Hyundai Venue Diesel: E20 পেট্রোল নিয়ে টানটানির সময় ডিজেল কি ফিরছে মূল ধারায়? হুন্ডাই ভেন্যু ডিজেল কতটা নির্ভরতা দেয়?
Diesel or E20 Petrol: অনেকেই বিকল্প জ্বালানির দিকে ঝুঁকছেন। আর তার মধ্যেই ডিজেল ট্রান্সমিশনের চাহিদাও বাড়ছে। এই ক্ষেত্রে সাব ফোর মিটার SUV বিভাগে অন্য সংস্থার গাড়ির থেকে বেশ কিছুটা এগিয়ে রয়েছে ভেন্যু।

কলকাতা: পেট্রোল নিয়ে দেশের মানুষ একপ্রকার অনিশ্চয়তার মধ্যে। সরকারের এই বিষয়ে বিভিন্ন নির্দেশিকার পরও সাধারণ মানুষ নিশ্চিন্ত হতে পারছেন না। আর সেই কারণেই অনেকেই বিকল্প জ্বালানির দিকে ঝুঁকছেন। আর তার মধ্যেই ডিজেল ট্রান্সমিশনের চাহিদাও বাড়ছে। আর এই পরিস্থিতিতে সাব ফোর মিটার এসইউভি বিভাগে অন্য সংস্থার গাড়ির থেকে বেশ কিছুটা এগিয়ে রয়েছে হুন্ডাই ভেন্যু। যদিও কিয়া, টাটা ও মাহিন্দ্রাও খুব বেশি পিছিয়ে নেই এই লড়াইয়ে। আর এই পরিস্থিতিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে এই গাড়ি আসলে দীর্ঘমেয়াদে কেমন সার্ভিস দেয়, সেটা।
আরও পড়ুন: অবশেষে তৈরি লাইন, ৭ টার দিকে ট্রায়াল রান হল নিউ ফারাক্কায়, ট্রেন চালু নিয়ে কী জানাল পূর্ব রেল?
নতুন ভেন্যু-তে রয়েছে ১.৫ লিটারের ডিজেল ইঞ্জিন। এ ছাড়াও এই গাড়িটিতে রয়েছে ৬-স্পিড টর্ক কনভার্টার অটোম্যাটিক গিয়ারবক্স। এই ইঞ্জিনের সঙ্গে এই গিয়ারবক্সের বিকল্প খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তার কারণ সাব ফোর মিটার গাড়ির ক্ষেত্রে ডিজেলের সঙ্গে এমন পূর্ণাঙ্গ অটোম্যাটিক গিয়ারবক্সের বিকল্প খুব বেশি নেই।
গাড়ি চালু করার পর যদি শোনা হয়, তাহলে ডিজেল ইঞ্জিনের শব্দ বেশি শোনা যাবে না। জোরে চালালে কিছুটা স্বাভাবিক ভাবেই ডিজেল ইঞ্জিনের শব্দ শোনা যাবে। যদিও সব মিলিয়ে খুব জোরে শব্দ শোনা যায় না এই গাড়িতে। এই গাড়ির পাওয়ার ডেলিভারিও বেশ স্মুথ ও লিনিয়ার। প্রচলিত ডিজেল ল্যাগ বা হঠাৎ মাঝারি গতিতে অতিরিক্ত টান অনুভূত হয় না। ফলে গাড়িটি চালানো বেশ আরামদায়ক।
হাইওয়েতে বেশি গতিতে দীর্ঘক্ষণ ক্রুজ করার ক্ষেত্রেও এই ভেন্যু স্বচ্ছন্দ। গাড়ির আকার ছোট হলেও চালকের আসনে বসলে গাড়ির ছোট সাইজ মনে হয় না। এই গাড়িটিতে ড্রাইভ মোড, স্টিয়ারিং প্যাডেল ও টেরেন মোডও রয়েছে। ৪৫ লিটারের ফুয়েল ট্যাঙ্কে পরীক্ষায় প্রায় ১২ কিমি প্রতি লিটার মাইলেজ পাওয়া গেছে, যেখানে সংস্থা বলে এই গাড়ির মাইলেজ প্রায় ১৮ কিমি প্রতি লিটার। এ ছাড়াও গাড়িতে DEF টপ-আপের প্রয়োজনও রয়েছে।
নতুন প্ল্যাটফর্মের কারণে রাইড ও হ্যান্ডলিং আগের তুলনায় উন্নত হয়েছে। গাড়িটি আরামদায়ক, স্থিতিশীল এবং চালানো সহজ। পর্যাপ্ত গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্সের পাশাপাশি যথেষ্ট রাগডও মনে হয়।
তবে টপ-এন্ড ডিজেল অটোম্যাটিকের দাম ১৫ লক্ষ টাকার বেশি। অর্থাৎ এই গাড়ি সাধারণ মডেলের থেকে বেশ দামি। তবু দীর্ঘপথে নিয়মিত হাইওয়ে চালানো এবং অটোম্যাটিকের সুবিধা চাইলে ভেন্যু ডিজেল অটোম্যাটিক এখনও যথেষ্ট যুক্তিযুক্ত বিকল্প।























