সাত পাকে বাঁধা পিহু-ঋষিরাজ, বাস্তবের প্রেমের গল্পে মজলেন শন-সৃজিলা
দুজনের অমতেই বিয়ে সারা। কী হবে পিহু আর ঋষিরাজের ভবিষ্যৎ? ধারাবাহিক 'মন ফাগুন'-এ সাত পাকে বাঁধা পড়লেন ধারাবাহিকের দুই নায়ক নায়িকা। এর পর কী হবে তাঁদের ভবিষ্যৎ?

কলকাতা: দুজনের অমতেই বিয়ে সারা। কী হবে পিহু আর ঋষিরাজের ভবিষ্যৎ? ধারাবাহিক 'মন ফাগুন'-এ সাত পাকে বাঁধা পড়লেন ধারাবাহিকের দুই নায়ক নায়িকা। এর পর কী হবে তাঁদের ভবিষ্যৎ?
টেলিভিশনের পর্দায় বিবাহ বন্ধনে বাঁধা পড়েছেন পিহু ও ঋষিরাজ। গল্পের পিহু ওরফে সৃজিলা গুহ বলছেন, 'দুজনের অমতেই বাধ্য হয়ে পর্দায় এই বিয়েটা হয়েছে। এর পর কী হবে তার উত্তর দেবে ধারাবাহিকের গল্পের মোড়।' অন্যদিকে পর্দা বিয়ে করলেও বাস্তবে কিন্তু এমন বিয়ে একেবারেই সমর্থন করেন না ঋষিরাজ ওরফে শন। বললেন, 'দুটো মানুষের মত নিয়ে তবেই বিয়ে হওয়া উচিত। গল্পে থাকলেও বাস্তবে এমন জোর করে বিবাহ বন্ধন হওয়া উচিত নয়।'
কথায় কথায় ছোটবেলার প্রেমের কথা বললেন শন। স্বীকার করলেন, স্কুলে একজনের প্রেমে পড়েছিলেন তিনি। কিন্তু বড় হয়ে গিয়ে সবই বদলে গিয়েছে। এখন সেই মেয়েটির সঙ্গে যোগাযোগ থাকলেও প্রেম নেই।
অন্যদিকে ক্যামেরার কাজ থেকে শুরু করে গ্রাফিক্সের কাজ, সবটাই নাকি হয়েছে সিনেমার আদলে। এমনকি টাইটেল সং-এও আছে সিনেমার ছোঁয়া। এই ধারাবাহিকের হাত ধরেই প্রথমবার অভিনয় জগতে পা রেখেছেন পিহু ওরফে সৃজিলা। মডেলিং-এর জগতে পরিচিত মুখ সৃজিলার অভিনয়ে অভিষেক ঘটল কী করে? অভিনেত্রী বলছেন, 'স্নিগ্ধাদি আমায় দেখে প্রথমেই বলেছিলেন, তোকে অভিনয় করতে হবে না। তুই এমনিই পিহুর মত। বদলে যাস না। আমার জীবনে কখনও কিছু পরিকল্পনা করে হয়নি। প্রথমে একটু দ্বিধা করেছিলাম। সবাইকে জানিয়েছিলাম, কখনও অভিনয় করিনি। কিন্তু স্নিগ্ধাদির সঙ্গে কথা বলে সাহস পাই। সেটে সবাই সুন্দর করে আমায় সিনগুলো বুঝিয়ে দেয়, সাহায্য করে। অনেক অভিজ্ঞ অভিনেতারা কাজ করছেন আমাদের সঙ্গে। সবার থেকেই প্রতিদিন অনেক কিছু শিখছি।' কালিম্পং-এর শ্যুটিং-এ গিয়ে হোটেলে গীতশ্রীর সঙ্গে এক ঘরে থাকছিলেন সৃজিলা। দুজনেই বললেন, এই কয়েকদিনের আলাপে একে অপরের অনেক কথাই জেনে ফেলেছেন তাঁরা।
অন্যদিকে উজান-হিয়া জুটি ছেড়ে এবার কি পিহুর প্রেমের মজবে ঋষিরাজ? উত্তর দেবে সময়। তবে পর্দার বাইরে শন-সৃজিলার রসায়ন কেমন? একটি সাংবাদিক সম্মেলনে এই প্রশ্ন রাখা হয়েছিল এবিপি লাইভের তরফে। এবিপি লাইভ শন-ও সৃজিলার কাছে এই প্রশ্ন রাখলেও, তার প্রথম উত্তর দিলেন বিশ্বনাথ। খুনসুটি করে বললেন গভীর প্রশ্ন। শন বললেন, 'সৃজিলার সঙ্গে এটা আমার প্রথম কাজ। ওকে সাহায্য করার চেষ্টা করি। যতক্ষণ সেটে থাকি, একে অপরকে বোঝবার চেষ্টা করি। একটা ভালো বন্ধুত্ব হয়ে গিয়েছে। পর্দার বাইরে সম্পর্ক ভালো হবে পর্দাতেও সেটা ফুটে ওঠে।' রহস্য বজায় রেখে শন বললেন, এরপর কী হবে সেটা দেখা যাবে। আপাতত কেবল বোঝাপড়া ভালো হয়ে গিয়েছে।' একই প্রশ্নের উত্তরে সৃজিলা বললেন, 'পর্দার বাইরে বন্ধুত্ব না থাকলে আমরা একসঙ্গে বসে কথা বলতাম না। আলাদা আলাদা ঘরে বসে জুম কলে মিটিং করতাম। আমরা একটা পেশাদারিত্ব বজায় রেখে কাজ করি ঠিকই, কিন্তু সবসময় আমায় সাহায্য করে শন।'























