World Boxing Campaign 2025: বিশ্ব বক্সিংয়ে নজরকাড়া সাফল্য, ঝুলিতে ছয়টি পদক ভারতের
World Boxing Campaign: ৬৫ কেজি বিভাগে ভারতের অবিনাশ জামওয়াল ফাইনালে উঠেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ফাইনালে হেরে রুপো জিতেই সন্তুষ্ট থাকতে হয় তাঁকে।

নয়াদিল্লি: বক্সিংয়ে বড় মঞ্চে সাফল্য ভারতের। বিশ্ব বক্সিং আন্তর্জাতিক মিটের আয়োজন করেছিল বিশ্ব বক্সিং অ্য়াসোসিয়েশন। যা চলতি বছর ব্রাজিলে আয়োজিত হয়েছিল। সেখান থেকেই ছয়টি পদক জিতেছেন ভারতীয় বক্সাররা। তার মধ্যে একটি সোনা ও একটি রুপো রয়েছে। বিশ্ব বক্সিং কাপে ভারতের প্রথম বক্সার হিসেবে সোনা জিতেছেন হিতেশ। ফাইনালে তাঁর প্রতিপক্ষ ছিলেন ইংল্যান্ডের ওদের কামারা। কিন্তু চোটের জন্য ৭০ কেজি বিভাগে ফাইনালে নামতেই পারেননি তিনি। যার জন্য ওয়াক ওভার পেয়ে যান হিতেশ।
৬৫ কেজি বিভাগে ভারতের অবিনাশ জামওয়াল ফাইনালে উঠেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ফাইনালে হেরে রুপো জিতেই সন্তুষ্ট থাকতে হয় তাঁকে। চারজন ভারতীয় বক্সার ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন। জাদুমানি সিংহ ৫০ কেজি বিভাগে, মণীশ রাঠোর ৫৫ কেজি বিভাগে, সচিন ৬০ কেজি বিভাগে ও বিশাল ৯০ কেজি বিভাগে জিতেছেন ব্রোঞ্জ।
প্য়ারিস অলিম্পিক্সের পর আন্তর্জাতিক মঞ্চে প্রথমবার খেলতে নামলেন ভারতের বক্সাররা। এবার বিশ্ব বক্সিং ক্যাম্পে মোট ১০জন প্রতিযোগীকে পাঠিয়ে ছিল ভারতীয় বক্সিং ফেডারেশন। বিশ্বমঞ্চে পদক জেতা ভারতীয় বক্সারদের নিঃসন্দেহে আত্মবিশ্বাসী করে তুলবে। আগামী ২০২৮ লস এঞ্জলেস অলিম্পিক্সের আগে এটি অবশ্যই ভারতীয় বক্সারদের বড় সাফল্য।
লখনউয়ের হয়ে গলা ফাটাতে ইডেনে তিন অলিম্পিয়ান
জন ম্যাকডোনাল্ড, পল ফিগলিওমেনি ও টড পিয়ারসেন। জন অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটার মিচেল মার্শের বন্ধু। মার্শ খেলছেন লখনউয়ের হয়ে। আগের ম্যাচেই মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে বিধ্বংসী হাফসেঞ্চুরি করে দলের জয়ের ভিত তৈরি করে দিয়েছিলেন। জাস্টিন ল্যাঙ্গারের বাল্যবন্ধু পল। স্কুলের সহপাঠীও। তবে টড পিয়ারসেনের পরিচয় জানলে অবাক হতে হয়। অলিম্পিক্সে জোড়া পদকজয়ী। ২০০০ সালে সিডনি অলিম্পিক্সে ৪ X ২০০ মিটার সাঁতারে সোনা জিতেছিলেন। সোনা জয়ের পথে কার সঙ্গে সাঁতার কেটেছেন? কিংবদন্তি ইয়ান থর্প (Ian Thorpe)। পরের এথেন্স অলিম্পিক্সেও অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সাঁতারে রুপোর পদক জিতেছিলেন টড। তিন বন্ধু ক্রিকেটের টানে ছুটে এসেছেন ভারতে। লখনউ সুপার জায়ান্টসের দুটি ম্যাচ দেখছেন আইপিএলে। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে ম্যাচে মাঠে ছিলেন। মঙ্গলবার ইডেনে কেকেআরের বিরুদ্ধে ম্যাচও দেখবেন।
এই মাঠেই স্টিভ ওয়র অস্ট্রেলিয়ার অশ্বমেধ রুখে দিয়েছিল সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের টিম ইন্ডিয়া, জানেন? প্রশ্ন শুনেই জন বললেন, 'সেই টেস্ট ম্যাচ কে ভুলতে পারে। খুব হতাশ হয়েছিলাম। রাহুল দ্রাবিড় ও ভি ভি এস লক্ষ্মণের ইনিংস এখনও চোখে ভাসে।' টিভিতে সেই ম্যাচ দেখেছিলেন জন। ইডেনে এই প্রথম এলেন।






















