New GST Slab : নতুন জিএসটি সংস্কারে কী কী সস্তা ও দামি হবে, কার পকেটে পড়বে টান ?
GST Council Meeting : কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের (Nirmala Sitharaman) নেতৃত্বে চলছে দুদিনের এই বৈঠক। সভা শেষেই জানা যাবে, কোথায় কত শতাংশ জিএসটি লাগবে নতুন নিয়ম অনুসারে।

GST Council Meeting : প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) ১৫ অগাস্টে আগেই বার্তা দিয়েছিলেন। নতুন করে জিএসটি সংস্কারের (GST Reforms) কথা শুরু হয়েছিল তখনই। আজ থেকে শুরু হয়েছে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের বৈঠক। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের (Nirmala Sitharaman) নেতৃত্বে চলছে দুদিনের এই বৈঠক। সভা শেষেই জানা যাবে, কোথায় কত শতাংশ জিএসটি লাগবে নতুন নিয়ম অনুসারে।
কী গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত
জিএসটি কাউন্সিলের দুই দিনের বৈঠক ৩ সেপ্টেম্বর শুরু হয়েছে। এই বৈঠকটি নির্ধারিত সময়ের আগেই ডাকা হয়েছে এবং জিএসটি সংস্কারের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বর্তমানে জিএসটি ব্যবস্থায় চারটি স্ল্যাব রয়েছে, তবে কাউন্সিল এই কাঠামো সরলীকরণের কথা বিবেচনা করছে।
কী কী পরিবর্তনের প্রস্তাব
এই আলোচনার মূল বিষয়ে থাকছে ৯৯% পণ্য, যা বর্তমানে ১২% স্ল্যাবে রয়েছে। এই কাঠামোই ৫% স্ল্যাবে স্থানান্তরিত করার কথা বলা হচ্ছে। এ ছাড়া, প্রায় ৯০% পণ্য যা বর্তমানে ২৮% জিএসটি স্ল্যাবে অন্তর্ভুক্ত, ১৮% স্ল্যাবে আনার কথা বিবেচনা করা হবে। লাল কেল্লা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঘোষণার কথা মাথায় রেখে সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
কী কী জিনিস সস্তা হতে পারে :
যদি জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে ১২% এবং ২৮% স্ল্যাব বাদ দেওয়া হয় এবং এই জিনিসগুলিকে ৫% এবং ১৮% স্ল্যাবে আনা হয়, তাহলে এই জিনিসগুলির দাম কমতে পারে:
*১২% থেকে ৫% স্ল্যাবে পড়া পণ্য
প্রক্রিয়াজাত খাদ্য পণ্য (যেমন প্যাকেটজাত মিষ্টি, নোনতা, টমেটো সস, পাপড় ইত্যাদি)
তৈরি পোশাক ও জুতো
গৃহস্থালীর জিনিসপত্র (যেমন ওয়াশিং পাউডার, ব্রাশ, ফ্যান ইত্যাদি)
আসবাবপত্র, প্লাস্টিক পণ্য ও বৈদ্যুতিক আনুষাঙ্গিক পণ্য
*২৮% থেকে ১৮% স্ল্যাবে পড়া পণ্য
গৃহস্থালীর ইলেকট্রনিক্স (যেমন টিভি, ফ্রিজ, এসি, ওয়াশিং মেশিন)
দুই চাকার গাড়ি এবং গাড়ি (মাঝারি অংশ)
প্রসাধনী পণ্য এবং সুগন্ধি
রং, সিমেন্ট এবং নির্মাণ সামগ্রী
কী কী জিনিস দামি হবে
সংবাদ মাধ্যমের রিপোর্ট অনুসারে, জিএসটি স্ল্যাব পরিবর্তনের পর কিছু জিনিস খুব দামি হয়ে যাবে। অর্থাৎ, সরকার সেই জিনিসগুলির ওপর কর বাড়াবে। এর মধ্যে রয়েছে অ্যালকোহল এবং বিলাসবহুল জিনিসপত্রের মতো ক্ষতিকারক জিনিসপত্র।
স্পষ্টতই, এর সরাসরি সুবিধা উপভোক্তাদের কাছে সস্তা দামের মাধ্যমে পৌঁছাবে। সেই ক্ষেত্রে এই শিল্পে বিক্রয় বৃদ্ধির সুযোগ বাড়বে। এটি দেশীয় শিল্পের প্রচারের দিকে একটি বড় পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। যদি দেশীয় স্তরে উৎপাদনকে উৎসাহিত করা হয়, তাহলে উৎপাদন থেকে কর্মসংস্থান পর্যন্ত এর সরাসরি প্রভাব দেখা যাবে। এই কারণেই আমেরিকাও বাণিজ্য শুল্ক উত্তেজনার মধ্যে তার শিল্পগুলিকে বাঁচাতে এই ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে।






















