Indian Economy: আর মাত্র ১৩ বছর… ২০৩৮-এর মধ্যেই বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হবে ভারত; কী বলছে রিপোর্ট ?
Indian Economy Report: এই রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে যে ভারতের সবথেকে বড় শক্তি হল এর জনসংখ্যা। ২০২৫ সালে ভারতের নাগরিকদের গড় বয়স ছিল মাত্র ২৮.৮ বছর।

India GDP: মার্কিন শুল্ক আরোপের কারণে বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা ও অস্থিরতার আবহ দেখা দিয়েছে। তবে এই অস্থিরতার মধ্যেও ভারতের জন্য একটি সুখবর রয়েছে। EY-এর একটি প্রতিবেদন অনুসারে ভারত আগামী ২০৩৮ সালের মধ্যেই বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির (Indian Economy) দেশে পরিণত হতে চলেছে যার পিপিপি বা ক্রয় ক্ষমতার বিবেচনায় জিডিপি (India GDP) হবে ৩৪.২ মার্কিন ট্রিলিয়ন ডলার। ইন্টারন্যাশনাল মানিটারি ফান্ডের করা অনুমানের উপর ভিত্তি করে এই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে EY সংস্থা।
ভারতের সবথেকে বড় শক্তি
এই রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে যে ভারতের সবথেকে বড় শক্তি হল এর জনসংখ্যা। ২০২৫ সালে ভারতের নাগরিকদের গড় বয়স ছিল মাত্র ২৮.৮ বছর। সঞ্চয় হারের দিক থেকে ভারত রয়েছে বিশ্বের মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে। সরকারি ঋণ ও জিডিপির অনুপাত ২০২৪ সালে ৮১.৩ শতাংশ থেকে কমে ২০৩০ সালের মধ্যে নেমে আসবে ৭৫.৮ শতাংশে। অন্যদিকে ভারতের সমকক্ষ দেশগুলিতে ঋণের মাত্রা ক্রমেই বাড়ছে। এই অনুপাত বুঝিয়ে দেয় যে একটি দেশের বার্ষিক উৎপাদন ও এই ঋণ শোধের ক্ষমতার তুলনায় তার ঋণের পরিমাণ ঠিক কতখানি রয়েছে। এটি একট দেশের অর্থনৈতিক অবস্থাকে বোঝায়।
চিন, আমেরিকা ও জাপানের কী অবস্থা
এই প্রতিবেদন অনুসারে ২০৩০ সালের মধ্যে চিন পিপিপি মোডে তাঁর আনুমানিক ৪২.২ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের অর্থনীতি নিয়ে শীর্ষে থাকবে। তবে চিন দুটি প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হবে, দেশের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা আর ক্রমবর্ধমান ঋণের চাপ। আমেরিকা অবশ্যই শক্তিশালী, কিন্তু এই দেশ তার জিডিপির তুলনায় ১২০ শতাংশ বেশি ঋণ ও ধীর প্রবৃদ্ধির হারের মুখোমুখি। এর বিপরীতে ভারতে সবথেকে বেশি যুবক-তরুণ রয়েছে। ক্রমবর্ধমান আভ্যন্তরীণ চাহিদা আর জিডিপি-ঋণের মধ্যে ভারসাম্য রয়েছে দেশে যা এর দীর্ঘমেয়াদী বৃদ্ধির জন্য খুবই ভাল।
মার্কিন শুল্ক আরোপে কী প্রভাব পড়বে
গতকাল বুধবার থেকেই ভারতে কার্যকর হয়ে গিয়েছে মার্কিনি ৫০ শতাংশ শুল্ক। এর মধ্যে রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল কেনার জন্য ২৫ শতাংশ বেসলাইন শুল্ক আর ২৫ শতাংশ জরিমানা ধার্য করা হয়েছে। এই বিষয়ে EY বলেছে যে মার্কিন শুল্ক ভারতের জিডিপিতে ০.৯ শতাংশ হারে প্রভাবিত করতে পারে। তবে শক্তিশালী আভ্যন্তরীণ চাহিদা, বাণিজ্য অংশীদারিত্ব বৃদ্ধি আর রফতানির আরও অনেক উপায় খুঁজে বের করার ফলে জিডিপিতে এর প্রভাব মাত্র ০.১ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে।






















