এক্সপ্লোর
সাঁইথিয়ার পর রোহতক, অভব্য আচরণ করায় পুলিশকর্মীকে উচিত শিক্ষা জাতীয় স্তরের ক্যারাটে খেলোয়াড়ের

ফাইল ছবি
চণ্ডীগড়: কয়েকদিন আগে বীরভূমের সাঁইথিয়ায় রাস্তায় তিন উত্যক্তকারীকে মোক্ষম শিক্ষা দেন উচ্চ-মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী প্রিয়ঙ্কা সিংহ রায়। মার্শাল আর্টে দক্ষ এই ছাত্রীর কিক, পাঞ্চে ধরাশায়ী হয় উত্যক্তকারীরা। হরিয়ানার রোহতকেও দেখা গেল একই ধরনের ঘটনা। অটোরিকশায় অভব্য আচরণ করায় এক ট্র্যাফিক পুলিশকর্মীকে উচিত শিক্ষা দিলেন জাতীয় স্তরের এক ক্যারাটে খেলোয়াড়। ২১ বছরের এই তরুণী জানিয়েছেন, ‘বৃহস্পতিবার রাত আটটা নাগাদ অ্যাকাডেমি থেকে বাড়ি ফেরার অটোরিকশায় উঠি। কিছুক্ষণ পরে ওই অটোতেই ওঠেন এক ট্র্যাফিক পুলিশকর্মী। চালক এক জায়গায় অটো থামিয়ে দোকানে যান। এরই সুযোগে আমার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা করেন ওই ট্র্যাফিক পুলিশকর্মী। তিনি আমার মোবাইল নম্বর চান। আমার সঙ্গে অভব্য আচরণ করেন তিনি। এরপর আমি তাঁকে কয়েকবার পাঞ্চ করি। তিনি পালানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু আমি ধরে ফেলি। তাঁকে পালাতে দিইনি। অটোর চালক ফেরার পর আমি তাঁকে মহিলা থানায় যেতে বলি। খবর দেওয়ায় সেখানে আমার বাবাও চলে আসেন। কিন্তু পুলিশকর্মীরা আমাকে আপসে বিষয়টি মিটিয়ে নিতে বলেন। ওই ট্র্যাফিক পুলিশকর্মী আমার কাছে ক্ষমা চান।’ বৃহস্পতিবার রাতে ওই তরুণী ও তাঁর বাবা থানা থেকে বাড়ি চলে গেলেও, শুক্রবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই পুলিশকর্মীর ক্ষমা চাওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। এরপর পুলিশ এফআইআর করতে বাধ্য হয়। রোহতকের পুলিশ সুপার পঙ্কজ নৈন জানিয়েছেন, অভিযুক্ত কনেস্টেবলের নাম ইয়াসিন। তিনি ঝিন্দ জেলার বাসিন্দা। তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।
আরও পড়ুন
সেরা শিরোনাম
বিজ্ঞান
জেলার
ব্যবসা-বাণিজ্যের
ব্যবসা-বাণিজ্যের
























