স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, শেষে সর্প-বিশারদ স্টিভ কেলার গিয়ে সাপটিকে উদ্ধার করেন। জানা যায়, সাপটি কারও পোষ্য ছিল। কোনওভাবে সেটি পালিয়ে যায়। তবে, তা ফেরত দেওয়া হবে না। কারণ, কানাডার নিয়ম অনুযায়ী, বাড়িতে ভিনদেশী জীবজন্তু রাখার অনুমতি দেওয়া হয় না।
2/5
পুলিশ জানায়, প্রথমে ভাবা হয়েছিল সাপটি বার্মিজ পাইথন। পরে জানা যায়, সেটি বল পাইথন প্রজাতির। ইঞ্জিন ও স্কিড প্লেটের মধ্যে সেটি কোনওভাবে ঢুকে পড়ে।
3/5
পুলিশ তাদের ফেসবুকে লেখে, দুজন পুলিশ অফিসার গাড়ির ইঞ্জিনের মধ্য থেকে পাইথনটিকে বের করার চেষ্টা করে। একজন অফিসার সাপটিকে শক্ত করে ধরে। কিন্তু, তাতেও ওই জীবকে বাগে আনা সম্ভব হচ্ছিল না। কারণ, প্রাণীটি অত্যন্ত শক্তিশালী।
4/5
সঙ্গে সঙ্গে তিনি পুলিশে ফোন করেন। পুলিশ আবার মেকানিক ডেকে নেয়। পরে অমরো পুলিশ সেই ঘটনার ছবি শেয়ার করে। সেখানে তারা জানায়-- বুধবার, সন্ধ্যে পৌনে সাতটা নাগাদ, পুলিশের কাছে ফোন আসে। মূলত গাড়ি বিগড়ে যাওয়ার জন্য সাহায্য চাওয়া হয়েছিল। পরে, মহিলা জানান, তাঁর গাড়ির মধ্যে সাপ রয়েছে।
5/5
নিজের এসইউভি নিয়ে বেশ সমস্যায় পড়েছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উইসকন্সিন-নিবাসী এক মহিলা। রাস্তায় চলতে চলতে গাড়ির ইঞ্জিন অদ্ভূত আচরণ করছিল। অন্যরকম আওয়াজ হচ্ছিল। রাস্তার ধারে গাড়ি দাঁড় করিয়ে পরীক্ষা করতে গিয়ে মহিলা যা দেখেন, তাতে তিনি স্তম্ভিত হয়ে যান। গাড়ির ইঞ্জিনের হুড খুলতেই মহিলা দেখেন, সেখানে পেঁচিয়ে রয়েছে ৪-ফুটের পাইথন।