ইরান তার পারমাণবিক উচ্চাশা থেকে সরে আসতে রাজি নয়, যা আমেরিকার মূল আপত্তির কারণ। আমেরিকা ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে দেবে না।
US Iran War : শান্তি বৈঠক ভেস্তে যেতেই ইরান দিল নতুন বার্তা, যুদ্ধের পথে ট্রাম্প ?
Iran US War : ফের কি একবার বৈঠকের পথে ইরান-আমেরিকা ? পাকিস্তান কিছুই করতে পারেনি ! এবার কে হতে পারে দুই দেশের মধ্যস্থতাকারী ?

- ইরান-আমেরিকা শান্তি বৈঠক: ২০ ঘণ্টার আলোচনাতেও সমাধান মেলেনি।
- আমেরিকা শর্ত চাপাতে চায়, ইরান তা মানতে নারাজ।
- ট্রাম্পের ঘোষণা: হরমুজ প্রণালীতে সব জাহাজের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ।
- ইরানের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা ছাড়তে আমেরিকা চায়, জানাচ্ছে ট্রাম্প।
Iran US War : ২০ ঘণ্টার শান্তি আলোচনাতেও সমাধানসূত্র মেলেনি। এবার আমেরিকা-ইরান শান্তি বৈঠক (US Iran Ceasefire) নিয়ে মুখ খুললেন ভারতে নিযুক্ত ইরানের কাউন্সিল জেনারেল সইদ রেজা মোসায়েব মোতলাগ। ফের কি একবার বৈঠকের পথে ইরান-আমেরিকা ? পাকিস্তান কিছুই করতে পারেনি ! এবার কে হতে পারে দুই দেশের মধ্যস্থতাকারী ?
ঠিক কী বলেছেন ইরানের প্রতিনিধি
এদিন মুম্বইতে ভারতে নিযুক্ত ইরানের কাউন্সিল জেনারেল বলেছেন, ''আমেরিকা যে কূটনৈতিক পদ্ধতি মেনে শান্তি আলোচনা করেছে, এটা তারই প্রতিফলন। আমেরিকা ইরানের ওপর শর্ত চাপিয়ে দিতে চায়। ইরান যদি ওদের শর্ত মেনে নিত, তাহলে ৪০ দিনের যুদ্ধের ধকল পোহাত না। আমরা যেমন নিজেদের ওপর বোঝা চাপাতাম না, ঠিক তেমনই পারস্য় উপসাগরের দেশগুলির ওপর সমস্য়া তৈরি হত না। পাশাপাশি এই পরিস্থিতির জন্য আমেরিকা বা জায়নবাদী ইজরায়েল ছাড়াও অন্যান্য দেশ অর্থনৈতিক সমস্যার মুখোমুখি দাঁড়াত না।
একটা বিষয় সবাইকে মাথায় রাখতে হবে, শুরু থেকেই ইরান বলে আসছে- তারা একটা স্বাধীন রাষ্ট্র। নিজেদের দেশের স্বার্থেই তারা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। স্বাভাবিকভাবেই আমরা আলোচনার জন্য প্রস্তুত ছিলাম। এখনও আমরা আলোচনার জন্য প্রস্তত রয়েছি। বিশ্বের কোনও শক্তির পক্ষ থেকেই আমাদের ওপর কোনও ধরনের নির্দেশ বা শর্ত চাপিয়ে দেওয়াকে আমরা মেনে নেব না।"
ট্রুথ সোশ্যালে বড় ঘোষণা ট্রাম্পের
এদিন নিজের সোশ্য়াল মিডিয়া প্লাটফর্মে ট্রাম্প বলেছেন, ''বিশ্বের সেরা মার্কিন নৌবাহিনী এখন থেকে হরমুজ প্রণালীতে সব জাহাজের প্রবেশ ও বাহির পথ আটকাবে। অবিলম্বে এই নির্দেশ কার্য়কর করতে বলা হয়েছে নৌবাহিনীকে।'' এই বলেই অবশ্য থেমে থাকেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তাঁর দাবি, অতীতে আন্তর্জাতিক হরমুজ প্রণালী খোলা রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েও সেখান থেকে সরে এসেছে ইরান। নতুন করে হরমুজের পাদদেশে মাইন বিছিয়ে রাখার খবরে জাহাজ মালিকদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। যে কারণে সেখান থেকে জাহাজ পথে বাণিজ্যে নতুন করে সমস্যা বাড়ছে।
শান্তি আলোচনায় সমাধানসূত্র বেরোল না কেন
পাকিস্তানের শান্তি আলোচনা নিয়ে আগেই মুখ খুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্প বলেছেন, অনেক আমেরিকার শীর্ষ আধিকারিক, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স ইরান-আমেরিকা শান্তি বৈঠক নিয়ে তাঁকে জানিয়েছেন। তারা বলেছেন, ২০ ঘণ্টার আলোচনায় বেশিরভাগ শান্তি চুক্তি নিয়ে দু-পক্ষই সহমত হয়েছে। যদিও মূল যে ইস্যু সেখানেই ইরান কোনও সমাধানের রাস্তায় যেতে চাইছে না।
কোথায় মূল আপত্তি আমেরিকার
এদিন শান্তি আলোচনা নিয়ে ট্রাম্প বলেন, ইরান তার পারমাণবিক উচ্চাশা থেকে সরে আসছে না। ওদের বুঝতে হবে, আমেরিকা দীর্ঘদিন ধরেই এই বিষয়ে অবস্থান পরিষ্কার করে দিয়েছে। ইরান কখনও পরমাণু অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না। বর্তমানে হরমুজে যাতায়াতের জন্য যারা ইরানকে অবৈধ টোল দিচ্ছে, তাদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করবে আমেরিকা। মার্কিন নৌবিহিনী শীঘ্রই হরমুজের তলদেশ থেকে মাইন সরিয়ে দেবে। ইরানের হরমুজ থেকে জাহাজ যাতায়াতের জন্য তেহরানের টোল আদায়কে ওয়ার্ল্ড এক্সটরশন বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
Before You Go
CM Suvendu Adhikari : আলোকসজ্জা, পুরকর্মীদের বকেয়া! আর কী জানালেন মুখ্যমন্ত্রী?
Frequently Asked Questions
ইরান-আমেরিকা শান্তি বৈঠকে কী নিয়ে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে?
ইরানের কাউন্সিল জেনারেল কেন মনে করেন যে আমেরিকা শান্তির নামে শর্ত চাপাতে চায়?
ইরানের কাউন্সিল জেনারেল মনে করেন, আমেরিকা ইরানের উপর শর্ত চাপিয়ে দিতে চায়। ইরান তাদের শর্ত মেনে নিলে ৪০ দিনের যুদ্ধের মতো সমস্যা তৈরি হতো।
আমেরিকা হরমুজ প্রণালীতে কী পদক্ষেপ নিতে চলেছে?
আমেরিকা হরমুজ প্রণালীতে সব জাহাজের প্রবেশ ও বাহির পথ আটকাবে। মার্কিন নৌবাহিনী হরমুজের তলদেশ থেকে মাইনও সরিয়ে দেবে।
ইরান-আমেরিকা শান্তি বৈঠকে কি কোনও সমাধান সূত্র বেরিয়েছে?
না, ২০ ঘণ্টার শান্তি আলোচনাতেও কোনো সমাধান সূত্র বের হয়নি। যদিও বেশিরভাগ শান্তি চুক্তি নিয়ে দুই পক্ষই সহমত হয়েছে।





















