বর্তমানের স্বাস্থ্য সচেতন বাঙালি প্রায় সকলেই অসুখকে দূরে সরিয়ে রাখতে শরীরচর্চা করেন সকালে উঠে। সঙ্গে মেনে চলেন কঠিন ডায়েট চার্টও। কিন্তু সকালে হাঁটতে বেরনো বা জিমে গিয়ে ঘাম ঝরানো বা যোগ ক্লাসে যাওয়া ছাড়াও সঠিক ডায়েট মেনে চলা উচিত্ প্রত্যেকের। তবেই শরীর সুস্থ সবল থাকবে দীর্ঘদিন।
2/9
অনেকেই ভাবেন বেশি ঘুমালে মোটা হয়ে যাবেন। অনেকে আবার পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমানোর সময়ই পান না। কিন্তু জিমে বা যোগ সেন্টারে দীর্ঘসময় ঘাম ঝরানোর পর পর্যাপ্ত ঘুমানোও জরুরি। যথেষ্ট ঘুম না হলে স্ট্রেস বাড়ে। চোখেমুখে ক্লান্তি ছাপ পরে। স্ট্রেসের ফলেও অনেক সময় ওজন বাড়ে।
3/9
ডায়েট করার তাগিদে অনেকেই সলিড খাবার না খেয়ে শুধু জুস খেয়ে থাকেন। কিন্তু বাজার চলতি এই সমস্ত ফ্রুট জুসে প্রচুর পরিমাণের ক্যালোরি থাকে। থাকে সিন্থেটিক কালারও। তবে বাড়িতে তৈরি জুস খেলে সেই সম্ভাবনা কম।
4/9
ডায়েটে আয়রন যুক্ত খাবার অবশ্যই খান। আয়রনযুক্ত খাবার পেশীতে অক্সিজেনের ঘাটতি পূরণ করে। শরীরে অক্সিজেনের অভাব হলে মেটাবলিজম রেট কম হয়। ফলে দেহে ফ্যাট সঞ্চিত হয় বেশি।
5/9
ডায়েট থেকে কখনওই প্রোটিন বাদ দেওয়া উচিত্ নয়। ডায়েট চার্টে প্রচুর প্রোটিনযুক্ত খাবার রাখতে হবে।
6/9
বেশির ভাগ মানুষই ডায়েট শুরু করে রোজ ওজন মাপতে থাকেন। এতে বিশেষ লাভ হয় না। ফলে রোজ ওজন না মেপে নির্দিষ্ট একটা দিন স্থির করে নেওয়া উচিত ও সেই মতোই ওজন মাপা উচিত।
7/9
বেশিরভাগ সময়ই অনেকে অতিরিক্ত শরীরচর্চা করে ফেলে। ফলে ঘামও হয় বেশি। কিন্তু সেই মতো পর্যাপ্ত জল খাওয়া হয় না। সকালে হাঁটতে যাওয়ার আগে সঙ্গে অবশ্যই এক বোতল জল রাখতে হবে। শরীরের হজমশক্তি ঠিক রাখতে ও হাইড্রেটেড থাকতে জল একান্ত প্রয়োজনীয়।
8/9
দ্রুত মেদ ঝরাতে খাবার স্কিপ করার প্রবণতা আছে অনেকের মধ্যেই। কিন্তু এরফল হিতে বিপরীত হতে পারে। খুব বেশিক্ষণ খালি পেটে থাকলে মেটাবলিজম রেট কমে যায়। ফলে শরীরে ফ্যাট জমা হতে থাকে। তাই বেশিক্ষণ খাবার না খেয়ে থাকা কখনওই উচিত্ নয়।
9/9
তাড়াতাড়ি রোগা হতে গিয়ে অনেকেই ফ্যাট খাওয়া সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেন। কিন্তু শরীরের জন্য উপকারী ফ্যাটগুলো না খেলে স্বাস্থ্য ভেঙে যায় আস্তে আস্তে। তবে তার মানে এই নয় তৈলাক্ত খাবার খাওয়া শুরু করতে হবে। সকালে শরীরচর্চার পর সকলেরই উচিত্ পরিমিত পরিমাণের ফ্যাটযুক্ত খাবার খাওয়া।