এক্সপ্লোর
আরএসএস ও ভারত সমার্থক হোক, চায় কেউ কেউ, যারা মিথ্যার রাজনীতি করছে, গাঁধীর অহিংসার দর্শন বুঝতে পারবে না, বললেন সনিয়া
সনিয়ার দাবি, অন্যেরা যা-ই বলুক, তাতে কিছু আসে যায় না, একমাত্র কংগ্রেসই গাঁধীর পথে রয়েছে, কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও কৃষক স্বার্থে সুযোগসুবিধার ব্যবস্থা করেছে। এগুলি এমন সাফল্য যার কোনও তুলনা নেই।

নয়াদিল্লি: সনিয়া গাঁধীর নিশানায় বিজেপি, আরএসএস? বুধবার রাজঘাটে মহাত্মা গাঁধীর দেড়শোতম জন্মবার্ষিকী পালন অনুষ্ঠানে কংগ্রেসের অন্তর্বর্তী সভানেত্রী সম্ভবত সঙ্ঘ পরিবারকে ইঙ্গিত করে বলেন, গত কয়েক বছর ধরে ভারতে যা সব ঘটে চলেছে, তাতে ব্যথিত হত, কষ্ট পেত মহাত্মার আত্মা। মহাত্মা আর ভারত সমার্থক বলে উল্লেখ করেন তিনি, একইসঙ্গে অবশ্য বলেন, কিছু লোক আছে যারা আরএসএস আর ভারত একই বলে দেখাতে চায়। সনিয়া হিন্দিতে দেওয়া ভাষণে বলেন, যারা নিজেদের সর্বশক্তিমান মনে করে, কী করে তারা মহাত্মা গাঁধীর বলিদানকে উপলব্ধি করবে, বুঝবে? যারা মিথ্যার রাজনীতি করছে, গাঁধীর অহিংসার দর্শনকে বুঝতে পারবে না। এর পাশাপাশি সনিয়ার দাবি, অন্যেরা যা-ই বলুক, তাতে কিছু আসে যায় না, একমাত্র কংগ্রেসই গাঁধীর পথে রয়েছে, কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও কৃষক স্বার্থে সুযোগসুবিধার ব্যবস্থা করেছে। এগুলি এমন সাফল্য যার কোনও তুলনা নেই। মহাত্মার আদর্শে উদ্ধুদ্ধ হতে কংগ্রেস কর্মীদের শপথও নেওয়ান সনিয়া। এদিন মহাত্মা স্মরণে দীনদয়াল উপাধ্যায় মার্গে দিল্লি প্রদেশ কংগ্রেস দপ্তর থেকে দলীয় কর্মীদের পদযাত্রায় নেতৃত্ব দেন রাহুল গাঁধী। সেখান থেকে হেঁটে তাঁরা যান রাজঘাটে। দলীয় পতাকা হাতে ‘মহাত্মা গাঁধী অমর রহে’ স্লোগান দিয়ে গাঁধী সন্দেশ যাত্রা-য় সামিল হন কংগ্রেস কর্মীরা। চোখে গাঁধীর ট্রেডমার্ক চশমা, হাতে লাঠি নিয়ে ধুতি পরা কিছু কংগ্রেস কর্মীকে পদযাত্রায় দেখা যায়। রাহুল ট্যুইট করে গাঁধীকে শ্রদ্ধা জানিয়ে লেখেন, ১৫০-তম জন্মবার্ষিকীতে ‘রাষ্ট্রের পিতা’ মহাত্মা গাঁধীকে আমার শ্রদ্ধা। তিনি নিজের কাজ, বক্তব্যের মাধ্যমে দেখিয়েছেন, সব জীবিত প্রাণের প্রতি ভালবাসা ও অহিংসাই অত্যাচার, ধর্মান্ধতা ও ঘৃণাকে পরাজিত করার একমাত্র পথ।
Before You Go
Amit Shah - Prasenjit Chatterjee | প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের বালিগঞ্জের বাড়িতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী | ABP ANANDA LIVE

ড: সুভাষ সরকারড: সুভাষ সরকার
Opinion





















