Donald Trump: ভেনিজুয়েলায় কি নতুন করে নির্বাচন হবে? তৈলভাণ্ডার কাদের হাতে থাকবে? পরিকল্পনা জানালেন ট্রাম্প
US Attacks Venezuela: NBC-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প মুখ খুলেছেন।

নয়াদিল্লি: গভীর রাতে বোমাবর্ষণ, প্রেসিডেন্ট ও ফার্স্টলেডিকে বন্দি করে নিয়ে গেলেও, ভেনেজুয়েলার সঙ্গে যুদ্ধে যেতে আগ্রহী নন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আপাতত সেখানে নতুন করে নির্বাচন করানোও লক্ষ্য নয় তাঁর। তাহলে ভেনিজুয়েলা নিয়ে এখন করবেন কী তিনি? ভেনিজুয়েলায় স্থিতাবস্থা ফেরানোর থেকে পরিকাঠামোর উন্নয়ন ঘটনার কথা জানিয়েছেন যেমন, দেশের তৈলভাণ্ডার নিয়ে নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন। (US Attacks Venezuela)
NBC-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী ৩০ দিনের মধ্যে ভেনিজুয়েলায় নির্বাচন করানোর ভাবনা অবাস্তব। তাঁর বক্তব্য, “প্রথমে দেশটিকে ঠিক করতে হবে। মানুষ ভোট দিতে না পারলে, নির্বাচন করানো অর্থহীন।” তাই আগে ভেনিজুয়েলায় আইন-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে, দেশের অর্থনীতিকে দাঁড় করাতে হবে, যাতে আমেরিকার তৈল সংস্থাগুলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। (Donald Trump)
ভেনিজুয়েলার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এবং তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসের বিরুদ্ধে মাদক কারবার, বেআইনি অভিবাসন, বেআইনি ভাবে অস্ত্র মজুত করার মতো অভিযোগ তুললেও, সেদেশের তৈলভাণ্ডারের উপর যে আমেরিকার নজর রয়েছে, তা নিয়ে কোনও লুকোছাপা করেননি ট্রাম্প। বরং গোটা পৃথিবীর সামনেই ভেনিজুয়েলার তেলের উপর আমেরিকার কর্তৃত্ব কায়েম রাখার কথা জানিয়েছেন তিনি। ট্রাম্পের বক্তব্য, “সেবা-শুশ্রূষা করে দেশটিকে সুস্থ করে তুলতে হবে। প্রচুর টাকা খরচ হবে। তৈল সংস্থাগুলি টাকা খরচ করবে সেখানে। রাজস্বের মাধ্যমে আমরা তাদের ওই টাকা ফিরিয়ে দেব।”
ভেনিজুয়েলার সঙ্গে যুদ্ধের সম্ভাবনা খারিজ করেছেন ট্রাম্প। বরং মাদক কারবারীদের বিরুদ্ধেই লড়াই নেমেছেন বলে দাবি করেন। তাঁর কথায়, “যারা মাদক বিক্রি করে, তাদের সঙ্গেই লড়াই আমাদের। যারা নিজেদের জেলখানা খালি করে আমাদের দেশে লোক ঢুকিয়ে দেয়, যারা মাদকাসক্ত, মানসিক হাসপাতালের রোগীদের আমাদের দেশে ঢুকিয়ে দেয়, তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ আমাদের।”
ভেনিজুয়েলার বর্তমান পরিস্থিতির জন্য দেশের নেতৃত্বকেই কাঠগড়ায় তুলেছেন ট্রাম্প। মাদুরোর অনুপস্থিতিতে দেশের কার্যভার গ্রহণ করেছেন ডেলসি রডরিগেজ। কিন্তু মাদুরোকে বন্দি করা নিয়ে তাঁর সঙ্গে আগেভাগে কোনও কথা হয়নি বলে দাবি করেছেন ট্রাম্প। তবে ডেলসির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে কি না, তা খোলসা করেননি।
ভেনিজুয়েলায় পরিবর্তন ঘটানোর কথা বলেছেন ট্রাম্প। সেই পরিবর্তন ঘটানোর দায়িত্বও নিজেকে সঁপেছেন তিনি। জানিয়েছেন, আমেরিকার বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও ঝরঝরে স্পেনীয় ভাষা বলতে পারেন। সহযোগিতায় ছেদ পড়লে আমেরিকা ফের সামরিক পদক্ষেপও করতে পারে। আপাতত সামরিক পদক্ষেপের প্রয়োজন যদিও না পড়ে, তাও তাঁরা প্রস্তপত আছেন বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। আমেরিকার কংগ্রেসকে কিছু না জানিয়েই ট্রাম্প ভেনিজুয়েলায় সামরিক পদক্ষেপ করিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠতে শুরু করেছে। সেই নিয়ে বেশি কিছু বলেননি ট্রাম্প। শুধু জানান, কংগ্রেসের সমর্থন রয়েছে তাঁদের প্রতি।






















