Nepal Flash Flood: নেপাল-তিব্বত সীমান্তের হড়পা বানে মৃত্যু অন্তত ১৫৭ জনের, নিখোঁজ ১৩৩ ভারতীয় তীর্থযাত্রী, জারি উদ্ধারকাজ
Nepal Flash Flood Update: ধেযে আসছে সাক্ষাৎ মৃত্যু। দৌড়ে প্রাণ বাঁচানোর চেষ্টা করছেন সবাই। কিন্তু শেষ রক্ষা হল না। মুহূর্তের মধ্যে সব কিছু চলে গেল প্রকৃতির গ্রাসে। ভয়াবহ এই দৃশ্য।

নেপাল : নেপাল-তিব্বত সীমান্তে হওয়া হড়পা বানে অন্তত ১৫৭ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। এখনও পর্যন্ত নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ১৩৩ জন ভারতীয় তীর্থ যাত্রী যাঁরা কৈলাস মানস সরোবর যাচ্ছিলেন। নেপাল পুলিশ জানিয়েছে, ১৫৭টি দেহ উদ্ধার হয়েছে। উদ্ধারকারীরা বন্যাপ্রবণ এলাকা থেকে দুর্গত পরিবারগুলিকে সরিয়ে নেওয়ার কাজ করে চলেছে। নেপালের পর্যটন মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ৪০৩ জন পর্যটক বহু ঘণ্টা ধরে নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ৩৪১ জন বিদেশি। হড়পা বান হওয়ার পর থেকেই নিখোঁজ রয়েছেন এই পর্যটকরা। ৭৫০- র বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। বিদেশি পর্যটকদের পাশাপাশি ১৪২ জন ভারতীয় পর্যটকও নিখোঁজ রয়েছেন। জানা গিয়েছে, অস্ট্রেলিয়া, ব্রিটেন, মালিয়েশিয়া, নেদারল্যান্ড, পর্তুগাল, দক্ষিণ আফ্রিকা, দক্ষিণ কোরিয়া এবং মার্কিং যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা বিদেশি পর্যটকরা এসেছিলেন বলে জানানো হয়েছে নেপালের পর্যটন দফতরের তরফে।
দম্পতিকে টাকা ফেরাচ্ছেন বিজেপি যুব মোর্চার নেতা, কটাক্ষ করে পোস্ট কুণালের, সামনে এল কোন অভিযোগ
বুধবার সকাল ৯টা নাগাদ (নেপালের স্থানীয় সময়) ভূতকোশি নদীতে আচমকা হড়পা বান হয়। চিনে অতিভারী বৃষ্টির পাশাপাশি বুধবার সকালে ভূমিকম্প হয় তিব্বতে। তার জেরেই কি বিপর্যয় নেমে এল নেপালে? নেপাল প্রশাসন সূত্রে তেমনই খবর। ভূমিকম্পের জেরে জলাধার ফেটে নেমে আসে হড়পা বান। অন্যদিকে, ভূবিজ্ঞানীদের ধারণা, তিব্বত এলাকায় হিমবাহ ধসের কারণেই এই ভয়াবহ বন্যা। হড়পা বানে ক্ষতিগ্রস্ত ৬টি জেলা। ভেসে গিয়েছে একাধিক সেতু ও বাড়ি। হড়পা বানে ভয়ানক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাসুয়া, নুয়াকোট, ধাদিং, চিতওয়ান- সহ নেপালের ৬টি জেলা।
ধেযে আসছে সাক্ষাৎ মৃত্যু। দৌড়ে প্রাণ বাঁচানোর চেষ্টা করছেন সবাই। কিন্তু শেষ রক্ষা হল না। মুহূর্তের মধ্যে সব কিছু চলে গেল প্রকৃতির গ্রাসে। ভয়াবহ এই দৃশ্য হার মানাবে হলিউডের ছবিকেও। কাগজের মতো ভেসে গেল কংক্রিটের সেতু। কাদা-জল-পাথরের স্রোতে গিলে নিল বাড়ি, গাড়ি। জলপ্রলয়ে বিপর্যস্ত হল নেপাল। অথচ, বুধবার সকালে নেপালের কোথাও বৃষ্টির চিহ্নমাত্র ছিল না। ঝলমলে রোদের সঙ্গে ছিল ঝকঝকে নীল আকাশ। তখন সকাল ৯টা। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, হঠাৎ তীব্র গুড়গুড় শব্দ শুনতে পান তাঁরা। বাইরে বেরিয়ে দেখেন, বিস্ফোরণের ধোঁয়ার মতো কুণ্ডলী পাকিয়ে নেমে আসছে জলের স্রোত। প্রশাসন সূত্রে খবর, এদিন সকালে তিব্বত থেকে নেমে আসা ভূতকোশি নদীর জলস্তর আচমকা বৃদ্ধি পায়। হুড়মুড়িয়ে নেমে আসে হড়পা বান।
Before You Go
Hamidul Rahman News | 'গুন্ডা, মাফিয়া, বিধায়কের বিরুদ্ধে কেস রিওপেন করবেন', হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর






















