মায়াবি দৃষ্টি, দ্বর্থ্যপূর্ণ অভিব্যক্তির অর্থ খুঁজতে সেই কবে থেকে মাথা খুঁড়ে চলেছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশ্বের সর্বাধিক আলোচিত শিল্পকর্ম ‘মোনালিসা’-কেই বিকৃত করার চেষ্টা, তাও আবার ল্যুভর মিউজিয়ামে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে।
2/10
প্যারিসের ল্যুভর মিউজিয়ামে সংরক্ষিত লিওনার্দো দা ভিঞ্চির সৃষ্টি ‘মোনালিসা’। রবিবার সেখানেই এক যুবক ছবিটিকে বিকৃত করার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ।
3/10
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বরাবরের মতো ছুটির দিনে মিউজিয়ামে ভিড় জমিয়েছিলেন মানুষ। প্রবীণার বেশ ধরে, মাথায় পরচুল পরে, ঠোঁটে লিপস্টিক লাগিয়ে, হুইলচেয়ারে বসে ঢুকে পড়েন অভিযুক্তও। সকলে যখন ‘মোনালিসা’র সৌন্দর্য উপভোগে ব্যস্ত, সেই সময অভিযুক্ত এই ঘটনা ঘটান বলে জানা গিয়েছে।
4/10
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, আচমকা হুইল চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়ান অভিযুক্ত। কাচের ফ্রেমে বাঁধিয়ে রাখা ছবিটিতে এলোপাথাড়ি ঘুষি মারতে থাকেন। তাতেও কাজ না হওয়ায় ব্যঙ্গের সুরে বলে ওঠেন, “মোনালিসা কেক খাবে না!” এর পরই ক্রিমসুদ্ধ কেক নিয়ে ছবির উপর লেপে দেন তিনি।
5/10
আচমকা এমন ঘটনায় কার্যত বাকরুদ্ধ হয়ে যান সকলে। প্রথম ১০-১৫ সেকেন্ড কেউ নড়তে পারেননি। সম্বিত ফিরতেই নিরাপত্তারক্ষীরা ছুটে আসেন। অভিযুক্তকে টেনে-হিঁচড়ে বার করে নিয়ে যান তাঁরা। কিন্তু তখনও ঘোর কাটেনি কারও। এর পর মিউজিয়ামের এক কর্মী কাপড় নিয়ে ছবিটি পরিষ্কার করতে এগিয়ে আসেন।
6/10
অভিযুক্ত ওই যুবককে আটক করেছে পুলিশ। তাঁকে আপাতত মনোরোগ বিভাগে রাখা হয়েছে তাঁকে। তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে ছবিটি কোনও রকমে রক্ষা পেয়েছে। কাচের ফ্রেমের মধ্যে ছবিটি থাকায়, সেটি নষ্ট হয়নি।
7/10
‘মোনালিসা’ দা ভিঞ্চির শুধু নয়, ইতালির নবজাগরণের সময়কার সেরা সৃষ্টি বলে গন্য। ল্যুভরের সবচেয়ে বড় ঘর সালে দেস ইতাৎসে সেটি রাখা আছে।
8/10
তবে বার বার ওই ছবিটির উপর আঘাত নেমে এসেছে। ১৯১১ সালে মিউজিয়ামের এক কর্মী ছবিটি চুরি করেন। ১৯৫৬ সালে বলিভিয়া নিবাসী উগো উনগাজা ছবিটিকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়েন। এমনকি ছবিটি লক্ষ্য করে অ্যাসিডও ছোড়া হয়।
9/10
তার পরই ছবিটিকে রক্ষা করতে মোটা কাচের ফ্রেমে সেটিকে ঢেকে রাখা হয়। তার পরেও রেহাই নেই ‘মোনালিসার’। রবিবার হামলার পর ছবিটি পরিষ্কার করা হলে হাততালি দিয়ে মিউজিয়াম কর্মীদের অভিনন্দন জানান সকলে।
10/10
নেটমাধ্যমে ওই দিনের ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। তাতে অভিযুক্তের প্রতি ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন সকলেই। তাঁর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া উচিত বলে জানিয়েছেন।