্যের দ্বিতীয় তথা চূড়ান্ত দফার নির্বাচনের পরই বুথফেরত সমীক্ষা চালিয়েছে বিভিন্ন সংস্থা। তাদের মধ্যেই অন্যতম জেভিসি। JVC-র exit poll-এ চমকে ওঠার মতো অঙ্ক! কারণ, হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: চমকে দেওয়ার মতো এই সমীক্ষার ফল! সবার থেকে আলাদা! কী বলছে 'পিপলস পালস-এর Exit Poll'?

Continues below advertisement

পশ্চিমবঙ্গের মোট আসন ২৯৪টি। ম্যাজিক ফিগার ১৪৮। যার অর্থ, পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় থাকতে হলে যে কোনও রাজনৈতিক দলকে ১৪৮টি আসন পেতেই হবে। কারা পাবে সেই ম্যাজিক ফিগার? কী পূর্বাভাস JVC-র exit poll-এ?

JVC-র exit poll-এ কোন দল কত আসন পেতে পারে, তার পূর্বাভাস করা হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের সম্ভাব্য় আসন? ১৩৮-১৫৯টি আসন পেতে পারে TMC। JVC-র exit poll অনুযায়ী, বিজেপি পেতে পারে ১৩১-১৫২টি আসন। কংগ্রেস পেতে পারে ০ থেকে ২টি আসন। অন্য়ান্য়রা পেতে পারে ০-২টি আসন। এই পূর্বাভাস মিলে গেলে, বাংলায় ইতিহাস তৈরি হবে। কারণ, এখনও পর্যন্ত এরকম হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়নি বাংলায়।

আরও পড়ুন: রাজ্যে পালাবদল? ক্ষমতায় আসছে BJP? নাকি মসনদে ফের TMC? কী ইঙ্গিত পোল ডায়েরির এগজ়িট পোল?

DISCLAIMER: রাজ্যে দু’দফায় বিধানসভা নির্বাচন হয়ে গেল। জনতা জনার্দন কী রায় দিয়েছে? পরিবর্তন নাকি প্রত্যাবর্তন, কী ভাবছেন ভোটাররা? সেই সব উত্তর আর প্রার্থীদের ভাগ্য এখন EVM বন্দি। তবে, তা নিয়ে বুথ ফেরত সমীক্ষা করেছে দেশের বিভিন্ন মিডিয়া। সেই দুহাজার পাঁচ সাল থেকে এবিপি আনন্দে প্রতিটি নির্বাচনে ওপিনিয়ন পোল বা এক্সিট পোল আপনাদের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে। তার মধ্যে কিছু মিলেছে, আবার কিছু মেলেনি। মেনে নিতে এতটুকুও দ্বিধা নেই যে, এইসব সমীক্ষার accuracy কিন্তু ক্রমশ কমছে। এর কারণ, শুধুমাত্র সমীক্ষার Sample Size ছোট হওয়া নয়, ইদানিং এর বড় কারণ চ্যাটবট বা বিভিন্ন AI সফটওয়্যারের ব্যবহার। Field-Survey যত কমবে, মোবাইল বা AI সফটওয়্যারের ব্যবহার যত বাড়বে, বাস্তবের সঙ্গে সমীক্ষার ফারাক তত বাড়বে। তবুও, প্রতিষ্ঠিত সমীক্ষক সংস্থাগুলো বাংলার ভোট নিয়ে যে-সব সমীক্ষা করবে, তাদের সবার সমীক্ষাই আমরা তুলে ধরব। কিন্তু এই সমীক্ষার সঙ্গে আমাদের জার্নালিস্টিক জাজমেন্ট বা এডিটোরিয়াল পলিসির কোনও সম্পর্ক নেই। সমীক্ষক সংস্থার দেওয়া সংখ্যাগুলো হুবহু আপনাদের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে মাত্র। আরও স্পষ্ট করে জানানো হচ্ছে, এবিপি আনন্দ নিজস্ব কোনও সমীক্ষা করেনি। রাজ্যের মসনদে কে, তা জানা যাবে একমাত্র ৪ মে-ই।