Rohit Sharma: দেশের জার্সিতে অসামান্য অবদান, মাঠের বাইরে বিশেষ সম্মান পেলেন রোহিত
Rohit Sharma Updates: অজিঙ্ক ডি ওয়াই পাতিল বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে এই সম্মানে সম্মানিত করা হয়েছে। আগামী ২৪ জানুয়ারি এই সমাবর্তন অনুষ্ঠান রয়েছে।

পুণে: ২২ গজে অসামান্য অবদান। দেশের অধিনায়ক হিসেবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতেছিলেন। এবার মাঠের বাইরে অনন্য সম্মানে সম্মানিত হচ্ছেন রোহিত শর্মা। ডি. লিট পেতে চলেছেন রোহিত শর্মা। অজিঙ্ক ডি ওয়াই পাতিল বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে এই সম্মানে সম্মানিত করা হয়েছে। আগামী ২৪ জানুয়ারি এই সমাবর্তন অনুষ্ঠান রয়েছে। সেখানেই রোহিতকে সম্মানিত করা হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ''ভক্তরা তাঁকে হিটম্য়ান বলে সম্বোধন করেন। রোহিত শর্মাকে এই সমাবর্তন থেকে সম্মানিত করা হবে।'' এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে যে চক দে ইন্ডিয়া খ্যাত অভিনেত্রী যিনি ভারতীয় মহিলা হকি দলের ক্য়াপ্টেন হিসেবে অভিনয় করেছেন বিদ্যা মালভাড়েকে সম্মানিত করা হবে।
রোহিত শর্মা বর্তমানে টি-টোয়েন্টি ও টেস্ট ফর্ম্য়াটে আর খেলেন না। দেশের জার্সিতে শুধুমাত্র ওয়ান ডে ফর্ম্য়াটে খেলতে দেখা যায় হিটম্য়ানকে। অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্য়ান্ডের বিরুদ্ধে ওয়ান ডে সিরিজে ওপেনিং ব্যাটার হিসেবে দেখা গিয়েছে রোহিতকে। যদিও অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সেঞ্চুরি করার পরের দুটো সিরিজে সেভাবে ব্যাট হাতে জ্বলে উঠতে দেখা যায়নি। তবে ২০২৭ ওয়ান ডে বিশ্বকাপে ভাল পারফর্ম করে দেশকে বিশ্বকাপ জেতানোটাই মূল লক্ষ্য রোহিত শর্মার।
নিরাপত্তা বেষ্টনী টেক্কা দিয়ে রোহিতের কাছে পৌঁছে গেল এক মহিলা
ইনদওরে ভারত-নিউজিল্যান্ড তৃতীয় ওয়ান ডে ম্য়াচের পর টিম হোটেলে ফিরছিল ভারতীয় দল। সেখানেই আচমকা এক মহিলা এসে হাত ধরে টানার চেষ্টা করেন রোহিতকে। একটি ভিডিও ক্লিপ আরও ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে সেই মহিলা এক ছোট্ট বাচ্চাকে কোলে নিয়ে বক্তব্য রাখছেন ও জানাচ্ছেন যে কেন তিনি রোহিত শর্মার কাছে পৌঁছতে চেয়েছিলেন। আসলে তাঁর ছোট্ট বাচ্চা গুরুতর অসুখে অসুস্থ। যার জন্য ৯ কোটি টাকা প্রয়োজন। আর সেই টাকার সাহায্যের জন্যই রোহিতের কাছে আর্জি জানাতে গিয়েছিলেন তিনি। পরে ভিডিও ক্লিপে সেই মহিলা ক্ষমা চেয়ে জানিয়েছেন, ''আমার নাম সরিতা শর্মা। আমার মেয়ের নাম অনিকা। ও খুব সিরিয়াস একটা অসুখে ভুগছে দীর্ঘদিন ধরেই। আমাদের একটা ইঞ্জেকশন প্রয়োজন। যার খরচ প্রায় ৯ কোটি টাকা। আমেরিকা থেকে তা আনতে হবে। আমরা ছোট ছোট ক্যাম্পের আয়োজন করেছি বিভিন্ন জায়গায়। আমরা ৪.১ কোটি টাকা কোনওভাবে সংগ্রহ করতে পেরেছি। কিন্তু বাকি টাকা দ্রুত প্রয়োজন।''




















