এক্সপ্লোর
সন্ত্রাস নিয়ে রাজনীতি নয়, মৈত্রী এক্সপ্রেস বন্ধের হুমকির নিন্দায় মমতা

কলকাতা: ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে চলা মৈত্রী এক্সপ্রেস নিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতির হুঁশিয়ারির জবাব দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বললেন, সন্ত্রাস নিয়ে রাজনীতি ঠিক নয়। জঙ্গি হামলায় বেসামাল বাংলাদেশ। দেশেরই উচ্চ শিক্ষিত, অভিজাত পরিবারের জনা কয়েক ছেলে ধর্মীয় মৌলবাদে অন্ধ হয়ে গলা কেটে নৃশংসভাবে খুন করে একের পর এক ব্যক্তিকে! রক্তাক্ত হয় ঢাকার রাজপথ! কিন্তু, হামলার নেপথ্য কে? পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই? না কি জঙ্গি সংগঠন জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশ? না কি কুখ্যাত জঙ্গি সংগঠন আইএস-এর সঙ্গে হাত মিলিয়ে পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই এবং জেএমবি এই কাণ্ড ঘটাল? এই প্রশ্নের উত্তর পেতে যখন পদ্মাপাড়ের কর্তারা দিনরাত এক করে দিচ্ছেন, তখন গঙ্গাপাড়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপান-উতোর। বাংলাদেশে একের পর এক হিন্দু পুরোহিত খুন এবং জঙ্গি হামলার পরই বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে চলা মৈত্রী এক্সপ্রেস বন্ধের হুমকি দেন। সোমবার বিধানসভায় পাল্টা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আপনারা কেন মিছিল করে বললেন, মৈত্রী এক্সপ্রেস বন্ধ হোক। মৈত্রী এক্সপ্রেস দু’দেশের ভালবাসার। এরসঙ্গে সন্ত্রাসের কোনও সম্পর্ক নেই। আমাদের দেশে ধর্মনিরপেক্ষতা আছে। এটা আমাদের গর্ব। সন্ত্রাসবাদীদের কোনও জাত, ধর্ম সীমানা নেই। সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে রাজনৈতিক বিষয় জড়িয়ে ফেলা ঠিক নয়। বাংলাদেশে হামলার পরই ভারতের সীমান্তগুলিতে হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। আঁটোসাঁটো করা হয়েছে নিরাপত্তা। মুখ্যমন্ত্রীও এদিন বার্তা দিয়েছেন সীমান্তবর্তী এলাকায় অপরাধের বাড়বাড়ন্ত রাজ্য সরকার বরদাস্ত করবেন না। তিনি বলেন, সীমান্তে গরু পাচার, জাল নোট ও সোনা চোরাচালানের মতো যে অপরাধ ঘটছে, তা আমরা বন্ধ করব। এর সঙ্গে যেই জড়িত থাকুক না কেন। কঠোরতম ব্যবস্থা নেব। বিরোধীদের প্রশ্ন, বাস্তবে এমনটা হবে তো?
Before You Go
Baruipur News: ‘প্রত্যেকের হাতে অস্ত্র ছিল, পরিকল্পনা করে খুন করেছে’, বললেন নিহত নাবালকের দাদা

ড: সুভাষ সরকারড: সুভাষ সরকার
Opinion





















