এক্সপ্লোর
বিমুদ্রাকরণ সহ একাধিক ফ্যাক্টর, কাশ্মীরে ৯০ শতাংশ কমেছে পাথরবাজি, দাবি ডিজিপি-র

জম্মু: গত বছরের তুলনায় কাশ্মীর উপত্যকায় পাথরবাজির ঘটনা ৯০ শতাংশ কমেছে বলে জানিয়ে পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার জন্য সেখানকার বাসিন্দাদের ধন্যবাদ দিলেন জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের প্রধান এস পি বৈদ। তিনি বলেন, গত বছর দিনে, বিশেষ করে শুক্রবার ৪০-৫০টা পাথর ছোঁড়ার ঘটনা স্বাভাবিক ব্যাপার ছিল। কিন্তু এ বছর তা ৯০ শতাংশ কমেছে। কয়েকটা সপ্তাহে তো একটিও পাথরবাজির ঘটনা নেই। বাসিন্দাদের মনোভাব ব্যাপক বদলেছে। আইনশৃঙ্খলার দিকে কাশ্মীরে সবারই নজর দেওয়ার কথা, বিশেষত যারা সেখানকার বাসিন্দা, আর যাদের ওপর তা রক্ষার ভার, তাদের। শুধু এনআইএ-র অভিযানের ফলেই পাথরবাজি কমেছে বলে মনে করেন না বৈদ। তাঁর মত, আইনশৃঙ্খলা ভাল হওয়া, পাথরবাজি কমার পিছনে অনেক ফ্যাক্টর আছে। শুধু এনআইএ-র অভিযানেই তা হয়েছে, এমন ধারণা থাকলেও আমি তা মনে করি না। এনআইএ অভিযান অবশ্যই সাহায্য করেছে, কিন্তু মূল কৃতিত্বটা কাশ্মীরের জনতার। তাঁরা হয়ত পাথরবাজি, অশান্তি, নিজেদেরই সম্পত্তি নষ্ট করা, যে পুলিশকর্মীরা তাদের সমাজেরই অংশ, তাদের নিশানা করার অসারতা উপলব্ধি করছেন। পাশাপাশি হিংসায় ক্লান্তি, শীর্ষ জঙ্গি কমান্ডারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ফলেও কাজ হয়েছে। বিমুদ্রাকরণ ছাড়াও সন্ত্রাসের সমর্থকদের গ্রেফতারি ও রাজনৈতিক কার্যকলাপ বৃদ্ধি পাওয়ার ফলেও কাশ্মীরে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে বলে অভিমত শীর্ষ পুলিশকর্তার। তিনি বলেন, নোট বদল ও অশান্তির ইন্ধনদাতাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা, শান্তি প্রক্রিয়ায় অন্তর্ঘাতে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা সহ নানা ফ্যাক্টরের ভূমিকা আছে। কোনও একটি বিশেষ ফ্যাক্টর নয়, সবগুলি মিলিয়েই কাশ্মীরে পাথর ছোঁড়া কমেছে, পরিস্থিতি ভাল হয়েছে। জনসুরক্ষা আইনে লোকজনকে আটক করেও ফল মিলেছে। ধীরে ধীরে রাজনৈতিক প্রক্রিয়া গতি পাচ্ছে। রাজনৈতিক লোকজনও ইতিবাচক ভূমিকা নিচ্ছেন। অপারেশন অল আউট দারুণ সফল বলে দাবি করে বৈদ বলেন, এর কৃতিত্ব মাঠে নেমে কাজ করা অফিসার, জওয়ানদের। পুলিস, সেনা ও নিরাপত্তা এজেন্সিগুলির মধ্যে ভাল বোঝাপড়া রয়েছে। হিজবুল, লস্করের অধিকাংশ শীর্ষ নেতাই খতম হয়েছে গুটিকয়েক বাদে। এটা বিরাট ব্যাপার। মোটামুটি ১৭০ জন জঙ্গি এ বছর খতম হয়েছে। গত ১০ বছরে যা রেকর্ড।
আরও পড়ুন

ড: সুভাষ সরকারড: সুভাষ সরকার
Opinion





















