Kidney Issues For Fairness Creams: নিজেকে সুন্দর করে তুলতেই ফেয়ারনেস ক্রিমের ব্য়বহার। আর সেই কারণে বাজারে ফেয়ারনেস ক্রিমের বিক্রিও বেশ ভাল। তবে এই ক্রিম থেকেই ঘটে যাচ্ছে বড় বিপদ। সম্প্রতি এমনটাই জানাল একটি গবেষণা। কিডনির সমস্যার পিছনে দায়ী এই বাজরচলতি ফেয়ারনেস ক্রিমগুলিই। কারণ এর মধ্যে রয়েছে অতি মাত্রায় পারদ।
ক্রিমের পারদ থেকে কিডনির কী ধরনের বিপদ ?
সম্প্রতি কিডনি ইন্টারন্যাশনাল নামে একটি মেডিকেল জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে এই গবেষণা। তাতে দেখা গিয়েছে, মেমব্রেনাস নেফ্রোপ্যাথি নামে একটি বিশেষ রোগ ঘটায় এই ক্রিমগুলি। ক্রিমের মধ্যে থাকা পারদের জেরেই এমনটাই হয় বলে জানিয়েছেন গবেষকরা। মেমব্রেনাস নেফ্রোপ্যাথি রোগে কিডনি প্রোটিন ফিল্টার করতে পারে না। ফলে প্রস্রাব মারফত প্রোটিন বেরিয়ে যায়।
মেমব্রেনাস নেফ্রোপ্যাথি কি ভয়ঙ্কর রোগ ?
চিকিৎসকদের কথায়, এই রোগে গ্লোমেরুলাসের একটি বেস নষ্ট হয়ে যায়। গ্লোমেরুলাস কিডনির ভিতরের সূক্ষ রক্তজালিকা। এটিই রক্তকে পরিশোধিত করে। সেখান থেকে বর্জ্য পদার্থ বার করে মূত্রথলিতে পাঠায়। এটি নষ্ট হয়ে গেলে প্রোটিনের মতো গুরুত্বপূর্ণ উপাদান রক্ত থেকে বেরিয়ে যায়।
কী কী লক্ষণ দেখা যায় এই রোগে ?
কিডনি সাধারণভাবে যে বর্জ্য পদার্থগুলি পরিশ্রুত করে, তার মধ্যে প্রোটিন থাকে না। প্রোটিন শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। প্রস্রাবের মধ্যে দিয়ে সেটি বেরিয়ে গেলে শরীরে তার ঘাটতি হয় । বেশ কিছু লক্ষণ দেখে এই রোগটি টের পাওয়া যায়।
- দুর্বলতা বেড়ে যায়।
- প্রায়ই নিজেকে ক্লান্ত লাগে।
- শরীরের নানা অংশে ফোলাভাব দেখা দেয়।
- প্রস্রাবে ফেনা বেশি হয়।
- খিদে কমে যায়।
- বারবার প্রস্রাব পায়।
- রাতে বেশি প্রস্রাব পায়।
- ওজন বাড়তে থাকে।
চিকিৎসা কী এই রোগের?
এই রোগটি ক্রনিক কিডনি রোগের মতোই। কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট ছাড়া চিকিৎসার মাধ্যমে এটি সারিয়ে তোলার কোনও উপায় নেই। তবে ওষুধের মাধ্যম এই রোগের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করা যায়। পাশাপাশি কিডনিকে কিছুটা সুস্থ রাখা যায়। অর্থাৎ, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপের মতো এই রোগ।
ডিসক্লেইমার: লেখায় উল্লেখিত দাবি বা পদ্ধতি পরামর্শস্বরূপ। এটি মেনে চলার আগে অবশ্যই সরাসরি বিশেষজ্ঞ/চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
আপনার পছন্দের খবর এবার হোয়াটসঅ্যাপেও। যুক্ত হোন ABP Ananda হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে।
আরও পড়ুন - Summer Health Tips: গরমে কেন বাড়বাড়ন্ত অ্যাজ়মার ? কীভাবে ঠেকাবেন শ্বাসকষ্ট ?