এক্সপ্লোর
তীব্র মতভেদ, ২ বার সেন্ট্রাল ইলেকশন কমিটির বৈঠকের পরও কর্নাটকে প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা বের করতে পারল না কংগ্রেস

নয়াদিল্লি: রাহুল গাঁধীর পৌরহিত্যে দুবার বৈঠকে বসেছিল কংগ্রেসের সেন্ট্রাল ইলেকশন কমিটি (সিইসি)। সেখানে প্রার্থীদের নাম বাছাই নিয়ে কয়েক ঘন্টা বৈঠকের পরও মতপার্থক্য দূর হয়নি। ফলে ১২ মে কর্নাটক বিধানসভা ভোটে কংগ্রেসের প্রথম প্রার্থী তালিকাই প্রকাশ করা গেল না। আজ ফের বৈঠকে বসবে কমিটি। বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া সাংবাদিকদের বলেন, কাল আবার আলোচনা হবে। কমিটির সদস্য তথা কংগ্রেস নেত্রী অম্বিকা সোনি বলেন, তালিকা এখনও চূড়ান্ত হয়নি, কাল আরও আলোচনা হবে। সূত্রের খবর, রাজ্যের উঁচুতলার নেতাদের প্রত্যেকেই নিজের নিজের তালিকা অনুমোদন করিয়ে নেওয়ার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। কয়েকজন নেতা আবার সম্প্রতি দলে আসা দলছুট বিজেপি, জেডি (এস) ও নির্দলদের টিকিট দেওয়ার প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছেন। কর্নাটকের কংগ্রেসি নেতাদের একাংশের আবার অভিমত, জয়ের সম্ভাবনা বিচার করেই টিকিট দেওয়া উচিত। ভোটের মুখে যাঁরা দলে যোগ দিচ্ছেন, তাঁদের আনুগত্য নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া, কর্নাটক কংগ্রেস সভাপতি জি পরমেশ্বর ও কয়েকজন প্রথম সারির মন্ত্রীর পরিবারের সদস্যদের টিকিট দেওয়া নিয়েও আলোচনা হয়। সূত্রের খবর, পরমেশ্বর দুটি কেন্দ্র থেকে টিকিট চাইছেন। একটি টুমকুরের কোরাতাগেরে, যেখানে ২০১৩-য় তিনি হারেন। বাকি আসনটি হল বেঙ্গালুরুর পুলকেশিনগর। সেখানকার জেডি (এস) বিধায়ক সম্প্রতি কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। সিদ্দারামাইয়া নিজেই দুটি আসন থেকে লড়তে চাইছেন। মাইসুরুর নিজের পুরানো চামুন্ডেশ্বরী ও বাগলকোট জেলার বাদামি কেন্দ্রে। কংগ্রেস বিধায়ক বি বি চিম্মানাকাট্টিকে এজন্য ওই কেন্দ্র ছেড়ে দিতে রাজি করানো হয়েছে। সূত্রটি জানাচ্ছে, প্রথম দফায় ২২৪টির মধ্যে প্রায় ১৮০টি কেন্দ্রে প্রার্থী তালিকা দিতে পারে কংগ্রেস।
আরও পড়ুন
সেরা শিরোনাম
জেলার
ব্যবসা-বাণিজ্যের
ব্যবসা-বাণিজ্যের
ব্যবসা-বাণিজ্যের
























