PM Fasal Bima Yojana : ফসলের ক্ষতি হলে টাকা দেবে সরকার, রয়েছে প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনা, কী কী সুবিধা পাবেন আপনি ?
Pradhan Mantri Fasal Bima Yojana : এতে ভূমিকম্প, খরা, বন্যা, ঘূর্ণিঝড়ে ফসল নষ্ট হলে পাশে দাঁড়াবে সরকার। কৃষকরা পাবেন আর্থিক সাহায্য।

Pradhan Mantri Fasal Bima Yojana : কৃষকদের আর্থিক ক্ষতি থেকে বাঁচাতে কেন্দ্রীয় সরকারের রয়েছে প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনা (PM Fasal Bima Yojana)। এতে ভূমিকম্প, খরা, বন্যা, ঘূর্ণিঝড়ে ফসল নষ্ট হলে পাশে দাঁড়াবে সরকার। কৃষকরা পাবেন আর্থিক সাহায্য। জেনে নিন, কী কী সুবিধা পাওয়া যাবে এই যোজনায়।
কোন সরকারি সাইটে আবেদন করতে হবে ?
কৃষকরা এই যোজনার সুবিধা পেতে সরকারের pmfby.gov.in ওয়েবসাইটে আবেদন করতে হবে কৃষকদের। এখানে ফসল খারাপের বিষয়ে জানাতে পারবেন কৃষকরা। পাশাপাশি ক্ষতিপূরণের বিষয়েও আবেদন করতে পারবেন। পরবর্তীকালে সরকার কৃষকদের যোগ্য মনে করলে সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে প্রাপ্য ক্ষতিপূরণ বাবদ টাকা ডিরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার (DBT)-র মাধ্যমে অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে। কৃষকরা চাইলে এই বিষয়ে আবেদনের পর তাদের স্ট্যাটাস অনলাইনে দেখতে পারবেন।
প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনা আসলে কী ?
এই বিমা যোজনা অনুযায়ী কৃষকরা নীচে বর্ণিত সুবিধাগুলি পেয়েছে থাকেন। ২০২৬ সালের অগাস্ট পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনার নিয়ম অনুসারে, কোনও কৃষক ভূমিকম্প, খরা, বন্যা, ঘূর্ণিঝড়ে,শিলাবৃষ্টি, কীটপতঙ্গ, রোগবালাই, বীজ বপনে বাধা, স্থানীয় পর্যায়ের দুর্যোগ, খেতে জল জমার কারণে ফসলের ক্ষতি হলে সামগ্রিক সুরক্ষা পাবেন। এ ছাড়াও অসময়ে বৃষ্টিপাত, ফসলে তোলার পর কোনও কারণে ক্ষতি হলেও তার জন্য আর্থিক সুরক্ষা দেওয়া হয়ে থাকে এই স্কিমে।
কীসের ভিত্তিতে এই ক্ষতিপূরণ
প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনায় এক দেশ, এক ফসল, এক প্রিমিয়াম নীতি নিয়েছে সরকার। যা সারা দেশে অভিন্ন প্রিমিয়ামের নীতি নির্ধারণ করেছে। ২০২৭ অর্থবর্যে কৃষকদের আর্থিক সাহায্য় করতে ১২,২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে সরকার। বর্তমানে ২০২৬ খারিফ মরশুমে ২৫টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এই যোজনা বাস্তবায়িত হচ্ছে।
কতজন ক্ষতিপূরণের টাকা পেয়েছে ?
গত ১০ বছর ধরে ৯২.৪৬ কোটি কৃষক এই বিমার আওতায় আবেদন করেছেন। ইতিমধ্য়েই ২৬.৩৩ কোটি কৃষক এই সুবিধা পয়েছে। যা দিতে গিয়ে সরকারের ২.০৬ লক্ষ কোটি টাকা ইতিমধ্যেই খরচ হয়েছে।
কী কী সুবিধা
এই প্রধানমন্ত্রী ফসল বিমা যোজনায় কৃষকরা কম মূল্যের প্রিমিয়ামে ফসলের বিমার সুবিধা পাবেন। এই ক্ষেত্রে কৃষকদের সর্বোচ্চ প্রিমিয়াম হবে খারিফ শস্য ও তৈলবীজের জন্য ২ শতাংশ। রবি খাদ্য ও তৈলবীজ ফসলের জন্য প্রিমিয়াম পড়ে ১.৫ শতাংশ। এর পাশাপাশি বার্ষিক বাণিজ্যিক বা বাগান চাষের জন্য এটি ৫ শতাংশ নেওয়া হয়। ঝুঁকিভিত্তিক প্রিমিয়ামের অবশিষ্ট অংশ (৯৫ শতাংশ থেকে ৯৮.৫ শতাংশ ) কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার যৌথভাবে ৫০:৫০ অনুপাতে বহন করে। তবে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর ক্ষেত্রে (খরিফ ২০২০ মরশুম থেকে) এবং হিমালয় অঞ্চলভুক্ত রাজ্যগুলির ক্ষেত্রে (খরিফ ২০২৩ মরশুম থেকে) এই ব্যয়ের ভাগ ৯০:১০ অনুপাতে নির্ধারিত হয়।






















