গুঁড়িয়ে ফেলা হচ্ছে নামজাদা আবাসনের ১২৮ টা ফ্ল্যাট ! অনেকগুলির মালিকানাই রাজ্যের বড় নেতাদের
অভিযোগ, এই ফ্ল্যাটগুলি প্ল্যানিংয়ের বাইরে গিয়ে তৈরি। ক্রাউন মিল কম্পাউন্ডের এই আবাসনের মোট ১২৮টি ফ্ল্যাট এই অভিযানের আওতায় এসেছে বলে সূত্রের খবর।

শহরের অভিজাত আবাসন ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার কাজ শুরু হল। এল বুলডোজার। সদলবলে পৌঁছলেন কর্পোরেশনের কর্মী ও আধিকারিকরা। মোট ১২৮টি ফ্ল্যাটকে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে বেআইনি নির্মাণ বলে। আর এই ফ্ল্যাটগুলির অনেকগুলির মালিকানাই রাজ্যের বড় বড় রাজনীতিকের। বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (বিএমসি)-এর এই পদক্ষেপে কার্যত নড়েচড়ে বসেছেন অনেকেই। শুরু হল মুম্বইয়ের অভিজাত আবাসন প্রকল্প রুস্তমজি ক্রাউন-এ 'অননুমোদিত নির্মাণ' ভেঙে ফেলার কাজ।
অভিযোগ মুম্বইয়ের এই ফ্ল্যাটগুলি প্ল্যানিংয়ের বাইরে গিয়ে তৈরি। ক্রাউন মিল কম্পাউন্ডের এই আবাসনের মোট ১২৮টি ফ্ল্যাট এই অভিযানের আওতায় এসেছে বলে সূত্রের খবর। কিন্তু কী নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়েছে ? বিএমসি সূত্রের খবর, এই আবাসনের এই ফ্ল্যাটগুলি বেআইনি ভাবে বাড়ানো হয়েছে। লিফটের চারপাশের সাধারণ ও খোলা জায়গা ফ্ল্যাটের আয়তন বাড়ানো হয়েছে। কয়েকজন ফ্ল্যাট মালিক এই সাধারণ জায়গাগুলিকে নিজেদের অ্যাপার্টমেন্টের সঙ্গে যুক্ত করে আয়তনে বাড়িয়েছেন। বিএমসির দাবি, সংশ্লিষ্ট নির্মাণগুলি অনুমোদিত নকশার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
আরটিআই কর্মী সন্তোষ দৌন্দকর এনডিটিভিকে জানিয়েছেন, ১২৮টি ফ্ল্যাটের মালিক লিফটের আশপাশের সাধারণ জায়গা দখল করে নির্মাণবিধি লঙ্ঘন করেছেন। অভিযোগ পাওয়ার পর বিএমসির জি-সাউথ ওয়ার্ডের সহকারী কমিশনার সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। এই সব সম্পত্তির মোট আনুমানিক মূল্য ২৫০ কোটি টাকারও বেশি। রুস্তমজি ক্রাউন প্রকল্পে মোট তিনটি টাওয়ার রয়েছে এবং প্রতিটি টাওয়ার ৬৩ তলা। এর মধ্যে দুটি টাওয়ার বিএমসির কাছ থেকে অকুপেন্সি সার্টিফিকেট পেয়েছে বলে জানা গেছে। ফ্ল্যাটগুলির মধ্যে কয়েকটি রাজনৈতিক নেতা, আমলা ও ব্যবসায়ীদের হাতে। এর মধ্যে মহারাষ্ট্রের ক্যাবিনেট মন্ত্রী সঞ্জয় রাঠোর এবং তাঁর স্ত্রী শীতল রাঠোরের ফ্ল্যাট রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
এছাড়াও প্রাক্তন রাজ্যমন্ত্রী দীপক কেশরকারের ফ্ল্যাটও এই প্রকল্পের আওতায়। ওই অ্যাপার্টমেন্টের জন্য কেশরকার মাসে প্রায় ৪.২০ লক্ষ টাকা ভাড়া দেন বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে প্রকাশ। বিধায়ক সদা সর্বঙ্করের ছেলে সমাধান সর্বঙ্করের ফ্ল্যাটও নাকি এই অভিযানের আওতায় । কয়েকজন শীর্ষ আমলা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ীর ফ্ল্যাট নিয়েও তদন্ত চলছে বলে খবরে প্রকাশ।
আরও পড়ুন : এতজন মুসলিম মহিলা পেয়েছেন অন্নপূর্ণার টাকা ! মমতার অভিযোগের জবাবে কী বললেন শুভেন্দু
Before You Go
Supreme Court: TMC ত্যাগী ২০ জন NCPI সাংসদকে নোটিস সুপ্রিম কোর্টের, দুই সপ্তাহ পর ফের মামলার শুনানি






















