FIFA World Cup 2026: ফ্রান্স দলে অন্তর্দ্বন্দ্ব! ব্রোঞ্জ মেডেল ম্যাচ হেরে সতীর্থদের মানসিকতাকে দুষলেন ফরাসি তারকা
France vs England: ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তৃতীয় স্থান দখলের ম্যাচে ৬-৪ গোলে পরাজিত হয় ফ্রান্স। প্রথমার্ধে চার গোল হজম করে লা ব্লাঁ।

মায়ামি: স্পেনের মাস্টারক্লাসে নাগাড়ে তৃতীয়বার বিশ্বকাপ (FIFA World Cup 2026) ফাইনাল খেলার স্বপ্ন আগেই ধূলিসাৎ হয়েছিল। ইংল্যান্ডের কাছে (France vs England) হেরে বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থানও খোয়াল ফ্রান্স দল। ব্রোঞ্জ মেডেল ম্য়াচে হারের পরেই ক্ষোভে ফেটে পড়লেন ফরাসি তারকা ফুটবলার আদ্রিয়ান ব়্যাবিয়োঁ (Adrien Rabiot)। দুষলেন নিজের সতীর্থদেরই।
ম্যাচের আগে ফ্রান্স কোচ দিদিয়ের দেশঁ দাবি করেছিলেন তৃতীয় স্থান দখলের ম্যাচ কোনও দলই খেলতে চায়না। প্রথমার্ধে সত্যি বলতে ফ্রান্স তেমনই খেলছিল। সেমিফাইনাল ম্য়াচ থেকে একাদশে একগুচ্ছ বদল করে এদিন মাঠে নামা লা ব্লাঁ দলকে দেখে মনে হচ্ছিল তাঁরা হয়তো সত্যিই খেলতে হয় বলে খেলছে। ইব্রাহিমা কোনাটেদের গা ছাড়া মনোভাব প্রতিটি চ্যালেঞ্জে, প্রতিটি ট্যাকেলে ফুটে উঠছিল। এর লাভ তোলে ইংল্যান্ড। এক, দুই নয়, প্রথমার্ধে চার চারটি গোল করে ডেকলাইন রাইসরা। প্রথমবার বিশ্বকাপের ম্যাচে এক অর্ধে ফ্রান্সকে চার গোল হজম করতে হয়। দ্বিতীয়ার্ধে কিছু বদল ঘটানোর পর ফ্রান্স দুরন্ত লড়াই চালালেও, তা জয়ের জন্য যথেষ্ট ছিল না। ১০ গোলের থ্রিলারে তাদের ৬-৪ স্কোরলাইনে হারতে হয়।
এরপরেই ফরাসি মিডফিল্ডার আদ্রিয়ান ব়্যাবিয়োঁ সতীর্থদের কাঠগড়ায় তোলেন। প্রথমার্ধের পারফরম্যান্সের দিকেই ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, 'আমরা প্রথমার্ধটা অত্যন্ত লজ্জাজনকভাবে শুরু করি। কয়েকজন খেলোয়াড়দের মধ্যে এমন মানসিকতা দেখতে পাই যা এর আগে আমি কখনও দেখিনি। গোটা বিষয়টাই খুব হতাশাজনক ছিল, কারণ এটাই তো বিশ্বকাপে আমাদের শেষ ম্যাচ ছিল এবং এই ম্যাচে ভাল কিছু করার সুযোগ ছিল। স্পেন ম্যাচের পর ভীষণই হতাশ ছিলাম আমরা। তবে তা সত্ত্বেও আমাদের তো কাজ বাকি। এমন ছন্নছাড়াভাবে খেলাটা আমাদের মানায় না।'
আরও পড়ুন:- ১০ গোলের থ্রিলারে মেসিকে পিছনে ফেলে এমবাপের বিশ্বরেকর্ড, তাও সাকার সুবাদে তৃতীয় স্থান পেল ইংল্যান্ড
তিনি দাবি করেন এমন পারফরম্যান্সের পর হাফটাইমে খেলোয়াড়দের নিজেদের মধ্যেই খানিক ঝামেলা হয়, সম্মান পুনরুদ্ধারের দাবি উঠে। 'প্রথমার্ধ শেষে আমরা নিজেদের মধ্যে কথা বলি, নিজেদের বোঝাই যে আমাদের সম্মানহানি যাতে না হয়, সেটা সুনিশ্চিত করতে হবে এবং দ্বিতীয়ার্ধে আমাদের পারফরম্যান্সও তুলনামূলক অনেক ভাল হয়। তবে প্রথমার্ধে কয়েকজনের আচরণ একেবারেই গ্রহণযোগ্য ছিল না।' দাবি ব়্যাবিয়োঁর।
এদিন ফ্রান্স পরাজিত হলেও অবশ্য দলের দুই তারকা ফুটবলার কিলিয়ান এমবাপে ও মাইকেল ওলিজ়ে বিশ্বরেকর্ড গড়েন। এমবাপে জোড়া গোল করে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে মেসিকে পিছনে তো ফেলেনই, পাশাপাশি বিশ্বকাপে সর্বকালের সর্বাধিক গোল করার ক্ষেত্রেও মেসির থেকে এগিয়ে যান তিনি। অপরদিকে, এমবাপের দুই গোলে অ্যাসিস্ট দিয়ে পেলের রেকর্ড ভেঙে এক বিশ্বকাপে সর্বাধিক সাতটি অ্যাসিস্ট দেওয়ার কৃতিত্ব নিজের নামে করেন ওলিজ়ে। তাও বিশ্বকাপের শেষটা হতাশাজনকভাবেই করে ফ্রান্স।






















