Corona Vaccine Drive Live Updates: আমফানের টাকার মত ভ্যাকসিন লুঠ করছে তৃণমূল, আক্রমণ কৈলাস বিজয়বর্গীয়র, কেন্দ্র ভ্যাকসিন দিয়ে দয়া করছে না, পাল্টা ফিরহাদ
Nationwide Corona Vaccine Drive: বিজেপির পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষকের কটাক্ষ, বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দিচ্ছে কেন্দ্র। অথচ সবকিছুর মতো এক্ষেত্রেও তা নিজের নামে চালাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
ওয়েব ডেস্ক, এবিপি আনন্দLast Updated: 17 Jan 2021 10:19 PM
প্রেক্ষাপট
কলকাতা: শনিবার সকাল ৯টা থেকে রাজ্যে শুরু হচ্ছে করোনার বিরুদ্ধে নতুন যুদ্ধ! স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, সারা রাজ্যে মোটা ২১২টি ভ্যাকসিনেশন সেন্টার করা হয়েছে।তার মধ্যে কলকাতায় রয়েছে ১৯টি। প্রতি কেন্দ্রে প্রতিদিন ১০০ জনকে...More
কলকাতা: শনিবার সকাল ৯টা থেকে রাজ্যে শুরু হচ্ছে করোনার বিরুদ্ধে নতুন যুদ্ধ! স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, সারা রাজ্যে মোটা ২১২টি ভ্যাকসিনেশন সেন্টার করা হয়েছে।তার মধ্যে কলকাতায় রয়েছে ১৯টি। প্রতি কেন্দ্রে প্রতিদিন ১০০ জনকে করোনার ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। ধারাবাহিক ভাবে চলবে অভিযান।শুক্রবার সকাল সাড়ে দশটায় পুরসভার বালিগঞ্জ স্টোর থেকে কোভিশিল্ড নিয়ে রওনা দেয় ভ্যাকসিনের গাড়ি। প্রথমে গড়িয়া ও গড়ফার বরো অফিসে পৌঁছনো হয় টিকা। সেখান থেকে ভ্যাকসিন যায় এম আর বাঙুর ও কমান্ড হাসপাতাল ও খিদিরপুরের বোরো অফিসে। খিদিরপুর থেকে উত্তর কলকাতার বরো অফিসে পৌঁছয় ভ্যাকসিন ভ্যান।এরপর বেলেঘাটা আইডি হাসপাতাল হয়ে বিসি রায় শিশু হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়া হয় কোভিশিল্ড।বৃহস্পতিবারের পাশাপাশি, শুক্রবারও কলকাতার বেশ কিছু সরকারি হাসপাতাল ও পুরসভার বরো অফিসে পৌঁছে দেওয়া হয় ভ্যাকসিন। এদিন কোভিশিল্ড পৌঁছে দেওয়া হয়েছে ৫টি বেসরকারি হাসপাতালেও।১. অ্যাপোলো গ্লেনগলস্২. টাটা মেডিক্যাল সেন্টার৩. ঢাকুরিয়া আমরি৪. আর এন টেগোর হাসপাতাল৫. পিয়ালসেস হাসপাতাল২০১১ সালের ৯ ডিসেম্বর বিধ্বংসী আগুনে ঢাকুরিয়া আমরি হাসপাতালের একটি ভবন ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নব্বই জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ন’বছর পর, করোনা ভ্যাকসিনেশনের মধ্যে দিয়ে শনিবার ফের চালু হচ্ছে ওই ভবন।সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালগুলির পাশাপপাশি, তৈরি পুরসভার বরো অফিসগুলিও। পুরসভার কোল্ডচেন পয়েন্টে রাখা হয়েছে করোনার টিকা।পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম এদিন জানান, 'কাল থেকে শুরু হচ্ছে। আমরা উতসবের মতো পালন করব। আপাতত পাঁচটা বরোতে হবে। পরে অন্য বরোতেও হবে।'দেশ জুড়ে কোউইন অ্যাপে ভ্যাকসিন প্রাপকদের নাম নথিভুক্ত করা হচ্ছে। সম্ভবত সেকারণেই যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিয়েছে। তাই ভ্যাকসিন প্রাপকদের এসএমএস ও হোয়াটসঅ্যাপ করে অবহিত করা হয়েছে।ধুরন্ধর ভাইরাস ভার্সেস মোস্ট ওয়ান্টেড ভ্যাকসিন। যুদ্ধ শুরু হতে আর বেশি বাকি নেই।
