Tilak Varma: ক্রাইস্টচার্চে কিউয়িদের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টি-২০ ম্যাচে বিশ্বরেকর্ড গড়লেন তিলক বর্মা
IND vs NZ: নীতীশ কুমার রেড্ডির সঙ্গে তিলক বর্মার রেকর্ড ৬৯ রানের অপরাজিত পার্টনারশিপে ভারতীয় দল এক বল বাকি থাকতেই নিউজ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টি-২০ ম্যাচ চার উইকেটে জিতে নেয়।

ক্রাইস্টচার্চ: নিউজ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে (IND vs NZ) দ্বিতীয় টি-২০ ম্য়াচে রুদ্ধশ্বাস ভঙ্গিমায় ম্যাচ জিতে সিরিজ়ে ২-০ এগিয়ে গিয়েছে ভারতীয় দল। টানটান ম্যাচে শেষ লগ্নে তিলক বর্মার (Tilak Varma) ২৬ বলে ৫১ রানের ইনিংস এবং নীতীশ কুমার রেড্ডির সঙ্গে তাঁর রেকর্ড ৬৯ রানের অপরাজিত পার্টনারশিপে ভারতীয় দল এক বল বাকি থাকতেই চার উইকেটে ম্যাচ জিতে নেয়। এই ম্যাচেই ইতিহাস গড়ে ফেললেন তিলক।
কিউয়িদের বিরুদ্ধে ক্রাইস্টচার্চে নিজের অনবদ্য ইনিংসে দলকে জিতিয়ে ম্যাচসেরা হলেও, নিজের ব্যাটিং নয়, বরং ফিল্ডিংয়ের সুবাদে বিশ্বরেকর্ড গড়লেন তিলক। সপ্তাহান্তে ম্য়াচে দুইটি ক্যাচ ধরেন তিলক। এই দুই ক্যাচ মিলিয়ে চলতি বছরে আন্তর্জাতিক টি-২০ ক্রিকেটে মোট ২৬টি ক্যাচ ধরে ফেললেন ভারতীয় তারকা। এটাই এক বছরে কোনও ফিল্ডারের আন্তর্জাতিক টি-২০-তে ধরা সর্বাধিক ক্যাচের রেকর্ড।
তিলক ইন্দোনেশিয়ার ডেনিলসন হাউয়ের রেকর্ড ভাঙলেন। ডেনিলসন এক বছরে ২৫টি ক্যাচ ধরে এতদিন শীর্ষে ছিলেন। তবে সেই কৃতিত্ব এখন তিলকের দখলে। ফিল্ডিংয়ে এই ইতিহাস গড়ার পরে তিলক ব্যাট হাতেও দলকে জেতান। এক্ষেত্রে তাঁকে ম্যাচের আগেই ভারতের প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর এবং ব্যাটিং কোচ সীতাংশু কোটাক ভরসা জোগান বলে জানিয়েছেন তিলক।
আরও পড়ুন:- রুদ্ধশ্বাস ম্যাচ জিতেও ভারতীয় শিবিরে ধাক্কা, রিপোর্ট অনুযায়ী তৃতীয় টি-২০ ম্যাচেও নেই ঈশান কিষাণ
তাঁকে বলতে শোনা যায়, 'পাঁচ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর আমি খালি ইনিংসের শেষ অবধি খেলার কথা ভাবছিলাম। আজকের ম্যাচের আগেই তো আমি গৌতম স্যর আপ সীতাংশু কোটাক স্যরের সঙ্গে কথা বলছিলাম। ওঁরা একটাই কথা বলেছিলেন যে ওঁদের আমার প্রতি আস্থা রয়েছে এবং গোটা দেশ আমায় ভরসা করে। আমি শেষ অবধি টিকে থাকলে দলকে ম্যাচ জেতাব। সে কথাটাই আমার মাথায় ঘোরাফেরা করছিল। তাই ম্যাচটা যতটা গভীরে সম্ভব টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলাম এবং তারপর তো সকলের ভরসার মর্যাদা দিই। সত্যি বলতে আমি নিজের জন্য বেশ গর্বিত।'
আজকের ম্যাচে ভারতীয় ব্যাটার মূলত কিউয়ি স্পিনাররাই বিপাকে ফেলছিলেন। মিচেল স্যান্টনারের চার উইকেটে ভারতীয় ইনিংস ছন্নছাড়া হয়ে যায়। সেই পরিস্থিতিতে তিলক কোন পরিকল্পনা নিয়ে স্পিনারদের বিরুদ্ধে খেলছিলেন? 'যতদূর মনে পড়ছে আমরা স্পিনারদের বিরুদ্ধে চার বা পাঁচবার দুই রান করে নিই। ওই আট থেকে দশ রানটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ওই সময়টা বেশ বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে খেলেছি আমরা। আর পরে তো ফাস্ট বোলারদের বিরুদ্ধে ছয়, চার মারতেই পারতাম। এই বড় মাঠে বলে গতির প্রয়োজন ছিল। সেটারই অপেক্ষায় ছিলাম আমরা এবং তেমনভাবেই শেষটা দুরন্ত করি,' দাবি তিলকের।




















