Bhangar: দ্বিতীয় দফা ভোটের আগে বড় পদক্ষেপ! ভাঙড়ে বিস্ফোরণকাণ্ডে NIA-র হাতে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা
West Bengal Election: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক থেকে NIA-র হাতে তদন্তভার তুলে দেওয়া হয়। বিস্ফোরণকাণ্ডের পিছনে বড় ষড়যন্ত্র আছে, মনে করেছিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা।

ভাঙড়: রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার আগে বড়সড় পদক্ষেপ NIA-র। ভাঙড়ে চালতাবেড়িয়ায় বিস্ফোরণকাণ্ডে NIA-র হাতে গ্রেফতার ১ ব্যক্তি।
বিস্ফোরণে জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃত ওহিদুল ইসলাম মোল্লা ঘটনার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত, NIA সূত্রে খবর। গত ১৮ মার্চ ভাঙড়ের চালতাবেড়িয়ার পশ্চিম বামুনিয়া গ্রামে বোমা বাঁধতে গিয়ে বিস্ফোরণ হয়। বোমা বাঁধতে গিয়ে আহত হন তৃণমূলের বুথ সভাপতি মসিউর কাজি। ঘটনাস্থল থেকে ২৪ কিমি দূরে হাড়োয়ায় তৃণমূল নেতা মসিউর কাজির দেহ উদ্ধার হয়।
বোমা বাঁধতে গিয়ে বিস্ফোরণ হয়েছিল, দাবি তদন্তকারীদের।
আরও পড়ুন: বিরল ঘটনা আইপিএলে! কোন নিয়মে আউট রঘুবংশী? আম্পায়ারের সঙ্গে ঝামেলায় KKR কোচ
ঘটনায় ফেরার ছিল অভিযুক্ত ওহিদুল। গতকাল ফিরতেই তাকে মারধর করেন এলাকাবাসী। ধৃত ওহিদুল ইসলাম ভাঙড়ের তৃণমূল নেতা। বোমা বাঁধার অভিযোগের পাশাপাশি বিস্ফোরণের পর তথ্য প্রমাণ লোপাটের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
আরও পড়ুন: বৈভবের ব্যাটে AI চিপ! পরীক্ষা করা হোক, চাঞ্চল্যকর দাবি, ক্রিকেট বিশ্বে ঝড় উঠল বলে
ঠিক কী ঘটেছিল ভাঙড়ে?
মার্চ মাসে ভাঙড়ে বোমা বিস্ফোরণ হয়। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হাড়োয়ায় উদ্ধার করা হয় তৃণমূল নেতার ক্ষতবিক্ষত দেহ। এর ৬ দিনের মাথায়, রহস্যের কিনারা করে ফেলে বিজয়গঞ্জ থানার পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি ছিল, বোমা বাঁধতে গিয়েই, বিস্ফোরণে মৃত্যু হয় মসিউর কাজির। দেগঙ্গার গাংনিয়া এলাকার ১৭৮ নম্বর বুথের তৃণমূল সভাপতি ছিলেন তিনি। এই ঘটনায় সঞ্জয় মণ্ডল নামে এক অ্যাম্বুল্যান্স চালককে আগেই গ্রেফতার করেছিল পুুলিশ।
ভাঙড়ের চালতাবেড়িয়ার পশ্চিম বামুনিয়া গ্রাম বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠেছিল। কয়েক ঘণ্টা পর, উত্তর চব্বিশ পরগনার হাড়োয়ায় রাস্তার ধারে, তৃণমূলের বুথ সভাপতি মসিউর কাজির দেহ উদ্ধার করা হয়। প্রশ্ন ওঠে, এই দুই ঘটনার মধ্যে কি কোনও যোগসূত্র আছে? তদন্তে নামে বিজয়গঞ্জ থানা। পুলিশ সূত্রে দাবি, তদন্তে উঠে এসেছে, ভাঙড়ের পশ্চিম বামুনিয়া গ্রামে, সহযোগী সঞ্জয় মণ্ডলকে নিয়ে বোমা বাঁধছিলেন তৃণমূল নেতা মসিউর কাজি। সেই সময়, কোনওভাবে বিস্ফোরণ হলে গুরুতর জখম হন তাঁরা।
অভিযোগ, জখম অবস্থায়, দুজনকে অ্যাম্বুল্যান্সে করে নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছিলেন বাকিরা। পথেই মৃত্যু হয় মসিউরের। সুযোগ বুঝে, হাড়োয়ার ঝুঝুরগাছার কাছে, তৃণমূল নেতার দেহ ফেলে পালিয়ে যায় অন্যরা। কিছুটা পথ পেরনোর পর জখম অবস্থায় সঞ্জয় মণ্ডলকে হাতেনাতে পাকড়াও করে পুলিশ। তাঁকে বসিরহাট জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। খুন নয়, বোমা বাঁধতে গিয়েই, বিস্ফোরণে তৃণমূলের বুথ সভাপতি মসিউর কাজির মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যায়।
তারপরই তদন্তের দায়িত্বভার নেয় NIA। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক থেকে NIA-র হাতে তদন্তভার তুলে দেওয়া হয়। বিস্ফোরণকাণ্ডের পিছনে বড় ষড়যন্ত্র আছে, মনে করেছিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। এবার বড় পদক্ষেপ করল তারা।






