স্বাস্থ্যকর্মী, করোনা যোদ্ধাদের টিকায় ভাগ বসানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। শাসক দলের একের পর এক জনপ্রতিনিধির ভ্যাকসিন নেওয়ার ঘটনায় সেই প্রশ্নই তুলল বিরোধীরা। জনপ্রিতিনিধিদের টিকা নেওয়া সমর্থন না করলেও, কেন্দ্রের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন না পাঠানোর অভিযোগে অনড় তৃণমূল।
ক্ষমতার অপব্যবহার করে যাদের করোনা ভ্যাকসিন পাওয়ার কথা ছিল, তাদের বঞ্চিত করা হয়েছে। তৃণমূলের নেতা-বিধায়কদের টিকা নেওয়া নিয়ে আক্রমণ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর।
বিধায়কদের লাইনে দাঁড়িয়ে ভ্যাকসিন নেওয়ার ঘটনা লজ্জাজনক। কটাক্ষ বাবুল সুপ্রিয়র। বিধায়করা আগে ভ্যাকসিন নিয়ে ঠিক করেননি। মন্তব্য ফিরহাদ হাকিমের। একইসঙ্গে বিজেপিকে তাঁর কটাক্ষ, কেন্দ্র ভ্যাকসিন দিয়ে দয়া করছে না।
Corona Vaccine Drive: 'তৃণমূল ভ্যাকসিন চোর', আক্রমণ কৈলাস বিজয়বর্গীয়র
তৃণমূল ভ্যাকসিন চোর। দলের সাংগঠনিক বৈঠকের আগে এভাবেই রাজ্যের শাসকদলকে আক্রমণ করলেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়। বিজেপির পশ্চিমবঙ্গের দায়িত্বপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষকের কটাক্ষ, বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দিচ্ছে কেন্দ্র। অথচ সবকিছুর মতো এক্ষেত্রেও তা নিজের নামে চালাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে, বিধানসভা ভোটের আগে আজ রাজ্যে সাংগঠনিক বৈঠকে বসেছে বিজেপি। আইসিসিআর-এর এই বৈঠকে যোগ দেন কৈলাস বিজয়বর্গীয় ছাড়াও যোগ দেন শিবপ্রকাশ, অরবিন্দ মেনন, দিলীপ ঘোষ, শমীক ভট্টাচার্য, শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়।
ভ্যাকসিন-বিতর্কে এবার নাম জড়াল ব্যারাকপুর পুরসভার প্রশাসকের। গতকাল ব্যারাকপুর বি এন বসু মহকুমা হাসপাতালে করোনার টিকা নেন পুর প্রশাসক তথা তৃণমূল নেতা উত্তম দাস। এনিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। বিজেপির কটাক্ষ, স্বাস্থ্য কর্মীদের টিকাকরণ হওয়ার কথা। এক্ষেত্রেও ক্ষমতার অপব্যবহার করে টিকা নিচ্ছেন তৃণমূল নেতারা। পুর প্রশাসকের দাবি, জন প্রতিনিধিদের থেকে অন্যরা শেখে, সেই কারণেই টিকা নেওয়া। তা ছাড়া তাঁর নাম তালিকায় ছিল বলে দাবি করেছেন ব্যারাকপুরের পুর প্রশাসক। স্বাস্থ্য দফতরের দাবি, স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি কমিটিতে রয়েছেন উত্তম দাস। সেই হিসেবে তিনিও করোনা-যোদ্ধা। তাই টিকা নিয়েছেন।
Corona Vaccine Drive: স্থানান্তরের সময় করোনা রোগীর মৃত্যুতে ডেথ সার্টিফিকেট দেবে 'রেফার' করা হাসপাতাল, নির্দেশিকা রাজ্যের
