বিল ‘না মেটানোয়’ প্রৌঢ়াকে আটকে রাখল হাসপাতাল, হাইকোর্টের হস্তক্ষেপে মুক্তি

কলকাতা: বিল না মেটানোর অভিযোগে ছাড়ছিল না হাসপাতাল। অবশেষে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়ে তবেই মুক্তি পেলেন প্রৌঢ়া। খাস কলকাতার ঘটনা।
গত বছর ১৩ ডিসেম্বর, শ্বাসকষ্ট ও বুকে ব্যথা নিয়ে সল্টলেকের কলম্বিয়া এশিয়া হাসপাতালে ভর্তি হন মৌলালির বাসিন্দা ৬৩ বছরের বন্দনা বাগচী।
প্রৌঢ়ার স্বামী সুবীর বাগচীর দাবি, ১৪ দিন পর তাঁকে ছুটি দিয়ে দেন চিকিৎসক। অভিযোগ, বিল মেটাতে না পারায়, সুস্থ হয়ে যাওয়া সত্বেও প্রৌঢ়াকে ছাড়তে চায়নি হাসপাতাল।
সুবীরবাবুর দাবি, চিকিৎসা বাবদ ১.১০ লক্ষ টাকা হাসপাতালকে দেওয়া হলেও, গত ২৬ ডিসেম্বর, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দাবি করে, তাদের এখনও কয়েক লক্ষ টাকা পাওনা বকেয়া রয়েছে।
বন্দনার পরিবারের দাবি, ২৬ ডিসেম্বর থেকে গত দেড়মাস হাসপাতালে কোনও চিকিৎসক তাঁর স্ত্রীকে ভিজিটে আসেননি। বিধাননগর কমিশনারেটের পাশাপাশি অভিযোগ দায়ের হয় স্বাস্থ্য কমিশনেও। ফল না মেলায়, মামলা দায়ের হয় হাইকোর্টে।
বৃহস্পতিবার, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি আর ভরদ্বাজের বেঞ্চ বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটকে নির্দেশ দেয় বন্দনাদেবীর মুক্তি নিশ্চিত করে আদালতে রিপোর্ট দাখিল করতে।
সেইমতো, সেদিনই হাসপাতালে পৌঁছে বন্দনা বাগচীকে হাসপাতাল থেকে ছাড়িয়ে আনে পুলিশ। পরে আদালতে এই সংক্রান্ত রিপোর্ট দাখিল করেন সরকারি কৌঁসুলি শাশ্বত মুখোপাধ্যায়।
























