FIFA World Cup 2026: ফাইনালে দুই অর্ধে ২টি আলাদা বল! এক হাত বাদ যাওয়া তারকার গোলে ফয়সালা! বিশ্বকাপের অজানা গল্প
FIFA FOOTBALL WORLD CUP: বিশ্বকাপে প্রত্যেকবারই এমন কিছু ঘটনা ঘটে, যা ইতিহাসে জায়গা করে নেয়। সেরকমই এক গল্প বলার জন্য এই প্রতিবেদন।

বুয়েনস আইরেস: বিশ্বকাপ চলছে জোরকদমে। লিওনেল মেসি ও তাঁর নেতৃত্বাধীন আর্জেন্তিনার সামনে এবার মুকুটরক্ষার লড়াই। আর্জেন্তিনাকে কড়া টক্কর জানাতে তৈরি ফ্রান্স, স্পেন, ইংল্যান্ড, জার্মানি, ব্রাজ়িল, নেদারল্যান্ডসের মতো দল। এবারের বিশ্বকাপ আয়োজিত হচ্ছে আমেরিকা, কানাডা ও মেক্সিকোয়। বিশ্বকাপে ইতিমধ্যেই একটি ম্যাচ খেলে ফেলেছে আর্জেন্তিনা। হ্যাটট্রিক করেছেন মেসি। সব মিলিয়ে বিশ্বকাপের উন্মাদনা তুঙ্গে।
বিশ্বকাপে প্রত্যেকবারই এমন কিছু ঘটনা ঘটে, যা ইতিহাসে জায়গা করে নেয়। সেরকমই এক গল্প বলার জন্য এই প্রতিবেদন।
সাল ১৯৩০। সেবারই প্রথমবার আয়োজিত হয়েছিল বিশ্বকাপ ফুটবলের আসর। আর্জেন্তিনা ও উরুগুয়ের মধ্যে তখন প্রবল দ্বন্দ্ব। বিশ্বকাপ শুরুর আগেই ঠিক হয়েছিল যে, দুই দেশ নিজস্ব বল নিয়ে এসে খেলবে। তখনও পর্যন্ত বিশ্বকাপের জন্য আলাদা বলের বন্দোবস্ত করা হয়নি। ফলে আর্জেন্তিনা বিশ্বকাপে তাদের ম্যাচগুলি খেলে নিজেদের আনা বলে। উরুগুয়ে খেলে তাদের আনা বলে।
গোলমালটা বাঁধে অন্যভাবে। সেবার বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হয় এই দুই দলই। আর্জেন্তিনা বনাম উরুগুয়ে (Argentina vs Uruguay)। সেই একমাত্রবার বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল দক্ষিণ আমেরিকার দুই দল। সেই ম্যাচের আগে বেনজির বিতর্ক তৈরি হয়। কারণ, ফাইনাল খেলা হবে কোন দলের বলে, তার সমাধান করা যায়নি। মহা ফাঁপরে পড়ে আয়োজক সংস্থা।
শেষ পর্যন্ত অভিনব এক মীমাংসা করা হয়। যে গল্প পরে শুনিয়েছিলেন বেলজিয়ামের রেফারি জন ল্যাঙ্গেনাস। বলেছিলেন, 'দুই দেশের মধ্যে যে কী সাংঘাতিক ঘৃণা ছিল, তা বোঝা যায় ফাইনালের বল নির্বাচন করতে গিয়ে। দুই দলই দাবি করে, তাদের বল দিয়ে ফাইনাল খেলা হবে।' সেই ম্যাচের রেফারি ছিলেন জন ল্যাঙ্গেনাসই। তিনি ম্যাচ পরিচালনা করেছিলেন শার্ট, ব্লেজ়ার ও নিকারবকার্স পরে!
হস্তক্ষেপ করতে হয় তৎকালীন ফিফা প্রেসিডেন্ট জুলে রিমেকে (FIFA president Jules Rimet)। ঠিক হয়, ম্যাচের দুই অর্ধ খেলা হবে দুই বল দিয়ে। প্রথমার্ধ এক দলের বল দিয়ে, দ্বিতীয়ার্ধ অন্য দলের বল দিয়ে। তাতে ম্যাচের ফলাফলেও কি প্রভাব পড়েছিল?
আর্জেন্তিনা তাদের বল স্কটল্যান্ড থেকে আমদানি করেছিল। প্রথমার্ধ সেই বলেই খেলা হয়। বিরতি পর্যন্ত ২-১ গোলে এগিয়েছিল আর্জেন্তিনা। উরুগুয়ে তাদের বল এনেছিল ইংল্যান্ড থেকে। দ্বিতীয়ার্ধে খেলা হয় সেই বল দিয়ে। উরুগুয়ে দ্বিতীয়ার্ধে ৩ গোল করে। শেষ গোলটি করেন হেক্টর কাস্ত্রো (Hector Castro)। যাঁকে ডাকা হতো এল মানকো নামে। যার অর্থ, একহাতের মানুষ। একটি ইলেকট্রিক করাৎ দিয়ে ভুলবশত নিজেরই একটি হাত কেটে ফেলেছিলেন কাস্ত্রো। তিনিই ৪-২ করেন স্কোরলাইন।
আরও পড়ুন : ক্রীড়ামন্ত্রীর স্বচ্ছতার বার্তার দিনই ইডেনের টিকিট জালিয়াতি! বিতর্ক বেঙ্গল টি-২০ লিগে
Before You Go
FIFA World Cup 2026: মহাকাশে বিশ্বকাপের ফুটবল! ‘Trionda’ নিয়ে গবেষণা করছে NASA?






















