Fatty Liver Problem: ফ্যাটি লিভারের সমস্যা একবার দেখা দিলে খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারে একাধিক নিষেধাজ্ঞা এসে যাবে আপনার জীবনে। এমন কোনও খাবার খাওয়া চলবে না যা লিভারের উপর ফ্যাটের আস্তরণ তৈরি করতে পারে। ফ্যাটি লিভারের সমস্যা দেখা দিলে আপনি কোন ধরনের খাবার খাবেন না, তা হয়তো জানেন। তবে একটি বিশেষ পানীয় রয়েছে, যা রোজ সকালে অল্প করে খেলে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা কমতে পারে। তবে এই পানীয় টানা অনেকদিন খেলে, বেশি পরিমাণে খেলে কিন্তু উপকারের থেকে অপকার বেশি হবে। আর যাঁদের ফ্যাটি লিভারের সমস্যা রয়েছে তাঁরা এই পানীয় সেবনের আগে অতি অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নেবেন। নাহলে হিতে বিপরীত হতে পারে। চরম অবনতি হতে পারে আপনার স্বাস্থ্যের।
ফ্যাটি লিভারের সমস্যা কমাতে রোজ সকালে অল্প করে ব্ল্যাক কফি খেতে পারেন
- ব্ল্যাক কফি খাওয়ার অনেক উপকারিতা রয়েছে। তবে এই কফি সামান্য পরিমাণে খেতে হবে। নাহলে উপকারের থেকে অপকার হবে বেশি। সকালে উঠে এক কাপ ব্ল্যাক কফি খেতে পারেন। তবে খালি পেটে না খাওয়াই শ্রেয়। আর অনেকটা পরিমাণে একেবারেই খাবেন না।
- ব্ল্যাক কফি খেলে কমবে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা। ভাল থাকবে হার্ট। এছাড়াও কমবে ওজন। নিয়ন্ত্রণে থাকবে ডায়াবেটিসের মাত্রাও। লিভারে ফ্যাটের পরিমাণ কমায় ব্ল্যাক কফি খাওয়ার অভ্যাস। এর পাশাপাশি এমন এনজাইম তৈরি করে যা বডি ডিটক্সিফিকেশনে সাহায্য করে।
- ব্ল্যাক কফি খেলে ইনফ্লেমেশনের সমস্যা কমে আমাদের শরীরে। মাইগ্রেনের সমস্যা থাকলে কফি খাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক থাকা উচিৎ। শরীরচর্চা শুরুর আগে কিংবা পরে ব্ল্যাক কফি খেলে তা শরীরের মেটাবলিজম রেট বাড়াতে এবং ক্যালোরি ও ফ্যাট বার্নিংয়ে সাহায্য করে।
- সকালে এক কাপ ব্ল্যাক কফি খেলে দিনভর চাঙ্গা থাকবেন আপনি, ভরপুর এনার্জি পাবেন। মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের উন্নতিতে এবং মনযোগ, একাগ্রতা বাড়াতে কাজে লাগে ব্ল্যাক কফি।
- সকালে ব্ল্যাক কফি খেলে ব্লাড সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। গ্লুকোজ ধীর মাত্রায় নির্গত হয় শরীরে। ব্ল্যাক কফিতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের পরিমাণ অনেকটাই বেশি। কোষের ক্ষয় রোধ করে এই পানীয়। কমায় অক্সিডেটিভ স্ট্রেসও।
আরও পড়ুন- পা ফুলে যাওয়া মানেই কি ইউরিক অ্যাসিড বেশি? নাকি হতে পারে অন্য রোগের লক্ষণও?
ডিসক্লেইমার: লেখায় উল্লেখিত দাবি বা পদ্ধতি পরামর্শস্বরূপ। এটি মেনে চলার আগে অবশ্যই সরাসরি বিশেষজ্ঞ/চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।