Kedarnath : ফের বিপর্যয় কেদারে, পাহাড় থেকে গড়িয়ে পড়ল বিরাট পাথর, মৃত্যু, বন্ধ তীর্থযাত্রা
দুর্ঘটনার পর বৃষ্টি ও ভূমিধসের কারণে সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে কেদারনাথ তীর্থযাত্রা।

উত্তরাখণ্ডের কেদারনাথে প্রাকৃতিক দুর্যোগের জেরে বিপত্তি। রবিবার কেদারনাথের কাছে চীরবাসা হেলিপ্যাডের কাছে হঠাৎ পাহাড় থেকে একটি বড় পাথর গড়িয়ে পড়ে। তাতে মৃত্যু হয় এক তীর্থযাত্রীর। দুর্ঘটনার পর বৃষ্টি ও ভূমিধসের কারণে সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে কেদারনাথ তীর্থযাত্রা।
রাজ্য জরুরি অপারেশন কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, চীরবাসা হেলিপ্যাডের কাছে পাহাড় থেকে গড়িয়ে আসা একটি বড় পাথরের আঘাতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই ব্যক্তির। মৃত ব্যক্তি নিকটবর্তী উখিমঠের বাসিন্দা । বয়স ৬৫ র আশেপাশে। নাম মদন মোহন তিওয়ারি।
প্রবল বৃষ্টির জেরে কয়েকদিন ধরেই বিপর্যস্ত কেদারনাথ। তীর্থক্ষেত্রে যাওয়ার পথে বিভিন্ন জায়গায় পাহাড় থেকে গড়িয়ে আসা পাথর, জলের সঙ্গে ক্ষেসে আসে আবর্জনা ও ধ্বংসাবশেষ জমে রয়েছে। ফলে রাস্তা হয়ে পড়েছে অবরুদ্ধ। যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে তীর্থযাত্রা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। প্রশাসন তীর্থযাত্রীদের সুরক্ষার কথা ভেবে আপাতত পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তীর্থযাত্রীদের সোনপ্রয়াগ বা গৌরিকুণ্ডে থাকতে বলা হয়েছে। অন্যদিকে যাঁরা কেদারনাথ থেকে ফিরছিলেন, তাঁদের জঙ্গলচাট্টিতে থামতে বলা হয়েছে।
আপাতত প্রশাসনের পক্ষ থেকে তীর্থযাত্রীদের সতর্ক করে বলা হয়েছে, রাস্তা পরিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত কেউ যেন ওই পথে আর না এগোন। প্রশাসন সবুজ সিগন্যাল দিলে, তবেই ফের যাত্রা শুরু করা যাবে। প্রতিকূল আবহাওয়ার জন্য পাহাড়ে ভূমিধস নামার ঝুঁকি এখন প্রবল। তীর্থযাত্রীদের অতিরিক্ত সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন। পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে প্রশাসন। আবহাওয়া ও যাত্রাপথের পরিস্থিতি বিবেচনা করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
শেষ পাওয়া খবর অনুসারে, ঘটনার পর SDRF, পুলিশ এবং স্থানীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দল উদ্ধারকাজে নামে। যাত্রীদের আস্তে আস্তে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনা শুরু করেছে। সোমবার সকালের পর থেকে আবহাওয়া কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় এবং বৃষ্টি থামায় পাথর পড়া বন্ধ হয়েছে। তবে রাস্তা পুরোপুরি পরিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে। প্রশাসনের চূড়ান্ত অনুমতি না মেলা পর্যন্ত নতুন করে কাউকে ওই রুটে এগোতে দেওয়া হবে না।
২০১৩ সালের কেদারের প্রকৃতির ধ্বংসযজ্ঞের স্মৃতি এখনও টাটকা। গত ১৬-১৭ জুন, কেদারনাথে মেঘভাঙা বৃষ্টিপাত এবং কেদারনাথ মন্দিরের ঠিক ওপরে অবস্থিত চোরাবারি হিমবাহ হ্রদ ভেঙে (GLOF) বিশাল জলরাশি ও কাদা-পাথর ধেয়ে আসে। ভাসিয়ে নিয়ে যায় সবকিছু। সরকারি পরিসংখ্যান অনুসারে সেই বারে ৫,৭০০ জনেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারান বা নিখোঁজ হন। সেই ঘটনার পর এখন প্রকৃতি নিয়ে ভীষণ সতর্ক প্রশাসন।
Before You Go
Gyanesh Kumar Row | "Priyanka Gandhi Vadra-এর যা হয়েছে, তা ঠিক হয়নি...", বললেন Mamata Banerjee






