করোনা রোগীর ডেথ সার্টিফিকেট নিয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করল স্বাস্থ্য দফতর। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, সঙ্কটজনক করোনা রোগীকে হাসপাতালে স্থানান্তরের সময় মৃত্যুর ক্ষেত্রে, যে হাসপাতাল রেফার করছে, তারাই ডেথ সার্টিফিকেট দেবে। এ নিয়ে রোগীর পরিবারকে হয়রান করা যাবে না। এছাড়া, ডেথ সার্টিফিকেট দেওয়ার জন্য কোনও টাকাও নেওয়া যাবে না। এধরনের হয়রানির ঘটনা নজরে এসেছে। তাই এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর।
টিকাকরণ নথিভুক্তিকরণের জন্য প্রয়োজন 'কো-উইন' অ্যাপে সমস্যা। এর ফলে, মহারাষ্ট্রে দুদিনের জন্য স্থগিত হয়ে গেল টিকাকরণ প্রক্রিয়া। শনিবার এই কথা জানিয়েছে বৃহন্মুম্বই পুরসভা। এর ফলে, ওড়িশার পর মহারাষ্ট্র হল দেশের দ্বিতীয় রাজ্য যেখানে টিকাকরণ প্রক্রিয়ায় ছেদ পড়ল। রবিবারই করোনা টিকাকরণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে ভারতে, যাকে বিশ্বের সর্ববৃহৎ টিকাকরণ প্রক্রিয়া হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
Corona Vaccine Drive: টিকা গ্রহণকারীদের পর্যবেক্ষণের জন্য রবিবার প্রক্রিয়া-রদ ওড়িশায়
দেশের প্রথম রাজ্য হিসেবে করোনা টিকাকরণ প্রক্রিয়ার দ্বিতীয় দিনেই সাময়িক ছেদ টানল ওড়িশা প্রশাসন। রাজ্যের অতিরিক্ত স্বাস্থ্যসচিব প্রদীপ্ত মহন্ত জানান, প্রথম দিন যাঁরা ভ্যাকসিন নিয়েছেন, আজ তাঁদের পর্যবেক্ষণ করতে চাইছি। দেখতে চাইছি, কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিচ্ছে কি না। সোমবার থেকে পুনরায় চালু হবে প্রক্রিয়া। রাজ্য়ে মোট ৩.২৮ লক্ষ স্বাস্থ্যকর্মীর টিকাকরণ হবে।
করোনা টিকা নিয়ে রাজ্যে ১৪ জনের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া । ১৪ জনের মধ্যে ২ জন কলকাতার স্বাস্থ্যকর্মী, জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিকর্তা । মুর্শিদাবাদের ৩ স্বাস্থ্যকর্মীর মধ্যেও পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া । কলকাতায় এনআরএস হাসপাতালে ভর্তি এক নার্স। অ্যালার্জিক রিঅ্যাকশন থেকেই অসুস্থতা বলে অনুমান,জানানো হল স্বাস্থ্যভবনের তরফে। রাজ্যে প্রথম দিন ভ্যাকসিন নিলেন ১৫ হাজার ৭০৭ জন। শুধুমাত্র ঝাড়গ্রামেই ১০০% স্বাস্থ্যকর্মী ভ্যাকসিন নিয়েছেন।
দেশে ১ লক্ষ ৬৫ হাজার ৭১৪জনকে করোনার ভ্যাকসিন । রাজ্যে প্রথম দিন প্রায় ১৫ হাজার ৮৮৩জনের টিকাকরণ। কলকাতায় প্রথম দিনে ১ হাজার ৭৩৭জনকে ভ্যাকসিন। রাজ্য জুড়ে ২০৭টি কেন্দ্রে করোনার টিকাকরণ ।
করোনা টিকাকরণ নিয়ে সমস্ত রাজ্যগুলির স্বাস্থ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধনের। অভিযানের সফল সূচনার জন্য তিনি স্বাস্থ্যমন্ত্রীদের অভিনন্দন জানান।
প্রথমদিনে এখনও পর্যন্ত সাড়ে ৮ হাজার স্বাস্থ্যকর্মীর টিকাকরণ। রামপুরহাটে এক স্বাস্থ্যকর্মীর মৃদু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। ‘রাজ্যে প্রথমদিনের টিকাকরণ সার্বিক ভাবে সফল। অনেকের কুণ্ঠা রয়েছে, কিন্তু কুণ্ঠার কারণ নেই’ স্বাস্থ্যকর্মীরা এগিয়ে আসুন ভ্যাকসিন নিতে, আবেদন স্বাস্থ্য অধিকর্তার
