Iran Israel War : 'আচ্ছে দিন অতীত', দুর্দিনের আশঙ্কা করছেন মোদি ? গ্রীষ্মকালটাই চ্যালেঞ্জ
PM Modi On Fuel Crisis : পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের ফলে বিশ্বজুড়ে তৈরি হয়েছে জ্বালানি সংকট। এবার যা নিয়ে দেশবাসীকে সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।

PM Modi On Fuel Crisis : ইরান ইজরায়েল যুদ্ধের (Iran Israel War) প্রভাবে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে ভারতের অর্থনীতি (Indian Economy)। পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের ফলে বিশ্বজুড়ে তৈরি হয়েছে জ্বালানি সংকট। এবার যা নিয়ে দেশবাসীকে সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)।
কী বলেছেন প্রধানমন্ত্রী
পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা ও 'হরমুজ প্রণালী' (Strait of Hormuz) দিয়ে পণ্য সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার দেশবাসীকে আগাম সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার লোকসভায় ভাষণ দেওয়ার সময় তিনি জানান, এই যুদ্ধের প্রভাব সুদূরপ্রসারী হতে পারে। ভারতকে দীর্ঘমেয়াদি পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।
গ্রীষ্মের শুরুতেই বড় ধাক্কা, বিদ্যুতের চাহিদা বৃদ্ধি হলেই চাপ বাড়বে
এদিন, প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই যুদ্ধের কারণে ভারত বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবে। কারণ দেশে ইতিমধ্যেই গ্রীষ্মের শুরু হয়েছে। তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুতের চাহিদাও বাড়বে। তবে তিনি আশ্বস্ত করে জানান , বর্তমানে দেশের সমস্ত বিদ্যুৎ কেন্দ্রে পর্যাপ্ত কয়লা মজুত রয়েছে। দেশবাসীকে পরিস্থিতির গুরুত্ব বোঝাতে গিয়ে তিনি বলেন, "আগামী দিনগুলি কঠিন হতে পারে, আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।"
ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা বজায় রাখতে সরকারের কৌশল
যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতেও ভারত যাতে থমকে না যায়, তার জন্য সরকার কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে।
বিশাল তেলের ভাণ্ডার তৈরি রাখা হয়েছে : বর্তমানে ভারতের কাছে ৫৩ লক্ষ মেট্রিক টন স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ (SPR) বা আপদকালীন তেলের ভাণ্ডার রয়েছে।
এই ভাণ্ডার বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ : এই মজুত ক্ষমতা বাড়িয়ে ৬৫ লক্ষ মেট্রিক টন করার কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে ভারত।
আমদানি দেশের সংখ্য়া বৃদ্ধি : এক দশক আগে ভারত মাত্র ২৭টি দেশ থেকে জ্বালানি আমদানি করত। বর্তমানে সেই পরিধি বাড়িয়ে ৪১টি দেশে নিয়ে যাওয়া হয়েছে, যাতে কোনও একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের ওপর নির্ভরশীলতা না থাকে।
পরিশোধন ক্ষমতা: গত ১০ বছরে দেশের তেল শোধন বা রিফাইনিং ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এদিন প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, "বিগত দশকে সংকটকালীন সময়ের কথা মাথায় রেখে অপরিশোধিত তেল মজুতের বিষয়টি আমরা অগ্রাধিকার দিয়েছি। আমাদের লক্ষ্য ভারতকে জ্বালানি ক্ষেত্রে স্বনির্ভর ও সুরক্ষিত রাখা।"
কূটনৈতিক তৎপরতা ও নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ
প্রধানমন্ত্রী জানান, ভারত নিরন্তর বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে যাতে তেল ও গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকে। আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা থাকলেও ভারতের বৈচিত্র্যময় আমদানি নেটওয়ার্ক এবং অভ্যন্তরীণ প্রস্তুতি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সাহায্য করবে বলে তিনি আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন।
