ভারতের তৈরি কোভ্যাকসিনের বিদেশি বরাত। কোভ্যাকসিনের বরাত দিল মায়ানমার, দক্ষিণ আফ্রিকা। কোভ্যাকসিনের বরাত দিল ব্রাজিলও।৩ কোটি ভ্যাকসিনের বরাত দিয়েছে মায়ানমার।১৫ লক্ষ ভ্যাকসিনের বরাত দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা।৫০ লক্ষ ভ্যাকসিনের বরাত দিয়েছে ব্রাজিল।
চিকিৎসক দীপেন্দ্র সরকার বলেন, 'পৃথিবীর ইতিহাসে গত ১০০ বা ২০০ বছরের মধ্যে দুটি বিশ্বযুদ্ধের পরে এটা তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ! যেখানে মানব সভ্যতা একটি অদৃশ্য ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করছে। আজকে ভ্যাকসিনের মাধ্যমে ভাইরাসের বিরুদ্ধে যে ঘোষিত যুদ্ধ শুরু হল, সেটিকে একজন চিকিৎসক ও বৈজ্ঞানিক হিসেবে স্বাগত জানাই। আমি নিশ্চিত সকলে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের সঙ্গে সহযোগীতা করবে এই লড়াইয়ে জেতার জন্য। বারে বারে সবাইকে অনুরোধ করব ভ্যাকসিন নিয়ে ভ্রান্ত ধারণা ছড়াবেন না।'
মোদির দাবি, ইতিহাসে এত বড় টিকাকরণ কর্মসূচি আগে হয়নি। টিকা নিয়েও মাস্ক-দূরত্ববিধি সতর্কতা মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ভ্যাকসিন নিরাপদ কিনা, তা নিয়ে গুজবে কান না দেওয়ারও পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। ল্যাব তৈরির ক্ষেত্রে ভারত আত্মনির্ভরতার পরিচয় দিয়েছে বলে দাবি করেন প্রধানমন্ত্রী।
হাওড়ার ৮টি কেন্দ্রে শুরু হল করোনার টিকাকরণ। এই পর্যায়ে প্রতি কেন্দ্রে ১০০ জন করে জেলার ৮০০ জন স্বাস্থ্যকর্মীকে ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে। মোট ৫২টি কোল্ড চেন তৈরি করা হয়েছে। জেলায় আনা হয়েছে মোট ১৪ হাজার কোভিশিল্ড। হাওড়া হাসপাতাল ছাড়াও উলুবেড়িয়া হাসপাতাল, শ্যামপুর, বাগনান, পাঁচলা সহ বিভিন্ন জায়গায় হাসপাতাল এবং প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন বলেন, 'এইটাই সম্ভবত বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বড় টিকাকরণ। এই ইস্যুগুলি পরিচালনা করার ক্ষেত্রে ভারতের বিরাট অভিজ্ঞতা রয়েছে। ইতিমধ্যে আমরা পোলিও এবং গুটি বসন্ত নির্মূল করেছি। এটাই সম্ভবত বিশ্বের সবচেয়ে বড় টিকাকরণ অভিযান।'
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টিকাকরণের শুভ সূচনা করার পরই কলকাতার বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে শুরু হয়েছে টিকাকরণ। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে শুরু প্রক্রিয়া। জেলার হাসপাতালগুলিতেও শুরু হয়েছে ভ্যাকসিনেশনের কাজ। ভ্যাকসিনেশনের কাজ হচ্ছে পিয়ারলেস হাসপাতালে। করোনা টিকা নিচ্ছেন চিকিৎসক স্বাস্থ্যকর্মীরা। অন্যদিকে মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল ও চেতলা হাসপাতালেও চলছে ভ্যাকসিনেশনের কাজ। এখনও পর্যন্ত যাঁরা ভ্যাকসিন নিয়েছেন তাঁরা মোটের উপর ভালোই আছেন।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টিকাকরণের শুভ সূচনা করার পরই কলকাতার বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে শুরু হয়েছে টিকাকরণ। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে শুরু প্রক্রিয়া। জেলার হাসপাতালগুলিতেও শুরু হয়েছে ভ্যাকসিনেশনের কাজ। একটি শিশি থেকে মোট ১০ জনকে ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসক সোমা লাহা একদিনও ছুটি নেননি করোনাকালে, তাঁকে দেওয়া হল প্রথম করোনা ভ্যাকসিন। করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। শুধু সেই সময় ছুটিতে থাকার পর আবার ডিউটিতে বেরিয়ে পড়েন। এর আগে করোনার টিকা নিয়েছেন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim)।
পিয়ারলেস হাসপাতালে চলছে ভ্যাকসিনেশন। টিকা নেওয়ার আগে একটি রুমে অপেক্ষা। তারপর নথি পরীক্ষা। তারপর ভ্যাকসিন নিয়ে আধঘণ্টা অপেক্ষা করার পর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া না হলে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে।
আশার আলো জাগিয়ে দেশজুড়ে শুরু হল করোনার টিকাকরণ। সকাল সাড়ে দশটার সময় বিশ্বের বৃহত্তম করোনা টিকাকরণ অভিযানের সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রথম দফায় টিকা দেওয়া হচ্ছে স্বাস্থ্যকর্মী-সহ প্রথম সারির করোনা যোদ্ধাদের।
টিকা নিয়েও মাস্ক-দূরত্ববিধি সতর্কতা মেনে চলুন । ভ্যাকসিনের সময়ে করোনার সময়ের মতো ধৈর্য্য রাখুন। ইতিহাসে এত বড় টিকাকরণ কর্মসূচি আগে হয়নি। বিশ্বের শতাধিক দেশ আছে, যেখানে জনসংখ্যা ৩ কোটির কম।: Narendra Modi
‘টিকা নিয়েও মাস্ক-দূরত্ববিধি সতর্কতা মেনে চলুন । ভ্যাকসিনের সময়ে করোনার সময়ের মতো ধৈর্য্য রাখুন। ইতিহাসে এত বড় টিকাকরণ কর্মসূচি আগে হয়নি। বিশ্বের শতাধিক দেশ আছে, যেখানে জনসংখ্যা ৩ কোটির কম। দ্বিতীয় ধাপে ভ্যাকসিন প্রাপকদের সংখ্যা ৩০ কোটিতে নিয়ে যাব’: Modi
'আজকের দিনের জন্যই অপেক্ষা ছিল দেশবাসীর’ ‘করোনার ভ্যাকসিন কবে আসবে, প্রশ্ন ছিল এটাই’ ‘কয়েক মিনিটের মধ্যেই বিশ্বের সর্ববৃহত্ টিকাকরণের সূচনা’ ‘বৈজ্ঞানিকদের ভ্যাকসিনের জন্য প্রশংসা প্রাপ্য’ ‘ওঁরা দিন-রাত এক করে কাজ করেছেন’ ‘ভ্যাকসিন তৈরি হতে অনেক সময় লাগে’ ‘এক্ষেত্রে খুব কম সময়ে জোড়া ভ্যাকসিন তৈরি হয়েছে’
আমাদের রাজ্যের ২১২টি ভ্যাকসিনেশন সেন্টারে প্রথম দফার টিকাকরণ শুরু হবে। তার মধ্যে কলকাতায় রয়েছে ১৯টি। প্রত্যেক কেন্দ্রে প্রতিদিন ১০০ জনকে করোনার ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি, কলকাতা পুরসভার ৫টি বরোতেও আজ ভ্যাকসিনেশন হবে। স্বাস্থ্য দফতরের ছাড়পত্র মিললে এরপর প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে টিকাকরণ চালু করবে পুরসভা।
Corona Vaccine Drive Live Updates: আমফানের টাকার মত ভ্যাকসিন লুঠ করছে তৃণমূল, আক্রমণ কৈলাস বিজয়বর্গীয়র, কেন্দ্র ভ্যাকসিন দিয়ে দয়া করছে না, পাল্টা ফিরহাদ